somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উদ্বোধনের আগেই লন্ডন অলিম্পিক বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছে বিরল সম্মান

১৪ ই জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞ অলিম্পিকের এবারের আসর বসছে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে । ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে চারদিক । ক্রীড়াবিশ্বকে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছে স্বাগতিক শহর লন্ডন । আগামী ২৭ জুলাই সন্ধ্যায় সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত । বাঙালি-অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের স্টার্টফোর্ডে অলিম্পিকের মূল মঞ্চ । বাড়ির আঙিনায় উৎসব, তাই বর্ণিল হয়ে উঠেছে বাঙালিপাড়া । তবে মাঠে গড়ানোর আগেই এই অলিম্পিক বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছে বিরল সম্মান । এবারের অলিম্পিক আয়োজনে বিভিন্নভাবে জড়িয়ে আছেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশিরা ।

রোকসানার হাতে মশালঃ

আট হাজার সৌভাগ্যবান মশালবাহীর হাত হয়ে যুক্তরাজ্যের নানা প্রান্তে ছুটে চলেছে অলিম্পিকের শান্তির মশাল । যে কেউ চাইলেই অলিম্পিকের ঐতিহ্যবাহী মশাল বাহক হতে পারেন না । বাহকের থাকতে হয় বিশেষত্ব । যুক্তরাজ্যের নানা প্রান্তে আলোচিত নয়জন ব্রিটিশ বাংলাদেশি অলিম্পিক টর্চ বহনে সম্পৃক্ত হয়ে সৃষ্টি করেছেন ইতিহাস ।

এদেরই একজন রোকসানা । ২১ জুলাই লন্ডনের গ্রিনউইচ এলাকায় অলিম্পিক মশাল হাতে দৌড়াবেন ব্রিটিশ কিকবক্সিং চ্যাম্পিয়ন বাঙালি তরুণী রোকসানা বেগম । তিনি বললেন, ‘আমি আনন্দিত; মুখিয়ে আছি মশাল হাতে নেওয়ার জন্য । টর্চ হাতে পাওয়া বিশাল সম্মানের । ইচ্ছা আছে যে অলিম্পিক টর্চ নিয়ে দৌড়াব, সেটি নিয়েই বাংলাদেশে যাব ।’

অলিম্পিক স্মারকমুদ্রার নকশাকারঃ

লন্ডন অলিম্পিক নিয়ে পাঁচ পাউন্ড সমমানের স্মারকমুদ্রা বের করার প্রস্তুতি নেয় ব্রিটিশ মুদ্রা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান দ্য রয়েল মিন্ট । স্মারক মুদ্রার নকশার জন্য যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আয়োজন করা হয় উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার । বিজয়ী হয়ে ব্যাপক আলোচিত হন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি তরুণ সায়মান মিয়া । কয়েক হাজার নকশার মধ্য থেকে নির্বাচিত হয় তাঁর নকশাটি । সায়মান বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থী । তাঁর নকশা করা অলিম্পিক ২০১২ সালের স্মারকমুদ্রাটি এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীজুড়ে ।

সায়মান বলছিলেন, ‘স্থাপত্যশৈলী নিয়ে পড়াশোনা করছি, ড্রয়িং বরাবরই পছন্দের । স্কুলের একজন শিক্ষক প্রতিযোগিতাটি সম্পর্কে জানিয়ে অংশ নিতে বললেন । তার পরও বিষয়টি আমার মাথায়ই ছিল না । এক মাঝরাতে হুট করে আমার ঘুম ভেঙে গেলে নকশাটি আমার মাথায় আসে । দেরি না করে পেনসিল দিয়ে একটু সাজিয়ে রেখেছিলাম । আবার ভুলে বসি । ভাগ্যিস, শেষতক জমা দিতে পেরেছিলাম । মুদ্রার নকশা নিয়ে আমার ভাবনায় প্রাধান্য ছিল ব্রিটিশ স্থাপত্যের সঙ্গে ক্রীড়ার নিবিড় সমন্বয় ঘটানো । মুদ্রার নকশায় স্থান পেয়েছে ব্রিটেনের নান্দনিক স্থাপত্যকর্ম বিগ বেন, লন্ডন আই, সেন্ট পল ক্যাথিড্রেল ইত্যাদি । এদিকে নকশা জমা দেওয়ার পর আর কোনো খবর নেই, আর এমনটা হবে, সে তো জানাই ছিল । প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছি ঘরের মানুষ ছাড়া কাউকে বলিওনি । এরপর আসে চমক । দ্য রয়েল মিন্টের কর্মকর্তা কেভিন ফোন করে বলেন, আমার আঁকা নকশায় তৈরি হবে লন্ডন অলিম্পিকের স্মারকমুদ্রা !’

