![]()
আজ সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রবীণ অজয় রায়ের চেহারা দেখে বুকের গভীরে কড়া নাড়া দেয়। পুত্র হারানোর শোক যে কতো বড় তা তাকে না দেখলে বুঝা যাবেনা। আমরা মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়া মানুষটার চেহরার দিকে বার বার দেখছিলাম। সেখানে শাহরিয়ার কবির সহ বিভিন্ন শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবিগণ আসছিলেন।
২০১১ সাল থেকে ব্লগের ব্যাপক প্রসারের সাথে সাথে অনেকেই ব্লগে লেখালেখির মাধ্যমে নিজেদের মত ও মুক্তচিন্তা প্রকাশের প্রসার হয়। আমরা বেশ কিছু লেখায় জীবনের নানা অসঙ্গতিগুলো খুঁজে পাই। একজন ব্লগার হিসেব আমরা খুব মর্মাহত। এর আগে ২০০৪ সালে ২৭ মে ফেব্র“য়ারী একই ভাবে অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের ওপর হামলা করা হয়েছিল। ব্লগার রাজিব হত্যাকান্ডও একই ভাবে হয়েছে। মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও প্রসারের ক্ষেত্রে বার বার একই ভাবে আমাদের হুমকী হয়ে পথ রুদ্ধ করার ধারাবাহিকতার ফসল হচ্ছে এই নির্মম হত্যাকান্ড।
আজ বেলা ১১টায় ছিলাম টিএসসিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষকরা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে। সেখানেও জড়ো হয়েছিলেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। বক্তব্য দেন সৈয়দ আবুল মকসুদ, এম এম আকাশ, সারা হোসেন, খুশি কবির সহ প্রগতিশীল ছাত্র ও যুব নেতারা।
তার মৃত্যু আমাদের কলমকে আরো শক্তিশালী করুক। চেতনার শাণিত ধার আমাদেরকে অপশক্তির বিরুদ্ধে আরো শক্তিশালী করুক।
কে এম রফিকুল কাদের (লেখক, ব্লগার)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



