
তৃতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ। আগের দুইবার স্বপ্নভঙ্গ হলেও এবার নতুন ইতিহাস গড়তে চায় টাইগাররা।
আজকে লিটন দাস ১০০করুক। আর ভালো একটা খেলা সে আমাদের উপহার দিচ্ছে।।। মুশফিকুর রহিম এর ভাগ্য সাথে ছিলোনা।
তবে আমি চাই লিটন দাস মাথা ঠান্ডা রেখে খেলে ভালো একটা কিছু উপহার দিক।
আমার মনে হয় মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে পারলে সে পারবে
।এটা ফাইনাল। সে ১০০করেছে এই মাত্র।।।
ফাইনাল খেলা তাই মাথায় একটু চাপ থাকবেই।। তাই ভয় দূর করে ঠান্ডা মথায় খেলে যাওয়া টা খুব বেশি দরকার। আশা করি সে পারবে।
অভিনন্দন লিটন দাস কে।
।লিটন দাস নিজের ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি করলেন। ৮৭ বলে ১১ চার ও ২ ছক্কায় শতক করেছেন তিনি।
ছোট শটে রান করতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউট হয়ে গেলেন মোহাম্মদ মিঠন। পর পর ৪টি উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে বাংলাদেশ।
২৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৩৯ রান। লিটন দাস ৯৫ রান।
জাদভের বলে ক্যাচ তুলে ফিরে গেলেন নির্ভরতার প্রতীক মুশফিকুর রহিম। লিটন দাস এখনও হাল ধরে আছেন।
তবে ২১ তম ওভারে বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন হয়। মেহেদী হাসান মিরাজ ৫৭ বলে ৩২ রান করে আউট হয়েছেন। এরপরই এলিবিতে আউট হয়ে যান ইমরুল কায়েস।
লিটন ১০২ (৯৩ বলে।।।
বাংলাদেশ ১৫২ রান।। ৫)উইকেট।।
লিটন দাস ও সৌম্য সরকার।।।। তাই এখন পর্যন্ত আশা ধরে রেখেছে সেই লিটন দাস। আশা করা যায়।।। খারাপ খেলেনি লিটন।
তার কৌশল ভালো আছে।
বাংলাদেশের আজকের খেলায় সবচাইতে বেশি রানের অধিকারী সে।।।
১৫৮//৫উইকেট ।।।
ভালো একটা খেলা। আজকের জন্য। ভাগ্য খারাপ ছিলো মাহমুদুল্লাহ চলে গেলো।।। মুশফিক চলে গেলো।।। আমাদের কি হবে দেখা
যাবে।।। আশা ছাড়িনি।
। লিটন দাস।ঝড়ো ব্যাটিংয়ের জন্য ঘরোয়া লিগের পরিচিত নাম। ১৭ ওয়ান খেলেছেন ,ছিলনা হাফসেঞ্চুরি।
১৭ ওয়ানডেতে এর আগে ছিল না কোনো হাফসেঞ্চুরি।এবার মাত্র ৩৩ বলেই হাফসেঞ্চুরি। আর ৮৭ বলে শতরান।।
অভিষেক সেঞ্চুরির জন্য সেরা ক্ষণটাই বেছে নিলেন লিটন দাস। এশিয়া কাপের ফাইনালে ওয়ানডে তথা আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন এই ডানহাতি তারকা। ভারতের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে মাত্র ৮৭ বলে শতরান পূরণ করলেন তিনি।
ফাইনালের শুরু থেকেই ভারতীয় বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালাতে থাকেন লিটন। চার-ছয় মেরে দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকেন তিনি। তাতে প্রথম পাওয়ার প্লে'তে বাংলাদেশের রান বাড়তে থাকে হুহু করে। ১০ ওভার শেষে বিনা উইকেটে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৬৭ রান।
লিটন হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন মাত্র ৩৩ বলে। ১২তম ওভারের প্রথম বলে রবীন্দ্র জাদেজাকে চার মেরে ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন এই ডানহাতি তারকা। এর দুই বল পরই আউট হয়ে যেতে পারতেন তিনি। কিন্তু ভাগ্য সহায়। ব্যক্তিগত ৫২ রানে থাকা অবস্থায় জাদেজার বলে ক্যাচ তোলেন তিনি।
আউট হলেন লিটন।। ১২১(১১৭বল
২২২ করেছে বাংলাদেশ।।
।।। সবাই আউট।। ২২৩ করতে হবে তাদের।।