১৯৫৫ সালে ব্রিটেনে আসেন সায়মানের বাবা আরজু মিয়া । চার ভাইবোনের পরিবারে গর্বিত মা পিয়ারা খাতুন সায়মানের সাফল্যে প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘পূর্বপুরুষের মাটির গল্প শুনেই তারা বড় হয়েছে । আমার সন্তানের এই স্বীকৃতি বাংলাদেশিদের মুখ উজ্জ্বল করবে বলে জানি; আমি খুবই খুশি ।’

১০ বছর বয়সে শেষবার বাংলাদেশে গিয়ে থাকলেও ভাটা পড়েনি দেশের প্রতি টান । বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আত্মবিশ্বাসী হয়ে সায়মান জানান, ‘সুযোগ পেলে দেশে গিয়ে কাজ করার প্রচণ্ড ইচ্ছা আছে আমার ।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খুদে শিল্পীদের একজনঃ

নয় বছর বয়সের চঞ্চলপ্রাণ সৌগত প্রিয়ম, যাকে অলিম্পিকের বিশালত্ব বোঝাতেই পারছেন না তার মা মিনাক্ষী দাশ । এ নিয়ে কথা হয় প্রিয়মের সঙ্গে । সে বলে, ‘আমাদের স্কুল থেকে ৩০ জন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছি । অনেক বন্ধু বেড়ে গেছে, তাই রিহার্সেল করতে ভালো লাগছে ।’ আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলল, ‘নিজের ইচ্ছামতো কিছু করতে পারলে আরও ভালো লাগত ।’

সন্তানের গর্বিত মা মিনাক্ষী বললেন, ‘আমার ছেলেই জানে, কী করে নির্বাচিত হলো । অলিম্পিক যেন ওর কাছে কোনো বিষয়ই নয় ! বিশ্বাস করি, একদিন অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার বিষয়টি ওর মনকে আরও বড় করবে । ’ প্রিয়মের মতো আরও প্রায় ৯০ জন বাঙালি কিশোর, তরুণ-তরুণী লন্ডন অলিম্পিকের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানের নানা পরিবেশনায় অংশ নিচ্ছে, মহড়ায় ব্যস্ত সময় কাটছে তাদের ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আকরাম খানঃ

সারা বিশ্বে অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের এক অন্য রকম আবেদন থাকে । খেলার বাইরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি কিংবা টেলিভিশনে দেখার জন্য মুখিয়ে থাকে কোটি কোটি মানুষ । আর তাই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কেমন হবে, এই নিয়ে চলে নানা জল্পনা-কল্পনা । লন্ডন অলিম্পিকে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করবে ৮০ হাজার সৌভাগ্যবান দর্শক । আর বাইরে টেলিভিশনের পর্দায় কিংবা ইন্টারনেট-টিভিতে চোখ রাখবে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ । এমন আয়োজনেও বাঙালির বলিষ্ঠ অংশগ্রহণ - উচ্চমানের একক পরিবেশনার ভারটি এক বাংলাদেশির কাঁধেই চাপিয়েছেন লন্ডন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল পরিকল্পনাকারী, অস্কারজয়ী নির্মাতা ড্যানি বোয়েল ।
লন্ডন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কোরিওগ্রাফি মাথায় রেখে নানা নৃত্য প্রযোজনা দেখে বেড়াচ্ছিলেন স্লামডগ মিলিয়নেয়ার ছবির এই পরিচালক । অবশেষে তাঁর সেরা পছন্দ নামী নৃত্যশিল্পী, কোরিওগ্রাফার ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি আকরাম খান ।

