তবে এটা বলতে পারি ।
মৌলবাদের ব্যাখ্যা দেওয়া অনেকটা কঠিন ।
লেবানান সরকার থাকা সত্ত্বেও এ বিশেষ কিছু অংশ হিজবুল্লাহ এর নিয়ন্ত্রণে ছিল । একে কি বলে আখ্যায়িত করবেন তাও জানি না ।
তবে হিজবুল্লাহ কিছু খারাপ কাজ করেছে বৈকি । বেটার সাহসটা হইল কিভাবে 12000-15000 এর মত রকেট নিয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার । আশা করি ইসরাইলকে হারাতে পারবে কিন্তু শুধু কি রকেট দিয়ে কি ইসরাইলকে কাবু করতে পারবে । ধরি, লাখ সৈন্যই আছে।
কিন্তু সাগরের উপর দিয়ে আসবে উড়ে হাজার এবং ঝাকেঁ ঝাকেঁ বোমারু বিমান তাকে রোখবে কি দিয়ে ।
যদি সত্যিই আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করা হয় , তাহলে অবশ্যই জিতবে । তবে ওদের রকেটর কিলোমিটার বেধে পাথর্ক্য আছে । হাইফা পর্যন্ত আক্রমণ মারাত্নক ব্যাপার । আমি বলি যদি ইসরাইল যদি সত্যি চড়াও হতে চায় । তাহলে লেবানানকে পিসে ফেলতে পারে । আর যদি আমেরিকা বাবাজি (ক্লোজআপহাসি) একটু ভরসার হাত রাখে ইসরাইলের উপর তাহলে হিজবুল্লাহ এর রকেট উতক্ষেপণ কেন্দ্রই হাওয়া হয়ে যাবে ।
সুতরাং এরপর সাহায্য লাখবে ইরানের । যেহেতু
বৈরুত শেষ সুতরাং লেবানন এর বাকি শহর শেষ হতে সময়ের ব্যাপার মাত্র । যদি ইরান আশে তাহলে গিয়ে না হয় সমানে সমানে আসবে । আমার ফ্রানস জার্মানী, ইটালী,গ্রেট ব্রিটেন, চীন, সবাই যদি একসাথে সর্মথন করে ইসরাইল কে তাহলে তো ইরানেরও নিস্তার নেই আফগানিস্তান কিংবা ইরাক এর মত হতে ।
হিজবুল্লাহ, প্রায় ম্যানুয়েলি রকেট চালিয়েছে আর ইসরাইল স্যাটালাইট এর উপর ভিত্তি করে নিয়ন্ত্রিত রকেট ছাড়বে তবে তখন হিজবুল্লাহ এর কিছুই করার থাকবে না ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




