somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতের ভিসা পেতে না মানে দু:খিত ই টোকেন পেতে আম জনতা থেকে দালাল হওয়া

০১ লা নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



অনেক খোজাখোজি করে অদ্যপান্তে মনে হয় দালালের কাছেই যেতে । টানা সপ্তাহ চেষ্টা করে ই টোকেন বের করতে না পারায় বিরক্তিতে মন ভরে গেল । যেহেতু আবেদন না করতেই্ এত হেনস্থা । :(

মূল সমস্যা আমরা সর্বদাই দোষ দিয়ে এসেছি ভারতীয় দূতাবাসকে । কিন্তু এই চিন্তা থেকে ১০০ হাত দূরে না গেলেও ৫০ হাত দূরে চলে এসেছি ।

০.. ব্যবহারকারী যারা কিছুই বোঝে না বা ঝামেলায় যাওয়ার সময় নাই, তারা এজেন্সি বা দালাল বা অন্য ব্যক্তি সহায়তায় করে তারা আমার লিস্টে ০ থেকে শুরু করলাম । তারা টক মিষ্টি ঝাল জনতা :P

১ম. এন্ড ইউজার বা আম জনতা যেভাবে আবেদন করবে সেটা কিছুটা অদ্ভুত । ইংরেজীতে বললে আরও সুবিধা হবে কমপ্লিকেটেড । অনলাইনে ফর্ম পূরন করার পর সেটাই শেষ নয় । সেটাই করতে মাঝে মাঝে লোড রি লোড রিফ্রেশ এর ঝক্কি । এরপর ২য় ধাপ আবেদন এর তারিখ বের করা । তার জন্য সিকিউরিটি মেসেজ মোবাইলে আনাতে হবে । সেটাই হয় না। হলেও, সেই মেসেজ যে পেয়েছি তার নিশ্চিত হয়ে আবার তথ্য ইনপুট করে ফাইনাল ডেইট বের করতে হয় যা আবার এস এম এস এ আসে বা পিডিএফ এ প্রিন্ট হবে । তা করতেও রিফ্রেশ , লোড রি লোড যাই বলিনা কেন, সার্ভার এর গ্যাঞ্জাম ।

২য় যারা এই নিয়ে কাজ করেন , সোজা কথায় আমরা দালাল বলি , বা থার্ড পার্টি তারা এখানে সত্যিকার অর্থে এখন সেকেন্ড পার্টি হয়ে গিয়েছে । যাই হোক, ২য় স্তরের তথ্য সম্পাদনকারীরা আম জনতা থেকে ই টোকেন নেবার কথা বলে ২০০০ থেকে ৫০০০ দাবী করে । জায়গা,সময় বোঝে কম বেশী হয় দাম । তারা একটু এডভান্সড যে, তারা মজিলা ব্যবহার করে এ্যাড বা স্ক্রীপ্ট ব্যবহার করে বা ভাল নেট ব্যবহার করে । যার মধ্যমে ১ম ধাপের সাধারন জনতা কেউ যদি নিজে ই টোকেন বের করতে চায় যে সমস্যায় পরে রিফ্রেশ, লোড, পুনরায় তথ্য ইটপুট করা, অটো ক্যাপচা বা পেইজ এর গোপন উত্তর দেওয়া, ফর্ম আগে থেকে পূরন করে রাখা ইত্যাদি ধাপে এগিয়ে থাকে । এই স্তর এক সময় জনপ্রিয় ছিল । কিন্তু তারাও অসহায় এখন ৩য় স্তরের কারনে ।

