





তো যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সময় কেটে যায়। সম্রাটের বয়স বাড়ে। মাথায় ঢুকলো মৃত্যুভয়। মরতে হবেই। কিন্তু মৃত্যুর পরে জীবনে যদি ঝামেলা হয়? সম্রাটকে পাহারা দিবে কে? সম্রাট ঠিক করলেন মৃত্যুর পর তাঁকে পাহারা দিবে মাটির তৈরি এক সেনাবাহিনী। দীর্ঘ দশ বছর চললো সেই সেনাবাহিনী তৈরির কাজ। তৈরি হলো টেরাকোটার ৮ হাজারের এক সেনাবাহিনী। এতে একটি সেনাবাহিনীর সেনাপতি থেকে শুরু করে সব পদের সেনাই ছিল। সৈন্যদের ঘোড়া লাগবে। তৈরি হলো ৬৭০টা ঘোড়াও। সব মাটির তৈরি। এসব ঘোড়ার মধ্যে ১৫০ ঘোড়া আবার অশ্বরোহী সৈন্যের জন্য। এসব টেরাকোটা সেনার সঙ্গে বেশ কিছু জীবন্ত মানুষকে হত্যা করে দেয়া হলো মৃত্যুর পরে সম্রাটকে সেবা করার জন্য। তবে কেউ কেউ খুশি মনেই আÍহত্যা করলেন সম্রাটের সঙ্গী হওয়ার জন্য। আর সেটা আর্সেনিক খেয়ে।
সম্রাটের সমাধি ত্রেটি চীনের ‘শাহশি’ প্রদেশের লিংকটন জেলায়। ১৯৭৪ সালে ওখানকার কৃষকরা চাষের জন্য একটা কুয়া কাটছিলেন। ওটা খুড়তে গিয়েই এই সমাধি ত্রেটির কথা জানতে পারে বিশ্ববাসী। যদিও কুয়া কাটার জায়গাটা ছিল সম্রাটের মূল সমাধি ত্রেটির ১.৬ কিলোমিটার পূর্বে। মাটি খুড়ে বের করা সেনাদলকে ওখান থেকে আর সরানো হয়নি নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে। মাথার উপরে ছাদ দিয়ে ওখানেই একটা জাদুঘর করা হয়। তো সেই টেরাকোটার সেনাবাহিনীর চারজন সেনা আর একটা ঘোড়ার সুভিনিয়র
গতকাল (৩০/০৯/২০১৪) আমার হাতে এসেছে। কষ্ট করে সেসব সুদূর চীন থেকে নিয়ে এসেছে আমার স্কুল ফেন্ড সাদিক। ব্যাটাকে অশেষ ধন্যবাদ। ধন্যবাদ পুরোটা দিচ্ছি না। কেননা ‘চীনের মহাপ্রাচীর’টা হাতে পাওয়া এখনো বাকি আছে। যদিও ও কথা দিয়েছে পরে নাকি এনে দিবে। সেই হিসেবে সাদিককে আরেকটা আগাম ধন্যবাদ দিতেই পারি।
রিদওয়ান আক্রাম
(০১/১০/২০১৪)
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



