জীবনে অনেক আজাইরা-বেজাইরা কবিতা লিখেছি!!!!!!
তবে আমার কাছে এইটাই এখন পর্যন্ত বেস্ট...........
অস্থির স্বপ্ন
উসকো-খুসকো চুল,
মুখভরা খোঁচা-খোঁচা দাড়ি,
পরনে জিন্স আর টকটকে লাল টি-শার্ট
হেটে চলেছি একা।
দুইপাশে রাস্তাটা সরু হতে হতে চলে গেছে অজানায়।
চারিদিকে অথৈ পানি,
চোখের গন্ডিতে নেই কোন জনমানুষের ছায়া।
এখন সময়??
হাতে হাতঘঁড়িটা নেই,
হারিয়ে গেছে যুগের বিবর্তনে।
পকেটে হাত-
উঠে এল মায়ের লেখা একটা চিঠি।
শেষে লেখা
‘ভালো থাকিস খোকা, ভালো থাকিস’
ভাঙা-ভাঙা হাতের লেখা,
তবুও বুঝতে কষ্ট হলো না এতকটুও।
ছোটবেলায় মা হাতে বর্ণমালা তুলে দিয়েছিল
আর বলেছিল তার আলোয় জীবনকে বর্নময় করে তুলতে।
জীবন বর্নময় হয়েছে কিনা জানিনা
তবে, ঐ অন্তসারশূঁন্য আর বিবেক বিবর্জিত
মানুষদের একজন হতে পারিনি।
শিক্ষা নামের অশিক্ষা যারা হৃদয়ে করেছে ধারণ
যেখানে পেরেছে, যেভাবে পেরেছে দেশকে করেছে হরণ।
রাজণীতির নামে দেশকে নিয়ে করেছে খেলা
বাপ-দাদার পৈত্রিক সম্পত্তির মত।
নেশায় মত্ত ছেলের মত বেচে দিয়েছে অন্যের হাতে।
তাদের জন্য মনের মধ্যে যা জমা আছে সেটার নাম ঘৃণা।
মাথার মধ্যে আগুন জ্বলে ওঠে
সে আগুনেই যেন ঝলসে যায় চারিপাশ।
পানির উপরও আগুন জ্বলে
কল্পনায় কিংবা চোখের ভুলে!!
পিছন থেকে একটা মিছিল আসে
হাতে বর্নিল প্লেকার্ড আর মশাল;
মুখে অস্থির স্লোগান---
‘আমার প্রাণের দেশটাকে
বিক্রী হতে দিব না
আমার প্রিয় দেশটা কারো
স্বামী, মা কি বাবার না!!!’
‘রক্ত দিয়ে কিনেছি বাংলা
কারো দানে পাওয়া নয়
আইরে মাটির দামাল ছেলেরা
রক্তে তোদের কিসের ভয়!!!!’
মাথার আগুনটা বহুগুনে বেড়ে যায়,
আমি যেন হাজারটা আমি হয়ে বেরিয়ে যায় আমার মাঝ থেকে!!!
সামনের রাস্তা প্রসস্ত হতে থাকে।
চারপাশে নেই আর কোন পানি
দাও-দাও করে সেখানে জ্বলে ক্রোধের আগুন।
পোড়াতে চাই সব
এক নিমিষেই মুছে দিতে চায় অচেতন অনুভব।
ঘুম ভেঙে গেলে আমি
সেই আগের বিছানায়,
মনের গভীরে জ্বালা-পোড়া আছে
পিছনে মিছিল নায়!!!
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


