আসলে কি লিখব তা খুঁেজ পাচ্ছিলামনা। অনেক ভেবেছি কি লিখা যায়। কিছুই মনে আসছেনা। বাসা থেকে বেরিয়েছি ভোরেই অফিসের কাজে। বিকেলে অফিসে পিসি টা ওপেন করার পরও অনেক ভেবেছি..না.. কিছুই হলোনা।
কদিন ধরে তো আবহাওয়াটাও কেমন যেন। এই বৃষ্টি তো এই রোদ.. আবার এই বাতাস। হঠাৎ করেই বিশ্বব্যাপী জলবায়ুর পরিবর্তনে আমরাই মনে হয় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হলাম।
যাই হোক সকালে যখন বাসা থেকে বের হই তখন কেমন যেন তীর্যক রোদ পড়ছিলো। আবার পথেই দেখা হলো বৃষ্টির সঙ্গে। বড়ই অবাধ্য। কথাই শুনতে চায়না। হঠাৎ ঝাপটায় পালেট দিতে চাইলে উলেটা আমাকেই। কি আর করা। হার মানলাম। আশ্রয় নিলাম নিরাপদে।
মুহুর্তেই সব চেঞ্জ। করা রোদ। তাকানোই যাচ্ছিলোনা। রোদের চোখ রাঙ্গানি সত্যিই ভয়ংকর।
এদিকে মেঘের লুকোচুরি তো আছেই। নানা রংয়ের মেঘের ভেলা খেলা করে আকাশে বাতাসে। আমার অবশ্য কিছুটা কৌতুহল আছে এ নিয়ে। মেঘের কাছে জিজ্ঞেসও করছিলাম। উত্তর মেলেনি। ও অবশ্য বরাবরই এমন। কিছু বললেই ভেংচি কাটে কিন্তু আবার নিজের মতো করেই ঘুরে বেড়ায় সর্বত্র। সত্যিই বিস্ময়কর।
মজার বিষয় হলো ওরা একসাথেই থাকে। কিন্তু কখনোই এক হয়না.. অর্থাৎ কখনোই মিশে যেতে পারেনা... বলুন তো কেন ? ভাববেননা আমি জানি.. আমি জানিনা বলেই জিজ্ঞেস করলাম...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




