গতকাল রাত সোয়া আটটায় উত্তরা হাউসবিল্ডিং থেকে বাসে উঠলাম। এয়ারপোর্ট গোলচত্বরে যখন পৌছালাম তখন ঘড়ির কাটা রাত এগারটা ছুই ছুই। তার আগে থেকেই বিভিন্ন বাসের লোকজন বাস থেকে নেমে হাটা ধরেছে। কারো মুখে কোনো কথা নেই, হনহন করে সবাই ব্যাগ-বোচকা কাধে নিয়ে বৃষ্টি মাথায় ছুটছে; পুরো দেশ যেন এক অসাধ্য ধৈর্য্য সাধনায় লিপ্ত। প্রায় মাঝরাতের এই ঘরমুখী আতংকিত জনস্রোত এক উপভোগ করার মতো দৃশ্য হতে পারতো আমাদের বড় সাহেবদের জন্য-কারন চারপাশে শুধু প্রাইভেটকার আর প্রাইভেটকার- আমরা মধ্যম আয়ও ছাড়ালাম বলে।
সিএনজি অটো রিকশা মহাসড়কে দূর্ঘটনার কারণ তাই তাদের মহাসড়কে চলাচল বন্ধকরা হলো, খুব ভালো কথা। প্রাইভেটকার গুলো যে রাজধানী অচল করার কারণ, তাদেরকে কি করা হবে? এখানেও “শক্তের ভক্ত নরমের যম” ফর্মূলা।
যানজটের জন্য পায়ে হাটা পাবলিকরাও দায়ী। এয়ারপোর্ট গোলচত্বরের দুহাত সামনেই ফুটওভার ব্রীজ, কিন্তু কেউ সেখানে উঠবেনা। আমরা যখন গোলচত্বরে পৌছালাম, সেখানে শতশত মানুষ রাস্তার মাঝখানে অপেক্ষমাণ রাস্তা পারাপারের জন্য। পুলিশ প্রাণপণ চেষ্টা করেও কোন দিক সামাল দিতে পারছেনা।
ঢাকা দুনিয়ার বাজে শহরগুলোর মধ্যে আবারো ২য় স্থান অধিকার করেছে, আমরা সবাই তার জন্য দায়ী। অলীক স্বপ্ন না দেখে আমাদের বাস্তবতটা বোঝা উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


