বাংলাদেশে মিছিল..মিটিং ...হরতাল... এগুলো দীর্ঘদিনের পুরনো এবং বর্তমানে অনুপযুক্ত রাজনৈতিক কর্মসুচী। সামরিক শাসনের অবসানের পর 90 থেকে এখানে এক ধরনের মিষ্টি কথার আবির্ভাব হয়েছে। যেমন গাড়ি ভাঙ্গা বন্ধ করতে হবে.. হরতাল করা যাবেনা ইত্যাদি।
অথচ যে কথাটা দৃঢ়তার সঙ্গে বলা উচিত সেটা হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন নিয়ে। আইন করা উচিত যাতে কেউ একটার বেশি সন্তান না নেয়। আইন করতে হবে কেউ যেনো ঘুষ না নেয়.. আইন করতে হবে ব্যবসায় কেউ যেনো মানুষকে না ঠকায়।
কিন্তু এগুলো কেউ বলবেনা। কারন তাতে আতে ঘা লাগবে। হরতালে যা ক্ষতি হয় তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয় বিদ্যুৎ সংকট আর দুর্নীতিতে। তাই বলে হরতাল গ্রহনযোগ্য কোন কর্মসুচি হতে পারেনা। কিন্তু হরতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ আছে.. কিন্তু বিদ্যুৎ সংকটের জন্য কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে জনগন। কোন মামলা... বা জরিমানার ব্যবস্থা আছে কি ?
যাই হোক সঠিক রাজনৈতিক কর্মসুচি কি হতে পারে .... সেটাও কিন্তু কেউ বলেনা। ইচ্ছে করলে আপনি বলতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




