somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সিন্ডিকেট করে বাড়ানো হচ্ছে ভোজ্য তেলের দাম

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে জানতে ভিজিট করুন :
http://prothomnews.com

ভোজ্য তেলের বাজারে আগুণ লেগেছে। প্রায় প্রতিদিনই একটু একটু করে এই পণ্যটির দাম বেড়ে চলেছে। এই সেদিনও বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে একশ ২০ টাকা করে। কিন্তু আজ সেই তেলই বিক্রি হয়েছে লিটার প্রতি ১৪০ টাকা করে। একই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে খোলা সয়াবিন তেলের দাম। সয়াবিনসহ বাজারে ভোজ্য তেলের কোনো অভাব নেই। কিন্তু তারপরও বাড়ছে তেলের দাম। পরিবেশকরা বলছে, মিল মালিকরা পর্যাপ্ত তেল আমাদের সরবরাহ করছে না। অন্যদিকে, মিল মালিকদের বক্তব্য অশোধিত তেল খালাস করার ক্ষেত্রে অসুবিধা হচ্ছে। তবে দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুদ রয়েছে তাই এখুনি দাম বৃদ্ধি কোনো সুযোগ নেই।
তেলের দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধির কারণে নড়েচড়ে বসেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ভোজ্য তেলের(সয়াবিন, পামওলেল বা অলিন) মূল্য, মজুদ, এলসি পরিস্থিতি ও পরিবেশক পদ্ধতির কার্যকারিকতা পর্যালোচনা করার জন্য কাল বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি সভা আহবান করা হয়েছে। এখানে দাওয়াত দেয়া হয়েছে ভোজ্য তেলের আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের। তাদের কাছে এই বার্তাই পোঁছে দেয়ার চেষ্টা করা হবে-সিন্ডিকেট করে তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হলে সেক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে জরিমানা সহ বাতিল করা হতে পারে পরিবেশক লাইসেন্সও। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, কালকে বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য যাদের প্রতিনিধি পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে তারা হলো- বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরণ অধিদফতর, প্রধান নিয়ন্ত্রক (আমদানি-রফতানি), এফবিসিসিআই, সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ ও এস আলম গ্রুপ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক কারণ আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। এতে করে আমরা একদিকে বিস্মিত ও চিন্তিত। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের প থেকে ভোজ্যতেলের আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার মূল্য বিশ্লেষণ করে আমাদের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, আমদানি মূল্য অনুযায়ী প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম মিল গেটে ১১১ টাকা। এর সঙ্গে বোতলের মূল্য ১৫ টাকা, পরিবেশকের ২ টাকা ও খুচরা ব্যবসায়ীর ২ টাকা মুনাফা যোগ করে প্রতি লিটার ভোজ্যতেলের সর্বোচ্চ দাম হওয়ার কথা ১৩০ টাকা। কিন্তু এ মূল্যে কোথাও এখন ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে না। বাজার ঘুরে দেখা যাচ্ছে লিটার প্রতি সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা করে।
এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীতে পাইকারি খোলা সয়াবিন তেলের দাম মণপ্রতি বেড়েছে ৫০০ টাকা। পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারের পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে তাদের বাজারে প্রতি মণ (৩৭ কেজি ৩২০ গ্রাম) খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছিল ৪ হাজার ৩০০ টাকায়। এ হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে ১১৫ টাকা ২২ পয়সা। গতকাল প্রতি মণ খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ টাকায়। এ হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়ে ১২৮ টাকা ৬২ পয়সা। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি দাম বেড়েছে ১৩ টাকা ৪০ পয়সা। আর সুপার পামের দাম বেড়েছে প্রতি মণে ৪০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ টাকা ৭১ পয়সা।
জাতীয় মনিটরিং সেলের হিসাবে, প্রতিমাসে দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা ১ লাখ ৫ হাজার থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টন। এর বিপরীতে গত মাসে খালাস করা হয়েছে মাত্র ৫৫-৫৬ হাজার টন। এখনও দেশে বিভিন্ন টার্মিনালে প্রায় এক লক্ষ টন ভোজ্য তেল মজুদ রয়েছে। তাই বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি কোনো কারণ নেই। এখানে এক শ্রেণির ব্যবসায়িরা সিন্ডিকেট করেই তেলের দাম বাড়িয়ে চলেছে।

সূত্র :: Click This Link
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১২

/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।

/শুধু তাই না, তারা খোলাখুলি ভাবেই আমাদের স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। ৭১ এর মানবতাবিরোধী অপরাধের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোটগল্প: আমি ডাক্তার হবো

লিখেছেন সুব্রত দত্ত, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫

দ্রুত মাছ ধরার জালগুলো গুছিয়ে নেয় মহিউদ্দিন। ইতোমধ্যে অন্যান্য যন্ত্রগুলোও গুছিয়ে রেখেছে একপাশে। “জমির, ও জমির” বলে উঁচুস্বরে ডাকে কিছুক্ষণ পর পর। চারিদিকে মানুষের ছুটোছুটি। সবাই ব্যস্ত। কেউ বড় বড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিজ্ঞতা নাকি বাস্তব জ্ঞান!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮

বাস্তব অভিজ্ঞতা মানুষের জ্ঞানের পরিধি। আমার কাছে একজন গ্রামের লোক আসেন মাঝে মাঝে, শিক্ষিত নন, তিনি বহু বছর প্রবাসী ছিলেন এমন কি সেখানে জেলেও ছিলেন, তিনি এলে আমরা অনেক কথাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা ও জঙ্গী আতঙ্কের অর্থনীতিতে এক নির্বোধজীবি আত্মভোলা জাতির আয়না

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩

এক

বুদ্ধিজীবিরা নাকি জাতির বিবেক! তা সে তো ভালো কথা। কিন্তু সাধারণত যা ভালো তা যখন খারাপ তখন সাধারণত তা খুবই খারাপ। একটা জাতির সবচেয়ে মজার কিন্তু করুণতম দৃশ্য হলো তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্র ব্যর্থদের দায়িত্ব নেয় নাকি ব্যর্থতার সংজ্ঞাই রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত হয়???

লিখেছেন সুব্রত দত্ত, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪

আমাকে যারা চেনেন অথবা আমার অন্যান্য লেখা যাদের পড়া আছে তারা জানেন আমি একজন নিহিলিস্ট। একজন নিহিলিস্ট ‘রাষ্ট্রধারণা’য় বিশ্বাসী নয়। রাষ্ট্র সম্পর্কে সে উদাসীন। আমি নিজেও রাষ্ট্র সম্পর্কে উদাসীন। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×