ক্লাইভ তো বলেছিলেন তিনি সংযমী, তেমন কিছুই করেন নি। তাঁর বিরুদ্ধে সংসদে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনলে তিনি বলেছিলেন “মীর জাফরের নিকট এই রূপ অর্থগ্রহণ অন্যায় কার্য বলিয়া মনে করি না। ইহাতে প্রভু কোম্পানির কোন ক্ষতি হয় নাই। আমরা কিছুমাত্র না পাইলেও কোম্পানির লাভ ছিল না। আমি স্বয়ং বাণিজ্যাদি ব্যাপারে অর্থসঞ্চয় না করিয়া চিরদিন যুদ্ধকার্যে জীবন উৎসর্গ করিয়াছিলাম, কোম্পানির স্বত্ব ও সম্মান রক্ষাই জীবনের ব্রত ছিল। তদ্দেশীয় সম্ভ্রান্ত লোকের অনেকেই আমাকে অর্থোপহার দানে উদ্যত ছিলেন, গ্রহণ করিলে আমি এক্ষণে কোটিশ্বর হইতে পারিতাম। ... মুর্শিদাবাদ কোষাগারে প্রবেশ করিয়া চতুর্দিকে যে রাশি রাশি স্বর্ণরৌপ ও মণিমুক্তা লক্ষ করিয়াছিলাম, তাহা স্মৃতিপথে উদিত হইলে, আমি এই সামান্য পরিমাণ অর্থগ্রহণ করিয়া সন্তুষ্ট হইয়াছি, ইহা আমারই বিশেষ আশ্চর্য বোধহয়।
যে ক্লাইভ ‘নবাব’ হয়ে ফিরেছিলেন লন্ডনে, তাঁকে আবার পাঠানো হয় ভারতে কোম্পানির কর্মকান্ডকে খতিয়ে দেখে সংষ্কারের পরামর্শ দিতে। ক্লাইভ এসে বলেছিলেন, এটি হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে নষ্ট জায়গা যেখানে সব সিভিলিয়ানদের মাথায় কয়েকটি বিষয় ঘুরপাক খায়- নীতিহীনতা, দুর্নীতি, ব্যভিচার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


