সূচনা :
'প্রোগ্রাম ফেইলার' হলেও নাহয় কাজ চলে কিন্তউইনডোজ বাবা যদি বাগড়া বাধায় তাহলে তো সব বেরাছেড়া অবস্থা। কখনো দেখা যায় কম্পিউটার বুট ই হচ্ছেনা। তখন কি রকম লাগে তা রিফাত সহ আরো অনেকেই (ইনক্লুডিং মী) জানে। আর তাই আপাতত অপারেটিং সিস্টেমের ফেইলুর ওরফে বুটিং না হওয়া ওরফে বয়োস কিংবা হার্ড ডিস্ক এরর ওরফে 'কম্পিউটার নষ্ট' নামক ঝামেলা থেকে পরিএাণ পাবার উপায় বর্ণনা করছি।
যন্তর-মন্তর :
পি,সি (উপরোক্ত কারনে নষ্ট হয়ে গিয়ে থাকলে ভালো) - 1 খানা, উইনডোজ সিডি এক্স পি কিংবা 2000 হলে ভালো, (বুটেবল হলে সের এর উপর সোয়াসের) - 1 টি, এবং ঘন্টা খানেক ব্যয় করার মতো অলস সময়।
কীভাবে বিড়ালের গলায় ঘন্টাটা বাধবেন :
প্রথমেই কম্পিউটারকে অন করুন এবং পরক্ষনেই বুটেবল উইনডোজ সিডি টি তার মুখের মধ্যে পুড়ে দিয়ে 'রি-স্টার্ট' বাটন চাপুন। এবার তীক্ষ চোখে মনিটর এর নিচের-বাম দিকে তাকিয়ে থাকুন এবং 'প্রেস এনি কী টু বুট ফ্রম সিডিরম' জাতীয় বাক্য দেখা মাএই 'এন্টার' (বা যে কোন বাটন) চাপুন। পি,সি, এখন ডস মুডে সিডি থেকে বুটেড। মনিটরের নীল স্ক্রীনে নানান কিসিমের লিখা দেখতে থাকুন যতক্ষন পর্যন্ত না আপনার কাছ থেকে কোনো কিছু 'ইনপুট' (যেমন : এফ 8) চাওয়া হয়। (তবে এই সময় টুকু আপনি নিজের মাথার চুল ছিড়ে পাড় করে দিতে পারেন। ) এফ 8 চাপা বা এক্সেপ্ট করার পর আরো খানিক অপেক্ষা করুন পরবর্তী ডিরেকশন বা দিক নির্দেশনার জন্য। ... ... ...
যদি এফ 8 প্রেস করার কোন অপশন না চাওয়া হয় তাহলে সরাসরি আপনার কাছ থেকে অন্য আরেকটি কনফার্মেশন চাওয়া হবে। আর সেটা হল আপনি উইনডোজ 'রিপেয়ার' করতে চান কিনা, আপনার সোজা সাপ্টা উত্তর হল 'না'। এরপর আবারো আপনাকে নিজ মাথার চুল ছিড়তে হবে (মানে অপেক্ষা করতে হবে)।
এই পর্যায়ে আপনার কম্পিউটারের 'হার্ড ডিস্ক স্টোরেজ ব্রেকডাউন' দেখতে পাবেন (যদি চশমার পাওয়ার ঠিক থাকে)। আপনি এখানে ইচ্ছেমতো স্টোরেজ অ্যালোকেট করতে পারেন। কীভাবে?? খুব সোজা, প্রথমে একটা ড্রাইভ (বা পার্টিশন) সিলেক্ট করুন আপ-ডাউন কী-এর সাহায্যে, তারপর 'এফ' বাটন (ভাষা ভেদে, যেমন জার্মান হলে 'এল' ) প্রেস করুন । সবগুলো ড্রাইভ এর ক্ষেত্রে এই পন্থা অনুসরণ করার পর আপনার হার্ডড্রাইভ এর 'টোটাল মেমোরী' দেখতে পাবেন। এবার আপনার ইচেছ মতো মেমোরী অ্যালোকেট করুন। প্রথমে পার্টিশন 'সি' এর জন্য ডিফলট অ্যালোকেশন মুছে দিয়ে (বেক স্পেস এর সাহায্যে) আপনার ইচ্ছেমতো একটা সংখ্যা (মেগা বাইট-এ) বসান, এন্টার চাপুন। আপনার পছন্দের সাইজ বা অ্যালোকেশন নিয়ে পার্টিশন 'সি' এখন তৈরী। বাকি আন-অ্যাসাইন্ড স্পেস টুকুর জন্যে ও একই পথ অনুসরণ করে, 'ডি', 'ই', 'এফ' ... যতখুশি চান, পার্টিশন তৈরী করতে পারেন।
... ... ... কি ভয় ভয় লাগছে? এই কাজটা প্রথম বার করতে গেলে খানিকটা ভয় লাগতে পারে, কিন্ত ঘাবড়ানোর কিছুই নেই। স্ক্রীণের নিচের দিকে উললিখিত 'কোড কী' প্রেস করে পার্টিশন অ্যাসাইনিং এর কাজটা আপনি খুব সহজেই করতে পারেন। অ্যাসাইনিং শেষ হলে এবার পার্টিশন 'সি' সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন এবং 'ফরমেট ইনস্টলেশন' সিলেক্ট করে আবার এন্টার চাপুন ... ... ... ব্যস কেল্যা ফতে।
খুব বেশি ঝামেলা না করে থাকলে আপনার কম্পিউটারে এখন উইনডোজ ইনস্টল হচ্ছে। ও হে, এই পদ্ধতিতে আপনার আগের সব কিছুই মুছে যাবে। যদি তা করতে না চান, তাহলে কেবল পার্টিশন 'সি' এর বেলায় 'ফরমেট' করতে হবে। ... ... ...এরপর যে কাজ টুকু বাকি তা একটা বাচ্চা ও করতে পারবে (তাই বলে বোনের সদ্য স্কুলে যেতে শুরু করা ছেলেকে বসিয়ে দিবেন না যেন, তাহলে আপনার কম্পিউটার সারাজীবন ই ঐ অবস্থায় থেকে যাবে, 'উইন্ডোজ ইনস্টলেশন' আর শেষ করা লাগবেনা)। 'উইন্ডোজ ইনস্টলেশন' এর পর আপনার প্রয়োজনীয় 'সফটওয়্যার' ইনস্টল করে কম্পিউটার আবার পুরোদমে ব্যবহার করতে পারেন, বেস্ট অফ লাক... ... ...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




