
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ও উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যাত্রা শুরু হয়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় গত দুই মেয়াদে সরকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সাংগঠনিক কাঠামোতে আধুনিক অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যোগাযোগ সরঞ্জামাদি অন্তর্ভুক্ত,যা সামগ্রিকভাবে আমাদের গর্বিত সেনাবাহিনীর সমরশক্তি ও চলাচল ক্ষমতাকে অনেকগুণ বৃদ্ধি করেছে। সরকারের এই দৃঢ় ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের ফলে সেনাবাহিনীর গ্রহণ যোগ্যতা দেশ ও বহির্বিশ্বে উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে এক শ্রেণীর মানুষ ঈর্শান্নিত হয়ে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপ্রপ্রচার চালিয়ে সেনাবাহিনী তথা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসাবে কোন কিছু না পেয়ে সেনাবাহিনীর জলসিড়ি আবাসন নিয়ে যে প্রচার চলছে সেটা আসলে সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভুয়া। এই মিথ্যা অপপ্রচার শুনে দেশবাসী সবাই হতবাক। এমন একটা ভুয়া সংবাদ ছাপিয়ে দেশের জনগণকে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কে দেওয়াই যার একমাত্র উদ্দেশ্য। সর্বপোরি মানুষের কল্যানে নিজেদের উৎসর্গ করে দিয়েছেন এই বাহিনীর লক্ষ লক্ষ সদস্য। সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসাবে কাজ করছে তারা। বর্তমানে এই বাহিনী নিয়ে নামামূখি ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে আমার মনে হচ্ছে। একটি ধর্মীয় মৌলবাদি গোষ্ঠি তাদের স্বার্থ হাসিল করার সর্বশেষ কৌশল হিসাবে এই বাহিনীকে ব্যবহার করতে চাচ্ছে। এ ছাড়া এই বাহিনীকে ব্যবহার করে অনেকে রাজনৈতিক ফয়দা লুটতে চাচ্ছে। তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে সুশৃঙ্খল বাহিনীকে ব্যবহার করতেও দ্বিধা করছে না। সকলে একযোগে এদেরকে প্রতিহত করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে দল-মতের উর্দ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের নাগজাল ছিন্ন করে দেশের কল্যানে সেনবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

