আমি ব্লগে নিয়োমিত বিচরন করলেও , কিছু লিখিনা। ইউনিজয়, ফোনেটিক দিয়ে লিখতে আমার হালুয়া অবস্থা হয়। বাসায় বসে কাজ না পেয়ে ব্লগে বসে গেলাম।নতুন করে কি লিখব ভাবছি। এখন ব্লগে এত পরিমান লিখা লিখি হয় ভাবতে ভালই লাগে।
সকালে ঘুম থেকে উঠলাম। ফ্রেশ হব, শুনি পানি নাই। এলাকার পানির পাম্প গত ৭ দিনে নাকি ৪ বার এ নি্য়ে নষ্ট । জমানো পানি দিয়ে কাজ সারলাম সকাল বেলা। প্রায় দুপুর হয়ে আসল, রান্না ঘরে উকি দিলাম, চোখ দিয়ে নিবির পর্যবেক্ষন করে দেখলাম দিয়াশলাই এর মত আগুন চুলায়।গ্যাসের নাকি সংকট। রাস্তায় এখন যে হারে প্রাইভেট কার চলে তার ৯০% এর জ্বালানি এই গ্যাস।দিন দিন ঢাকার রাস্তায় নিত্য নতুন মডেলের গাড়ি চলার অনুমতি পাচ্ছে , গ্যাস ফিলিং সেন্টার বসতেছে। সরকার আনন্দের সাথে অনুমতিও দিচ্ছে। তেলের সাথে গ্যাসের তুলনা করলে গ্যাস অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে।অনেক গুলা প্রশ্ন মাথায় এল,
>১> যানজট নিরশন করতে চায় , তাইলে দিন দিন এত নতুন গাড়ি কেন ? রেজিস্ট্রেশনের খরজ বাড়িয়ে দিলে এবং টাকার উৎস জানতে চাওয়া হলে গাড়ির কেনার ধুম কমবে কিনা জানিনা , হয়ত কমতেও পারে।
>২> এই যে কম মূল্যে গ্যাস দেয়া হচ্ছে , যখন গ্যাস কমে যাবে তখন কি হবে ? সরকারের নিতি নির্ধারকরা আমার চেয়ে অবশ্যই বুদ্ধিমান , তারা কি ভেবে দেখেছে ?
>৩> বাসায় গ্যাস পাওয়া যায় না এক্ষনি , কয়দিন পর কি অবস্থা হবে এ চিন্তা কি করেনা কেউ ? নাকি ৫ বছর নিজেরটা গুছিয়ে নেই , বগুড়ার বড় ভাই এর মত?
বাসায় গ্যাসে অবস্থা দেখে , বাইরে খাওয়ার প্লান করতে হল, বেড়িয়ে পরলাম, উফ এখানে ঢাকার মোস্ট ফেবারেট অবস্থা । জ্যাম । নগরায়ন কাকে বলে আমাদের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও রাজউকের উচ্চ বেতন ভোগীরা হয়ত জানেন না।জানলেও না জানার ভান করেন।প্রতিটা রাস্তায় ঘন্টার পর পর ঘন্টা জ্যাম । একটা বাসে যেখানে ৫০ জন মানুষ যাচ্চে । সেই বাসের সমান জায়গায় দুইটা গাড়িটে ৪-৫ জন মানুষ। বিভিন্ন জোনে গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। আমি বিদেশে দেখছি , ওরা নিজেদের গাড়ির চেয়ে পাবলিক গাড়ি ব্যবহার করে বেশি । কারন ট্যাক্স।
আরে বাবা যে লোক ২০ লাখ টাকা দিয়ে গাড়ি কিনতে পারে তাকে ট্যাক্স ধরতে সমস্যা কোথায়? বি আর টি এ তাদের কাছ থেকে ট্যাক্স নেয় মাত্র কয়েক টাকা । সরকার বেশি করে বাস কেন নামায় না আমি জানিনা। কোটি টাকা দিয়ে উরাল সেতু বানানোর চেয়ে যদি পাবলিক বাস বেশি করে নামানো যায় তাইলে ভোগান্তিও কমে । প্রধানমন্ত্রী মগবাজারের রেলক্রসিং এর দূর্ঘটনার পর রেলক্রসিং গুলায় ওভার পাস বানাবেন বললেও তার বাস্তবায়ন নাই।
ঢাকা থেকে সব ট্রেন কমলাপুর থেকে ছেড়ে এয়ারপোর্ট হয়ে যায়। চট্টগ্রাম ও সিলেট গামী ট্রেন গুলাকে ৭০ কিলোমিটার বেশি ঘুরতে হচ্ছে। কমলাপুর এর পিছন দিয়ে এই ট্রেন গুলা সহজে চলে যেতে পারে ।তাতে যে খরচ হবে তা ঢাকা শহরে জ্যামে আটকে যে লস হয় তার চেয়ে কম। কিন্তু কটিপয় বাস পরিবহন তা সরকার কে করতে দিচ্ছে না। সরকারের কাছে ১৬ কোটি মানুষ বড় নাকি ও সুবিধা ভোগী মানুষ বড় আমার জানা নাই।
অনেকক্ষন জ্যাম এ পরে খাবার দোকানে ঢুকলাম। কারেন্ট নাই। ভাই খুব ক্ষুধা লাগছে । বাকি অংশ পেট পূজা দিয়েই লিখব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


