somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঘন্টু মামা (পর্ব-২)

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঘন্টু মামার বাসা আমাদের পাড়ার একেবারে মধ্যিখানে। একতলা এই বাসাটি ঘন্টু মামার বাবা তৈরি করেছিলেন। অনেক শখ করে তৈরি করলেও তিনি এ বাসায় একটি দিনও থাকতে পারেননি। ঘর সঞ্চয় করে যেদিন বাসায় উঠবেন, ঠিক আগের দিন রাতে হার্ট এটাক করে তিনি মারা যান। এ বাসা বানানোর আগে ঘন্টু মামারা এ পাড়াতেই একটা ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্বামীর শখের বাসায় স্বামী থাকতে পারেননি সেই শোকে ঘন্টু মামার মাও এ বাড়িতে উঠলেন না। পাঁচ কক্ষের বাসাটি ভাড়া দিয়ে ঘন্টু মামার মা গ্রামের বাড়িতে চলে গেলেন। ঘন্টু মামা তখন অনেক ছোট। তিনিও মায়ের সাথে গ্রামের বাড়িতে ছুটলেন। কয়েক বছর গ্রামে থেকে ঘন্টু মামা তার কাকার সাথে আবার এই বাড়িতে এসে উঠলেন। তিনি ও তার কাকা বাইরের দিকে একটা ঘরে থাকা শুরু করলেন। বাকি ঘরগুলো ভাড়াই থাকলো।

ঘন্টু মামার কাকা পড়ুয়া মানুষ। তিনি সবসময় তার পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। ঘন্টু মামাকে তিনি ক্লাস সিক্সে ভর্তি করিয়ে দিলেন বটে কিন্তু ভাইপোর দিকে নজর দেয়ার মতো এতো সময় তার কোথায়! আর এই সুযোগে ঘন্টু মামা দিনকে দিন বেয়াড়া হয়ে উঠলেন। পড়াশোনা সব শিকেয় উঠলো। কোনরকমে উচ্চ মাধ্যমিকের গন্ডি পেরিয়েছেন। বিএ তে ভর্তিও হয়েছিলেন কিন্তু সেটা চালিয়ে যাওয়ার মতো ইচ্ছা ও মানসিকতা কোনটাই ঘন্টু মামার ছিলোনা। ঘন্টু মামার কাকা নরেন পিএইচডি করার জন্য কানাডা পাড়ি জমালে ঘন্টু মামা চূড়ান্ত স্বাধীনতা পেয়ে যান।

ঘন্টু মামার মা তার মেধাবী দেবরের সাথে ঘন্টু মামাকে শহরে পাঠিয়েছিলেন এই ভেবে যে, পড়ুয়া কাকার সংস্পর্শে থেকে ঘন্টু মামাও পড়াশোনাটা ঠিকমতো চালিয়ে যাবে। কিন্তু সে গুড়ে বালি! ঘন্টু মামার মা আপাতত অদৃষ্টকে দোষ দিয়েই ক্ষান্ত হয়েছেন।

কাকার অনুপস্থিতিতে ঘন্টু মামার রুমটাকেই আমরা আমাদের ক্লাব ঘর বানিয়ে নিয়েছি। আসলে ক্লাব বলতে যা বোঝায় এটি সেরকম না। এখানে কোন প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারীর বালাই নেই। এটা আমাদের রাজত্ব, এখানে আমরা সবাই রাজা। তবে এটা মানতেই হবে আমাদের এই রাজত্বে ঘন্টু মামাই মূল কান্ডারী তবে কোনভাবেই তাঁকে স্বৈরাচারী বলা চলেনা। ঘন্টু মামা অনেকটা আমাদের গাইডের মতো।

আজ সন্ধ্যায় ঘন্টু মামা ক্লাবঘরে অর্থাৎ তার রুমে আমাদের সবাইকে ডেকেছেন। সচরাচর এভাবে আয়োজন করে সবাইকে ডাকা হয়না। তাই আমি অনুমান করছি কোন বিশেষ কারনে ঘন্টু মামা আমাদের আজ ডেকেছেন।

