সিডনী ইয়ারপোর্টে নামলাম সিঙ্গাপুর ইয়ালাইন্স থেকে। আমি সহ আরো দুই বন্ধু। প্রথমে ইয়ারপোর্টে পাসপোর্ট চেক করালাম। তারপর লাগিস্ চেক করলাম। প্লেনে যখন ছিলাম তখন ইয়ারপোর্টে অবতরনের আগে একটা ফর্ম পূরন করেছিলাম। সেকানে উল্লেখ করেছিলাম কিছু মেডিসন সাথে আছে। কি আর করার । পুরো লাগিছ তারা চেক করল। মনে হয় উল্লেখ করাটাই ভূল ছিল। কারন আমার দুইবন্ধু আগেই ইয়ারপোর্ট থেকে খালাস পেয়ে গেছে। যাগ্গে ইয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে আমার সিডনী বন্ধুরা দাড়িয়ে ছিল আমাকে রিসিপ্ করার জন্য। তখন মনে হয় সন্ধা ৭-৮টা বাজে। আমার তিন বন্ধু ছিল তখন। যাগ তাদের গাড়ীতে উঠলাম। বাসার উদ্দেশ্যে। কোথায়, কোন জায়গায় যাব কিছুই জানিনা। বাসায় যেতে আরো প্রায় দুই থেকে আড়াই ঘন্ট লাগল। জায়গার নাম সেন্স মেরিস্(পরে এর নাম জেনেছি)। সিডনী শহর থেকে প্রায় অনেক দূর্ ট্রেন থেকে যেতে প্রায় ১ঘন্ট লাগে। বাসায় উঠলাম। তিনটা রুম ছিল। একটা রুম আসবাব পত্র। আরেকটাতে অসি(অষ্ট্রেরিয়া যারা নাগরিক বা সিটিজেনশিপ্ তাদেরকে সংক্ষিপ্ত অসি বলে ) করে এক ভদ্রলোক থাকে। আর ডায়নিং রুমটাতে আপাতত আমার থাকার ব্যবস্থা হলো। তখন মনে হয় রাত ১১ টা কি ১১:৩০টা বাজে। তিন বন্ধুরা সবাই ব্যাস্ত হয়ে পড়ল রান্না করার। অবশ্য রান্না করার আগে আরেকজন দেশী লোক এসে ভাত, মাংস তার বাসায় রান্না করে দিয়ে গেল। সবাই মিলে মানে আমি সহ চারজন ধোম করে খেয়ে নিলাম। তারপর আমার তিনবন্ধু তাদের নিজেদের উদ্দ্যেশ্য যাত্রা করল তাদের গন্তব্যে। তখন আমার চোখ থেকে গড় গড় করে পানি বের হয়ে এল। মনে আছে সেদিন খুব কাদছিলাম।এরকম কাদা জীবনে কখনো হয় নি। পুরো বাসায় আমি একা। তাও সবেমাত্র নতুন এক দেশে আসলাম।যাইহোক আস্তে আস্তে করে ঘুমিয়ে পড়লাম। তখন বাজে রাত ১:৩০টা।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