আকরাম বললেন, ‘ড্যানি বয়েল আমার কোম্পানির প্রযোজনা ভার্টিক্যাল রোডের প্রদর্শনী দেখেন। এর কিছুদিন পর অফিসে ফোন করে দেখা করতে চান । এক সন্ধ্যায় আমাদের দেখা হয় । আলাপচারিতার শুরুতেই বললেন, অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কোরিওগ্রাফি করে দিতে হবে । এর সঙ্গে অবশ্যকরণীয় শর্ত হলো, আমাকেও নাচতে হবে । বিস্মিত হই, একটু ভেবে চিন্তা করে বলি, পুরো অনুষ্ঠানের কোরিওগ্রাফি করতে পারব না । তবে নিজের একক পরিবেশনায় অংশ নেব বলে তাঁকে নিশ্চিত করি !’
বিশেষ কী করবেন, অলিম্পিকে এমন প্রশ্নে আকরাম বলেন, ‘অলিম্পিকে আমার পরিবেশনার দায়িত্ব একান্তই আমার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন ড্যানি । বাংলাদেশ নিয়ে "আমার দেশ" প্রযোজনাটিও দেখতে এসেছিলেন ড্যানি বয়েল । দেখে তিনি বললেন, 'তোমার নৃত্যশৈলীর জন্য তাকিয়ে আছে বিলিয়ন দর্শক ।' আমি চেষ্টা করে চলেছি, একেবারে ভিন্ন ধাঁচের নৃত্যকর্ম উপহার দিতে ।’

এনাম আলীর লি রাজ রেস্টুরেন্টঃ

দুয়ারে অলিম্পিক। লন্ডনে বেড়ে চলেছে সারা বিশ্বের পর্যটকদের ভিড় । অতিথিদের স্বাগত জানাতে যেমন প্রস্তুত লন্ডন, তেমনি আয়োজকদের চোখ এড়ায়নি অতিথিদের রসনাবিলাসের বিষয়টিও । পূর্ব লন্ডনে বাঙালির প্রাণকেন্দ্র, বাংলাটাউনখ্যাত ব্রিকলেনকে লন্ডন অলিম্পিকের অফিশিয়াল কারি ক্যাপিটাল বা রসনা-রাজধানী ঘোষণা করেছে আয়োজক কমিটি । ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট হিসেবে খ্যাত হলেও ব্রিটেনে কারিশিল্পটি মূলত বাঙালিদেরই নিয়ন্ত্রণে । বছরে প্রায় চার বিলিয়ন পাউন্ডের এই বিশাল শিল্পের ৮০ ভাগেরই মালিকানা বাঙালিদের হাতে । শুধু ব্রিকলেনের রাস্তার দুই পাশে কমপক্ষে ৫০টি বাঙালি রেস্টুরেন্ট । শুধু ব্রিকলেনই নয়, যুক্তরাজ্যের নানা প্রান্তে প্রায় ১২ হাজার বাঙালি রেস্টুরেন্ট অতিথি আপ্যায়নে বিরাট ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন লন্ডন অলিম্পিক কমিটির চেয়ারম্যান লর্ড সাব কো । এদিকে কারি অস্কারখ্যাত ব্রিটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডের প্রবর্তক এনাম আলীর লি রাজ রেস্টুরেন্ট লন্ডন অলিম্পিকে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্ত হয়েছে ।

উজ্জ্বল আয়েশাঃ

২০০৫ সালের ৬ জুলাই । সিঙ্গাপুরে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক আয়োজক কমিটির সভা - কে হবে ২০১২ সালের অলিম্পিক আয়োজক ? সেই ফয়সালা হবে এই সভাতেই । শেষ লড়াইটা লন্ডন আর প্যারিসের মধ্যে । যাকে বলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই । লন্ডনের ১১ জনের প্রতিনিধিদলে আছেন বাঙালি নারী আয়েশা কোরেশী । পিনপতন নীরবতা ভেঙে হঠাৎ মিলনায়তনে ঢুকে পড়ল ৩৩ জন শিশু-কিশোর, যাদের পূর্বপুরুষের শিকড় পৃথিবীর নানা প্রান্তের ৩৩টি দেশ । বহুজাতি, নানা ভাষাভাষীর মানুষের শহর লন্ডনের জাতিগত বৈচিত্র্য তুলে ধরতেই তাদের নিয়ে আসা । এ ব্যাপারটা বেশ নাড়া দিল সভার অতিথিদের । আর এরই সুবাদে শেষতক চতুর্থ রাউন্ডে চার ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ীর হাসি হাসে লন্ডন । আর এই ৩৩টি দেশের ৩৩ জন শিশু-কিশোরকে হঠাৎ সভায় উপস্থাপন করার আইডিয়া আয়েশা কোরেশীর ।