আমি আর রিজু গেট দিয়ে ঢুকতে যাবো তখন ঘন্টু মামা হাঁক দিলেন, এই মুন্না তুই এদিকে আয়। আর রিজু মান্নানের দোকানে চপের অর্ডার দেয়া আছে তুই সেগুলো নিয়ে আয়। মনে করে সঙ্গে ভাঁজা শুকনো মরিচ আনিস কিন্তু।

আমি ঘন্টু মামার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বললাম, কি ব্যাপার! সবাইকে এতো জরুরী তলব করেছো কেন?

ঘন্টু মামা রহস্যের হাসি হেসে বললেন, সবাই আসুক। জানতে পারবি।

আমার আর তর সইছিলোনা। বললাম, বলোইনা।

“আরে এতো উতলা হচ্ছিস কেন? এক কাজ কর তুই চেয়ারগুলোকে ঠিকঠাক করে রাখ। আমি ছাদ থেকে আসছি।”

ঘন্টু মামা সিরিয়াস ভঙ্গিতে বসে আছে। ঘরজুড়ে পীনপতন নীরবতা। ঘন্টু মামাকে ঘিরে আমরা তিনজন বসে আছি। আরো অনেকে আসার কথা ছিলো। কিন্তু এ পাড়ায় একটা অলিখিত সান্ধ্য আইন জারি আছে। বাবা-মা সন্ধ্যার পর ছেলেমেয়েদের বাইরে বেরুতে দিতে চাননা। তবে সান্ধ্য আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে আমি, রিজু ও হাসু হাজির হয়েছি। আসলে আমাদের পক্ষে ঘন্টু মামার ডাক উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নেই।

ঘন্টু মামার নিত্য সহচর হিসেবে আমরা তিনজনের পরিচয় দিয়ে দেয়া দরকার। আমি মুন্না রায়। আমার এই একটাই নাম। দু অক্ষরের নাম বিধায় এটিকে আর ছোট করার কোন প্রয়োজন পড়েনি। তাই সবার কাছে আমার নাম অবিকৃতই থেকে গেছে। সদ্য এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। আমার পূর্ব পুরুষেরা আসামের কাছাড়ের অধিবাসী ছিলেন। দেশভাগের অনেক আগে আমার ঠাকুরদাদার বাবা সিলেটে এসে আস্তানা গেঁড়েছিলেন। সেই থেকে আমরা সিলেটের স্থায়ী বাসিন্দা।

আমাদের দলের আরেক জন হচ্ছে রিজু। ওর আসল নাম রিয়াজুল কবির। আমরা ওকে রিজু নামেই ডাকি। রিজুর মূল বাড়ি গোপালগঞ্জে। বঙ্গবন্ধুর এলাকার মানুষ বলে ওর গর্বের শেষ নেই। বঙ্গবন্ধুর কথা শুনলেই গর্বে তার বুকের পাঠা কয়েকগুণ প্রসারিত হয়ে যায়। ওর বাবা এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চিফ ইঞ্জিনিয়ার।

আমাদের দলের আরেক অপরিহার্য্য বস্তু হাসু। ভালো নাম হারাধন সুর। আমরা ওর নামের হারাধনের হা আর সুরের সু নিয়ে নাম দিয়েছি হাসু। ভাটির ছেলে হাসুর গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের কাছাকাছি কোন এক গ্রামে। হাসুর বাবা একটা কলেজের অধ্যাপক।

আমরা অপেক্ষা করে আছি ঘন্টু মামার বক্তব্য শোনার জন্য। ঘন্টু মামা কথা বলতে যাবেন এমন সময় হাসু বলে উঠলো, চপগুলো টেবিলের ওপর থেকে সরিয়ে রাখা হোক। বারবার চপের দিকে চোখ চলে যাচ্ছে। চপগুলো সামনে থাকলে মিটিং এ মনোযোগ দিতে পারবোনা।

হাসুর কথা শুনে ঘরজুড়ে হাসির রোল উঠলো। ঘন্টু মামার সিরিয়াস ভঙ্গিতেও ছেদ পড়লো। তিনি বললেন, আপনি এতো রাক্ষস কেন! নিজের লোভকে সামলে রাখতে পারেন না? সামনে খাবার থাকলেই লোভ করতে হবে নাকি!

