মসজিদের মুয়াজ্জিন হত্যাকান্ডে যেমন ব্যাথিত হই, তেমনি মন্দিরের পুরোহিত হত্যাকান্ডেও গভীর বেদনা অনুভব করি । গীর্জার ফাদারকে যখন হত্যার চেস্টা করা হয় তখন শংকিত না হওয়ার কোন কারন দেখি না।
রামুতে বৌদ্ধ মন্দির পুড়িয়ে দেয়া , মন্দির ও প্রতিমা ভাংচুর, কথায় কথায় ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু বলা, কোন ছুতো পেলেই বসত ভিটায় আগুন দেয়া সহ নানান নিপীড়ন প্রশাসনের নাকের ডগার সামনেই ঘটছে।
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার বরিশাল গ্রামের মন্দিরের প্রতিমাগুলি রাতের আধারে কে বা কারা ভেংগে ফেলেছে। এ ঘটনার চারদিন অতিবাহিত হলেও প্রশাসনসহ কারো কোন উচ্চবাচ্য নেই।
জানতে ইচ্ছে করে, এদেশে কি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্ম পালনের অধিকার নেই?
স্বাধীনভাবে নিরাপদে বাঁচার অধিকারও কি নেই?
শংকিত মানুষের পাশে দাড়িয়ে যাদের অভয় দেয়ার কথা. তারা আজ কেন চুপ?
# নীচের এ ছবিটি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার বরিশাল গ্রামের মন্দিরের।

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