আয়েশা বললেন, ‘তখন আমি বিবিসিতে কমিউনিটি বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করছি । নানা জাতি-বর্ণের মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা । হঠাৎ লন্ডন অলিম্পিক আয়োজক প্রতিনিধিদলে কাজ করার সুযোগ হয় । সবার লক্ষ্য একটাই, অলিম্পিক আয়োজন নিশ্চিতকরণ । সিঙ্গাপুরে চূড়ান্ত পর্বে যাওয়ার দুই সপ্তাহ আগে পরিকল্পনা করি, বাচ্চাদেরও সঙ্গে করে নিয়ে যাব ।’

লন্ডন অলিম্পিক আয়োজনে তার অক্লান্ত শ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৬ সালে ব্রিটেনের রানির দেওয়া এমবিই (মেম্বার অব ব্রিটিশ এম্পায়ার) উপাধিতে ভূষিত হন আয়েশা । আয়েশা এখন লন্ডন অলিম্পিক ডাইভারসিটি কমিটির একজন সম্মানিত উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন । আয়েশা বললেন, ‘আনন্দ পাই এই ভেবে যে অলিম্পিক আয়োজনে আমারও একটু শ্রম মিশে আছে । আর একজন বাঙালি নারী হিসেবে এই বিশাল আয়োজনের অংশ হতে পারাটা আরও বেশি গৌরবের।'


তথ্যসূত্রঃ
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:৩২
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছুটা আত্মকথন, কিছুটা স্মৃতিচারন আর আমার গানের ভুবন!!!

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ০১ লা জুন, ২০২০ সকাল ১১:৩৩




কোন একটা ক্রাইসিসে একেক মানুষ একেকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়। কারন, ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সবার একরকমের হয় না। মানুষ হিসাবে আমি কেমন….…..দুর্বোধ্য নাকি সহজবোধ্য? প্রশ্নটা আমার নিজের কাছেই।

গত কয়েকদিন ধরে মাথায় ঘুরছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

» প্রকৃতির ছবি, দেশের ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা-৭)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:০০

বিভিন্ন সময়ের তোলা কিছু ছবি ।
১। পিটুনিয়া



কেমন আছেন সবাই? কেমন ছিলেন? বন্দিত্বের দিনগুলোতে। অনেক দিন গ্যাপ হয়ে গেলো পোস্ট দিচ্ছি না। বন্দি থেকে থেকে হয়রান হইতে হইতে অফিস করছি এখন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

খানসাব জানিলো কেমনে !!

লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩৫


খানসাব জানিলো কেমনে!!
নূর মোহাম্মদ নূরু

ও মনু তাইলে তুমিও ছিলা ওদের দলে
বুঝছ এখন ক্যামনে তুমি পড়াছা যাতা কলে!
বারোটা সাঙ্গাত যখন উঠলা রাতের ট্রেনে
মতি গতি ভালোনা তা বুঝলো আামার ব্রেনে।

মজা করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমেরিকান সৌন্দর্য্য

লিখেছেন শের শায়রী, ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০৩



একেই বলে আমেরিকান সৌন্দর্য্য। সব খানে জর্জ ফ্লয়েডের কারনে আমেরিকায় শুধু মারামারি, হানাহানির ছবি খবর দেখে বিরক্ত। কারন এতে আমি নতুনত্ব কিছু খুজে পাই নাই। আমাদের দেশে এসব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ

লিখেছেন অনল চৌধুরী, ০১ লা জুন, ২০২০ রাত ১০:৪০



ইউরোপ-এ্যামেরিকায় প্রতিদিন মুসলমান-এশিয় ও আফ্রিকানদের উপর জঘন্য বর্ণবাদী আক্রমণ হয়।
এ্যমেরিকাতে এখনো কালোদের প্রায় ক্রীতদাসই ভাবা হয়।

তাদের প্রতি পুলিশের আচরণই তার প্রমাণ।পুলিশ তাদের যেকোনো সময়ে বিনা অপরাধে গ্রেফতার এমনকি হত্যাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×