আবারও সেই ভারত, আবারও সেই আম্পায়ারিং! আমার মনে হয় এই আউট টি ভালো করে দেখার দরকার ছিলো

এন টিবি অনলাইনে লেখা হয়েছে
৪১তম ওভারে ভারতীয় লেগস্পিনার কুলদীপ যাদবের বল ফ্লিক করতে গিয়েছিলেন লিটন। ব্যাটে-বলে না হওয়ায় উইকেট ভেঙে স্টাম্পিংয়ের আবেদন করেছিলেন ধোনি। থার্ড আম্পায়ার অনেকটা সময় ধরে পর্যালোচনা করে শেষপর্যন্ত আউটের ঘোষণা দিয়েছেন। ক্রিকইনফোর ধারাভাষ্যে বলা হচ্ছে, ‘তার পা লাইনেই ছিল। এর পেছনে না। লিটন আউট হলেন খুবই অল্পের ব্যবধানে।… এই মানুষটা এতটাই ভালো খেলেছেন যে তাকে আউট করার জন্য আজ এমন কিছুই লাগত।’
কিছুক্ষণ পরে ক্রিকইনফো এক পাঠক মন্তব্য প্রকাশ করে। যেখানে সোহেল নামের একজনকে বলতে শোনা যায় যে, ‘আম্পায়ারের খুবই বাজে সিদ্ধান্ত। বেনিফিট অব ডাউট তো ব্যাটসম্যানের পক্ষেই যাওয়ার কথা। তাই না?’ তার জবাবে ক্রিকইনফোর ধারাভাষ্যকার মনে করিয়ে দেন যে, ‘এটা মনে করবেন না যে, চারগুন জুম করে দেখার পরেও সেখানে কোনো সন্দেহ ছিল।’
লিটনের পা কোনোভাবেই দাগের বাইরে ছিল না। এসব ক্ষেত্রে ব্যাটসম্যানকে আউট দেওয়ার নজির ক্রিকেট বিশ্বে খুব বেশি নেই। থাকলে অতি অল্পই পাওয়া যাবে। এশিয়া কাপের ফাইনালের মতো একটা বড় ম্যাচে তো কোনোভাবেই নেই। কেন বারবার এই ভারতের বিপক্ষেই বাংলাদেশ জড়ায় এমন বিশ্রী বিতর্কগুলোতে?
২০১৫ সালের বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের ক্ষত কি এখনো শুকিয়েছে? সেই বিতর্কিত নো বলটা? রুবেল হোসেনের বলে রোহিত শর্মা যেভাবে আউট হয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন বিতর্কিত আম্পায়ারিংয়ের কারণে? ৪০তম ওভারে সেই জীবন পাওয়ার পর তিনি যোগ করেছিলেন আরও ৪৭ রান। যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল ভারতের জয়ের পেছনে।।

দলের ইনিংস খুব একটা বড় না হলেও লিটন দাসের সঙ্গে উদ্বোধনীতে দারুণ একটি পার্টনারশিপ গড়েন মিরাজ। দুজনে মিলে করেন ১২০ রানের জুটি।
এর পর মিরাজ ৩৬ রানের একটা ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরেন। জাতীয় দলের হয়ে এবারই প্রথম উদ্বোধনীতে নেমে যথেষ্টই ভালো একটি ইনিংস খেলেন তিনি।
অবশ্য এর পরই মড়ক লাগে বাংলাদেশের ইনিংসে, দ্রুত সাজঘরে ফিরেন ইমরুল কায়েস (২), মুশফিকুর রহিম (৫) ও মোহাম্মদ মিঠুন (২)।
তবে এক পাশ আগলে রেখেছিলেন লিটন, পরে তিনি ১১৭ বলে ১২১ রান করে আম্পায়ারের এক বিতর্কিত সিদ্ধান্তে আউট হন। তাঁর এই ইনিংসে ১২টি চার ও দুটি ছক্কার মার ছিল।
পরে মাহমুদউল্লাহ (৪) ও মাশরাফি (৭) দ্রুত ফিরে যান। শেষ দিকে নেমে সৌম্য সরকার ৪৫ বলে ৩৩ রান কিছুটা চেষ্টা করলেও, দলের সংগ্রহটা খুব একটা বড় করতে পারেননি।
কুলদীপ যাদব ৪৫ রানে তিনটি এবং কেদার যাদব ৪১ রানে দুই উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান।
অবশেষে ভারতকে ২২৩ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ।।
সূত্র==এন টিভি অনলাইন,
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




