একদা আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) একটি আঙ্গুর বাগানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সঙ্গীগণ চিৎকার দিয়ে উঠলেন, "ভিতরে যাবেননা" হে আল্লাহর রাসুল!
: কেন? কি হয়েছে?
: ঐ যে উটটি পাগল হয়ে গেছে!
রাসুল (সঃ) ঘাবড়ালেন না। এগিয়ে গেলেন উটের দিকে।
অশান্ত মূক উটটির মাথায় হাত রাখলেন। কান পেতে ধরলেন উটের মুখের কাছে। ফিরে এসে ডাকলেন মালিককে। বললেন তুমি এই উটটির প্রতি অবিচার করছো। ঠিক মত খেতে দিচ্ছ না। আবার শ্রম নিচ্ছ তার সাধ্যের বাইরে।
: আমি এখন কি করব? হে আল্লাহর রাসুল! (কন্ঠে ব্যকুলতা)
: ঠিক মত খেতে দেবে। সাধ্যের বাইরে কাজ করাবে না। আর যদি না পারো, ছেড়ে দেবে তাকে। সে নিজেই তার রিযিক কুড়িয়ে খাবে।
এই হল ইসলামের পশু অধিকার। এর সাথে মিলাও তো তোমাদের মানবাধিকার। ইসলামে পশু অধিকারও তোমাদের মানবাধিকারকে হার মানিয়েছে। তোমাদের মানবাধিকারের কোমল পরশে অসহায় জনতার হাহাকার ধ্বনি ভাসে আকাশে বাতাসে। কাঁদে আমাদের ভাষাহীন পশু অধিকারও। কাঁদে না কেবল তোমাদের পাষাণ মানবাধিকার, কাঁদে না তোমাদের অতি অসভ্য সভ্যতা। আধুনিক সভ্যতার ধ্বজাধারীদের অতি সখের পোষা প্রাণী গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। অথচ এ দুটি প্রাণী ঘাস-পানি সংগ্রহে রীতিমত জান বাজী রেখে মরছে। এই গণতন্ত্রকে কে কতটা লাশের খোরাক দিতে পারলো, পিপাসায় কে কতটা বুকের তাজা খুন দিতে পালো; তা নিয়ে রীতিমত প্রতিযোগীতা চলছে। তোমাদের মানবাধিকাররা শুধু লাশ চায়, চায় রক্তের বদলে রক্ত।
ওহে মাতব্বররা! তোমাদের বাড়িতে মানবাধিকাররা কেমন আছে?
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