ঘন্টু মামা হাসুকে আপনি করে সম্বোধন করছেন দেখে আমরা সবাই ভীষন আশ্চর্য্য হলাম। রিজু জিজ্ঞেস করলো, কি গো মামা! তুমি ওকে আপনি করে বলছো কেন!

“এখানে একটা সভা চলছে। সভার নিয়ম অনুসারে সবাইকে আপনি করে বলতে হয়। কাজেই সভা চলাকালীন তুমি-তুই এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা চলবেনা। সবাই সবাইকে সম্মান প্রদর্শন করে কথা বলতে হবে।”

আমরা মাথা নাড়লাম। তবে ব্যাপারটা বেশ মজা লাগলো। ঘন্টু মামার অগোচরে একে-অপরকে চিমটি কাটতে লাগলাম। ঘন্টু মামা গলা খাকারি দিয়ে বললেন, তাহলে সভা শুরু করা যাক।

আমরা সবাই হ্যাঁ-সূচক মাথা নাড়লাম। ঘন্টু মামা বলতে শুরু করলেন, আজ আমরা এখানে একটা বিশেষ কারনে মিলিত হয়েছি।

সবাই জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তার দিকে তাঁকিয়ে রইলাম। ঘন্টু মামা ব্যাপারটা আঁচ করতে পেরে বললেন, আমি যতোটুকু জানি আপনাদের কারো এখন কোন পরীক্ষা বা অন্য কোন কাজ নেই। অনেক ভেবে-চিন্তে দেখলাম এই সময়টা এভাবে অলস বসে না থেকে আমরা কিছু একটা করতে পারি।

আমি বললাম, কী করা যায়?

ঘন্টু মামা বললেন, কী করা যায় আপনারা ভেবে বের করুন।

এবার সবার মধ্যে গুনগুন শুরু হলো। খানিক পরে রিজু বলল, আমরা কোথাও ঘুরে আসতে পারি?

ঘন্টু মামা বললেন, ঘুরাঘুরি আমরা অনেক করেছি। আপাতত ঘুরাঘুরি বাদ। অন্য কিছু চিন্তা করুন।

অনেক আলোচনা করেও কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যাচ্ছিলোনা। আমি এমনিতেই বললাম, আগামী মাস থেকে কাউন্সিলর কাপ সিক্স এ সাইড ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হতে যাচ্ছে আমরা তাতে অংশ নিতে পারি।

কথাটা ঘন্টু মামার মনে ধরলো। তিনি উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন, প্রস্তাবটা মন্দ নয়। সবাই কি বলেন?

সাধারণত কেউ ঘন্টু মামার সিদ্ধান্তের বাইরে যায়না। কিন্তু এবার রিজু বলল, প্রস্তাবটা মন্দ নয় তবে কথা হচ্ছে আমাদের তো ভালো ব্যাট-বলই নেই খেলবো কীভাবে?

রিজুর কথার সাথে সবাই একমত। আসলেই আমাদের ভালো ব্যাট-বল নেই। হাসু বলল, আমরা সবাই চাঁদা দিয়ে ব্যাট-বল কিনতে পারি।

আমি বললাম, চাঁদা দিয়ে ব্যাট-বল হয়তো কেনা যাবে কিন্তু একটা টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হলে এন্ট্রি ফিসহ অনেক প্রস্তুতির ব্যাপার আছে। আমরা মাত্র কয়েকজন চাঁদা দিয়ে কীভাবে কী হবে? ঘন্টু মামা কী বলো?

