একটি গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক সংকট থাকবে এটা স্বাভাবিক। এসব সমস্যা রাজনৈতিক ধারাবাহিকতাতেই অবসান ঘটাতে থাকে। কারো কারো ত্যাগের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত শাসকরা হেরে যায় এবং গণমানুষের বিজয় ঘটে।
জীবনের সুবর্নসময় অন্ধকার কারা প্রকোষ্টে কাটিয়ে এশিয়ায় বঙ্গবন্ধু এবং দক্ষিন আফ্রিকায় ম্যান্ডেলা তাই প্রমান করেছেন..আদায় করেছেন জনতার অধিকার।
71এ বাংলাদেশ স্বাধীন হলো। 75 এর কালরাতের পর প্রায় 21 বছরের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে জনতার জয় হলো 90এ। কোন বিদেশী শক্তি কিন্তু লাগেনি। 91 এর নির্বাচিত সরকার আবার যখনই ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করলো আবার জেগে উঠলো জনতা। নিনিয়ান টিনিয়ান অনেকেই এসে হালে পানি পেলোনা.. ঢাকায় এসে কিছুদিন থেকে মধ্যস্ততার সুযোগ না পেয়ে নারী আর মদ নিয়ে ফূর্তি করে চলে গেলো।
96 এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি অর্জিত হলো কোন মধ্যস্ততা ছাড়াই। 2001 এ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কিছু কর্মকান্ড এবং ক্ষমতাসীন বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু খুনী ফারুকের আত্মীয় বিচারপতি এম এ হাসানকে প্রধান উপদেষ্টা বানাতে বিচারপতিদের বয়সসীমা বাড়ানোর কারনেই দেখা দিলো নতুন সংকট।
বিরোধী দল আন্দোলনে জনমত গঠন করছে এবং বিএনপি নেতা হাসানের অধীনে নির্বাচনে যাবেন বলে দিয়েছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী গত কয়েকদিন সংস্কার মানা হবেনা বললেও শেষ পর্যন্ত কিন্তু বলেছেন দু মহাসচিবকে সংলাপে বসতে। এটিই শুভ লক্ষন।
কিন্তু এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় শ্রেনীর এনজিও এনডিআই এসে জাতিকে জ্ঞান দিয়ে গেলো। ইইউ দল আছে ও ঘুরে বেড়াচ্ছে নেতাদের বাড়ি বাড়ি। উদ্দেশ্য কি এদের ? আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের দৈন্যতার কারনে এনডিআই এক ধরনের মোড়লীপনা পর্যন্ত করেছে। দেশ আমাদের.. সমস্যা আমাদের.... রাজনীতিও আমাদের। রাজনৈতিক সমস্যা আপন গতিতেই সমাধান হবে। এ নিয়ে বিদেশীদের এতো মাথাব্যাথা কেনো ? ওদের যদি এতো মায়া থাকে পারলে বাংলাদেশ থেকে এক কোটি শিক্ষিত বেকারকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পুনর্বাসন করুক। আমরা স্বাগত জানাবো।
আসুন সবাই সোচ্চার হই বিদেশীদের এসব ফাও মোড়লীপনার বিরুদ্ধে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

