ছোট গল্প
হঠাৎ করে মিমিকে বললো,এক কাপ চা করে
দাওনাগো।মুখ ভেঞ্চি করে ইস শখ কতো।
এত্তো রাতে চা কেন? আচ্ছা টিক আছে তাহলে
কপি।ওকে ডান ওয়েট করো।একটু পরে মিমি
বললো, এই নাও কপি। এখন বাজে রাত দুটো আর
তুমি...।আরে পাগলি এটা কি রোজ হই,মাত্রতো
সপ্তাহে একবার।আ আহা তোমার হাতের বানানো
কপি অসাধারন। তুমি খাবে?না এখন কপি খেলে ঘুমের
বারোটা বাজবে।আচ্চা এখনতো অনেক
রাত,বাইরে কি সুন্দর জোস্না।মনে হচ্ছে
যেনো চাঁদের আলোই আকাশটা অপুর্ব
সেজেচে। চলনা এই নির্জন রাতে বাইরে
থেকে একটু হেটে আসি।কাটুকনা না হই এই রাতটা
নির্ঘুম। ওফ তুমিনা আসলে....! রাত যতোই গভীর
হচ্ছে তোমার রোমাঞ্চ ততই বেড়ে যাচ্ছে।
চুপ করোতো।এখানে শুধু তুমি আর আমি আর
কেউ নেই।আচ্চা মিমি তোমার কি মনে আছে
সেদিনকার কথা,আমরা যখন অঘোরে ঘুড়ে
বেড়াতাম। আমি আনমনে তোমাকে দেখে
যেতাম।সময় চলে যেতো কিন্তু তোমাকে
দেখার প্রহর যেনো কিছুতেই কাটতোনা।খুব রাগ
হতো তখন,কেনোযে মানুষের জীবনে সময়
নামক চাকাটা ঘুরতে থাকে।রোধিবার মতো তাকে
কেউ নেই।যেনো অবাধ্য সুবোধ শিশুর ন্যায়
কিচ্ছু বোঝেনা। ঘুরে যাওয়াই যেনো তার কাজ।
রবীন, হু বলো,তুমি একটু ওয়েট করো।কিন্তু
কেন?এই যাবো আর আসবো।
এইতো এখন বলো।
মিমি হুম, তোমার কোলে একটু মাথা রাখি?এইতো
সেদিন তুমি কি পাগলামিটাই না করলে।করবোনা
কেনো,আমিতো পাগল শুধু তোমার
প্রেমে,আমিতো পাগল শুধু তোমার ভালোবাসা
পাওয়ার জন্যে।
তাইতো জনাব এখনো সেইটুকু আঁকড়ে ধরেই
বেছে আচি।
আহা মিমি থাকনা ওসব কথা।কেনো শুধু শুধু এই
রোমাঞ্চকর রাতটার গায়ে কয়েকফোটা কষ্ট
চিটিয়ে দিচ্চো।
রবীন মালা কি ঘুমুচ্ছে?হুম সে গভীর ঘুমে
অবচেতন। তুমি মালার কথা কেনো বল্লে।আমি কি
ইমনের কথা একবারো জিগ্যেস করেছি।এখানে
শুধু তুমি আর আমি।আমি চাইনা আমদের মাঝখানে আর
কেউ আসুক।থাক ওসব কথা আমি এখন ঘুমোবো।
খুব ঘুম পাচ্ছে।তোমার কোলে মাথা রাখতেই
আমার ঘুম চলে আসবে।টিক আছে তুমি ঘুমাও আমি
মাথাই হাত বুলিয়ে দিচ্ছি।মিমি আস্তে করে ল্যাপটপটা
কোলে বসিয়ে হাত বুলাতে লাগ্লো।তখন ঘড়িতে
রাত চারটে বাজে।গভীর রাত, শুনসান নীরবতা।
বাইরে ঝি ঝি পোকার শব্দ। একপাল বাঁদুর ডানা ঝাপটে
যাচ্ছে।মিমি জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে।
জোস্নাস্নাত আকাশটা তার কাছে এক নিমিষেই
রগরগে কালো মনে হলো। (writer by shopno)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