“হু আমিও তোর কথার সাথে একমত। তুই খোঁজ নে টুর্নামেন্টের এন্ট্রি ফি কতো? আর প্রাইজমানিটা কেমন সেটাও খবর নিস।”

“শুনেছি প্রাইজমানিটা বেশ ভালোই। ইন্ডিভিচুয়ালী ম্যাচ ফির পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ান টিমকে একটা ফ্ল্যাট টিভি পুরস্কার দেবে।”

ঘন্টু মামা চোখ কপালে তুলে বলল, বলিস কীরে! খুব বড় স্পন্সরকে বাগিয়েছে মনে হচ্ছে! অংশ নিতে পারলে ভালোই হতো। ক্লাবের জন্য একটা টিভির ব্যবস্থা হয়ে যেতো।

সবাই ঘন্টু মামার কথায় সায় দিলাম। হাসু বলল, সবই তো বুঝলাম কিন্তু টাকা-পয়সা কীভাবে ম্যানেজ হবে?

ঘন্টু মামা বললেন, এতো চিন্তা করার কী আছে! তোর আইফোনটা বিক্রি করে দিলেই তো মোটা অংকের টাকা পাবো।

হাসু ভুত দেখার মতো চমকে উঠলো সে কিছু বলতে যাচ্ছিলো পাশ থেকে রিজু টিপ্পনী কেটে বললো, এভাবে হাতে হাতে বিক্রি করলে বেশী টাকা পাওয়া যাবেনা।

আমি বললাম, সমস্যা কী! এখন তো বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যবহৃত জিনিস বিক্রি করা যায়। ওখানে অনেক ক্রেতা পাওয়া যায়। দামও বেশ ভালোই পাওয়া যায়।

হাসু অনেকক্ষন পর সুযোগ পেয়ে বলল, মোটেও আমি আমার আইফোন বিক্রি করবোনা। আমার মামা লন্ডন থেকে এটা পাঠিয়েছে।

আমি ব্যঙ্গ করে বললাম, ছি ছি হাসু! তুই আমাদের জন্য এই ছোট্ট সেক্রিফাইসটা করতে পারবি না!

হাসু মুখ কালো করেই জবাব দিল, তোর ট্যাবটাই বিক্রি করে দেসনা। ওটা বিক্রি করলেও ভালো টাকা পাওয়া যাবে।

ঘন্টু মামা এতোক্ষন চুপচাপ মজা দেখছিল। পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে দেখে তিনি বললেন, কী শুরু করলি তোরা। আমি থাকতে তোদের চিন্তার কী আছে! তোদের কিচ্ছু বিক্রি করার দরকার নেই।

আমি বললাম, সে তো ঠিক আছে। কিন্তু গতবারের ফাংশানের কথা নিশ্চয় মনে আছে! এরপরও সহজে স্পন্সর পাবে বলে মনে করছো?

ঘন্টু মামা চিন্তিত মুখে বললেন, সেটা খানিকটা দুশ্চিন্তার বিষয়। তবে যেভাবেই হোক ম্যানেজ করে ফেলবো। আর যদি ম্যানেজ নাই করা যায় তাহলে বিকল্প ভাবনা ভেবে রেখেছি।

সবাই উৎসুক হয়ে একসাথে জিজ্ঞেস করলাম, কী ভাবনা?

ঘন্টু মামা বললেন, সবগুলা একসাথে কথা বলছিস কেন! সময়ের ভাবনা সময়ে ভাবা যাবে। স্পন্সর না পেলে তবেই বিকল্প ভাবনাটা তোদের বলবো। এখন সবাই চপ খেয়ে বিদেয় হ।

(আগামী পর্বগুলো আরো মজা ও রোমাঞ্চ নিয়ে আসছে)
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×