১. রান্নার অনুষ্ঠান হচ্ছিল টিভিতে। উপস্থাপিকা মাঝ বয়সী একজন মহিলা। কিছুক্ষণ পর দেখা গেল উনা বগল বেয়ে ঘাম ঝরা শুরু হয়েছে। ঘামের চোটে মহিলার নীল ব্লাউজের বগলের অংশ একেবারে ভিজে গিয়ে বেগুনী রং ধারণ করেছে এবং যথারীতি তখনো অনুষ্ঠান চলছিলো। রান্নার অনুষ্ঠানের মেইন ফোকাস থাকা উচিত কি রান্না হচ্ছে তার উপর; অথচ এখানে কি হয়- মেইন ফোকাস থাকে উপস্থাপিকা কি পরে এসেছেন, কি ভাবে সেজেছেন তার উপর। ক্যামেরা অবিরতই রন্ধনকারী এবং উপস্থাপিকার বুক-পেট-গাল দিয়েই ঘোরাফেরা করে। আমাদের এক মহা সুন্দরী অভিনেত্রী এক রান্নার অনুষ্ঠানে এসেছিলেন উপস্থাপিকা হয়ে। রন্ধনশিল্পী অল্প পড়ালেখা জানা এক বাবুর্চি। অভিনেত্রী ম্যাডাম অত্যন্ত গম্ভীরভাবে, বিরক্তমুখে অনুষ্ঠান চালালেন। অহংকারী, আনপ্রফেশনাল, দৃষ্টিকটু
২. একুশে টিভিতে দেখায় একুশের চোখ নামে একটা অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান।উপস্থাপক মহাশয় যাত্রাপালার কথা বলার ঢংয়ে, নির্দিষ্ট বিরতিতে দু-হাত ফাক করে করে এক্সপ্রেসশ দেন। গতমাসের অনুষ্ঠানে উনার শার্টের একহাতা অর্ধেক গোছানো আরেক হাতা পুরোটা নামানো, উপস্থাপক স্যারের সেদিকে খেয়াল নেই- অনুষ্ঠান চলছে।
৩. কৃষি বিষয়ক বেশ কয়েকটা অনুষ্ঠান দেখায় কয়েকটি টিভি চ্যানেল। যা মুলতো সাক্ষাতকার ভিত্তিক-তথ্য ভিত্তিক নয়। যা দেখে আপনি কোনো তথ্য পাবেন না। শুধু দেখবেন উপস্থাপক আর উপস্থাপক আর উপস্থাপক। শাইখ সাহেবের কবুতর পালনের উপর তিন পর্বের একটা অনুষ্ঠান দেখেছিলাম, সেখানে শাইখ সাহেব কবুতর কি, কবুতর ক্যামনে চিঠি আনা-নেওয়া করতো, কবুতর মানুষের ভালোবাসা চায় কি চায়না, উনার ইটালী ভ্রমণ সহ নানাবিধ আবর্জনায়পুর্ন জিনিস দেখিয়েছেন। মুলডিমান্ড থেকে অনুষ্ঠান বহুদুরে। আরেকজন পেপে চাষের উপর একটা প্রতিবেদন দেখিয়েছিলেন- ক্যামেরা খালি উপস্থাপকের পিছন পিছন যায় আর যায়। উপস্থাপক মহোদয়ের পাছা দেখাতেই দেখাতেই অনুষ্ঠানের দফারফা।
৪. বিটিভির যারা আউটসাইড স্পষ্ট থেকে সংবাদ সরবরাহ করেন তাদের নুন্যতম কোয়ালিটি নাই। আঞ্চলিকতার টানে, অশুদ্ধ উচ্চারণে ঘ্যানর ঘ্যানর।
৫. নাটকগুলোর টার্গেট একটাই-লোকহাসানো। যে ভাবেই হোক লোক হাসাতেই হবে। চুরি-চামারি-টাউট-বাটপারিতে ভরপুর।
বি:দ্র: পুরাই পার্সোনাল মতামত। প্লিজ কেউ ত্যানা পেচাইয়েন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

