somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জলসিড়ি আবাসন প্রকল্প হলো অবসরপ্রাপ্ত দেশপ্রেমিক সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের মাথা গুঁজার ঠিকানা কিন্তু এই প্রকল্প নিয়েও চলছে একটি মহলের অপতৎপরতা

০৬ ই আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৪:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ও উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়েই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যাত্রা শুরু হয়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় গত দুই মেয়াদে সরকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সাংগঠনিক কাঠামোতে আধুনিক অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যোগাযোগ সরঞ্জামাদি অন্তর্ভুক্ত,যা সামগ্রিকভাবে আমাদের গর্বিত সেনাবাহিনীর সমরশক্তি ও চলাচল ক্ষমতাকে অনেকগুণ বৃদ্ধি করেছে। সরকারের এই দৃঢ় ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের ফলে সেনাবাহিনীর গ্রহণ যোগ্যতা দেশ ও বহির্বিশ্বে উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে এক শ্রেণীর মানুষ ঈর্শান্নিত হয়ে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপ্রপ্রচার চালিয়ে সেনাবাহিনী তথা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসাবে কোন কিছু না পেয়ে সেনাবাহিনীর জলসিড়ি আবাসন নিয়ে যে প্রচার চলছে সেটা আসলে সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভুয়া। এই মিথ্যা অপপ্রচার শুনে দেশবাসী সবাই হতবাক। এমন একটা ভুয়া সংবাদ ছাপিয়ে দেশের জনগণকে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কে দেওয়াই যার একমাত্র উদ্দেশ্য। সর্বপোরি মানুষের কল্যানে নিজেদের উৎসর্গ করে দিয়েছেন এই বাহিনীর লক্ষ লক্ষ সদস্য। সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসাবে কাজ করছে তারা। বর্তমানে এই বাহিনী নিয়ে নামামূখি ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে আমার মনে হচ্ছে। একটি ধর্মীয় মৌলবাদি গোষ্ঠি তাদের স্বার্থ হাসিল করার সর্বশেষ কৌশল হিসাবে এই বাহিনীকে ব্যবহার করতে চাচ্ছে। এ ছাড়া এই বাহিনীকে ব্যবহার করে অনেকে রাজনৈতিক ফয়দা লুটতে চাচ্ছে। তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে সুশৃঙ্খল বাহিনীকে ব্যবহার করতেও দ্বিধা করছে না। সকলে একযোগে এদেরকে প্রতিহত করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে দল-মতের উর্দ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের নাগজাল ছিন্ন করে দেশের কল্যানে সেনবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে।

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৪:১৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মুমূর্ষু কবিতা

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১১



আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ এসেছে শরৎ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১



শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।

ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ। 

স্নিগ্ধ  বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×