রাশিয়ার একটি চিড়িয়াখানায় একটা বাঘকে খাবারের জন্য খাঁচার ভিতর দেয়া হয়েছিল আস্ত একটি ছাগল।কিন্তু আশ্চার্যের ব্যাপার হল বাঘটি সেই ছাগল টিকে খায়নি বরং তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করেছে।গত তিন বছর হলো ওরা এখন একসাথে থাকে খায়।একসাথে ঘুড়ে বেড়ায়।
কয়েকদিন আগে নিউজে দেখলাম একটা কুকুর ডাস্টবিনে ফেলা যাওয়া কারো নবজাত শিশুকে বাঁচানোর জন্য মুখে করে নিয়ে যাচ্ছে।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফী চ্যানেলে একটা ভিডিও দেখে অনেকক্ষন কেঁদেছিলাম।একটা চিতাবাঘ একটা বুবুনকে মেরেফেলেছিল। পরে চিতাটি যখন দেখে মৃত বুবুনের বুকের সাথে জড়িয়ে আছে একটি শিশু বুবুন তখন তা দেখে চিতাটির খুব মায়া হয়।নিজের পশুত্বের ভিতরেও যে এক মায়া মমতা নামক কিছু আছে তা ক্যামেরায় ফুটে ওঠে পষ্ট ভাবে।মা বিহিন বুবুন শিশুকে চিতাটি বুকে আগলে নেন, নিজের ভুলের মাশুল স্বরুপ।শিশু বুবুনটিকে নেকড়ে শিয়াল এর থাবা থেকে বাঁচান।মায়ার মমতা দেয়ার চেষ্টা করেন।
আরেকটি সিসি ক্যামারায় ধরা পড়ে একটা কুকুর রাস্তা পার হবার সময় একটা গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে মাঝ রাস্তায় লুটে পড়ে।ওপর দিক থেকে গাড়ির ভিতর থাকা কোন এক পালিত কুকুর তা দেখে নিজের জিবনের মায়া ত্যাগ করে গাড়ি থেকে লাফদিয়ে বাস্ত রোডের মাঝ থেকে মুখদিয়ে টেনে আহত কুকুরটির জীবন রক্ষা করে।
রেল লাইনের ধারে একটা বানরের ইলেক্ট্রিক শর্ট খেয়ে বেহুশ হওয়া আর অন্য আরেকটা বানর সেটিকে পানিতে চুবিয়ে চুবিয়ে প্রান বাঁচানোর ভিডিও আমরা সবাই দেখেছি।
এতগুলো ঘটনা উপস্থাপনের কারন একটাই। আফসোস!! আজ মা তার নিজ সন্তানকে খুন করছে।সন্তান তার জন্মদাতা পিতা আর গর্ভধারিনি মাকে খুন করছে।আমরা কারো প্রান দিতে পারিনা তবে কেন কারো প্রান কেড়ে নিতে এত মরিয়া?
বানর থেকে মানুষ, ডারউনের ইভোলিশন থিউরি আমি বিশ্বাস করিনা।তবে মানুষ যে দিন দিন তাদের মন্যুষত্ব্যটা হিংস্র পশুর থেকেও নিচের কাতারে নিয়ে যাচ্ছে তা আমি নিশ্চিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