৩য় স্তরের যারা তারা আরও এডভান্সড যে কম্পু এর সফটওয়্যার প্লাস মোবাইল এপিকে এপ‌্যাস ইত্যাদি ব্যবহার করে হ্যাকিং ধাচের কিছু একটা করে, যেহেত আমি করি নাই বা বুঝতেও পারছি না যে তারা কিভাবে অগ্রধিকার পাচ্ছে । তবে কাজটা কিছুটা বাংলাদেশে হচ্ছে আর কিছুটা ভায়া ভারত বা কলকাতা হয়ে হচ্ছে । তেমনি ওয়েবসাইট হল aptoken.com amartoken.com আর কলকাতা ভিত্তিক হল ivas tiger software . এই ৩য় স্তরের এই সফট গুলো আবার কিনতে হবে ভায়া বিভিন্ন দালাল হয়ে । যা আপনি ফোরাম ছাড়া ফেবু গুগল প্লাস ছাড়া সার্চ করেও পাবেন না, পেলেও জিপ বা পাস প্রটেকটেড থাকবে । এগুলা ব্যবহার করতে ম্যাক এড্রেস বা আই পি এড্রেস ইত্যাদি পরিবর্তন করে করতে হয় । কারন একটা আই পি থেকে ই টোকেন আবেদন করার সীমা আছে মনে হয় । তারা আবার ২য় স্তরের সাথে যোগাযোগ করে পয়সা নেয় বা ক্ষেপ নেয় । দালালের উপর বাটপারী

এখন এই ০,১,২,৩,৪ যত গুলিই সব ই টোকেন নিয়ে কথা বলছি, ভিসা পাওয়ার ব্যাপারে নয় । হয়ত ভারতীয় দূতাবাস জানে বোঝে, হয়ত তারা টাকা নেয় উপড়ি । কিন্তু এইখানে স্পষ্ট যে বাহিরের হ্যাকারেরও এর হাত আছে । ব্যাপারটা যদি এমন হত যে, ১০০০ মানুষ আবেদন করছে ৭০০ রিজেক্ট হচ্ছে । কিন্তু এখানে আবেদন করতে গেলেই ফ্যাকড়া । ১ হাতে তালি বাজে না । দূতাবাস ইনডাইরেক্টলি টাকা নেয় নাকি তারাও অসহায় । জানি না ।

আর দূতাবাসে ফোন করে জানলাম, তারা যখনই এপ্লাই নেবার জন্য সার্ভার এর আবেদন লিংক খুলে তখনই হাজার হাজার আবেদন আসে । কখন খুলে তারা তা গোপন রাখে! হয়ত সিকিউরিটি কারনে হতে পারে । ধরে নিলাম তারা জানায় না কাউকেই! তবুও সফটওয়্যার ছাড়া অজানা সময়ে এতগুলো আবেদন জমা হবার কথা না । হয়ত সফটওয়্যার চালু রাখে ঘন্টা খানেক যখনই আবেদন ঢুকার সময় হবে সব ঢুকে যায় !!! হতে পারে । আর তারা টাকার বিনিময়ে হ্যাকারদের তথ্য দিলেও দিতে পারে , সবই সম্ভব । কিন্তু হ্যাকাররাও সাধারন মানুষকে ভোগাচ্ছে এইভাবে নিজের আয়ত্বে নিয়ে, ভারতের দূতাবাসকে কি দোষ দিব। :(


আমি ০ স্তর থেকে ১ম স্তর থেকে ২য় স্তরে ঢোকার আপ্রান চেষ্টা করে বুঝলাম, যতই এডঅন, স্ক্রীপ্ট ব্যবহার করি না কেন ...৩য় স্তর এইটাকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
সুতরাং যেটা করতে হবে, ২য় স্তরের দালাল ধরতে হবে ৭ দিনের মধ্যে তারিখ দিয়ে দিবে । ৫০০০-১৫০০০ টাকা হলে ভিসাও দিতে পারে !!!

মন ভেঙ্গে গেল, ইচ্ছা ছিল দালাল ছাড়াই একজনের ভিসা আবেদন এর কাজটা করে দিব । ঘুষ খাওয়া যেমন অপরাধ আর দেওয়াও । তেমনি দালালকে পয়সা দিয়ে নিজেকেও দালাল মনে হল । জনাব গান্ধীর মত অসহযোগ আন্দোলন পারলাম না। :)

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:২৪
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি আর তুমিঃ ফানা থেকে বাকাঃ জীবনের উপলব্দি সবই তোমার

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১১


ইশ্‌কে আমি ও তুমি’র ব্যবধান ক্ষীণ হওয়া, ফানা-তে অহংকারের বিলয়, এবং বাকা-তে প্রকৃত বোধ নিয়ে কর্মময় জগতে ফিরে সেবা, বিনয়, করুণা ও কৃতজ্ঞতার জীবন বেছে নেয়ার উপলব্দিতে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×