somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভালোবাসার বাসি গল্প

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভালোবাসা জিনিষটাই আমার কাছে কেমন জানি। নিজের মতো করে সংজ্ঞায়িত করি বলেই কিনা আমার কেবল ই মনে হয় এখনকার (আমার আশেপাশের হাতে গোনা দুয়েকজন ছাড়া) প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে সবই আছে কেবল একজনের জন্য আরেকজনের ভালোবাসা ছাড়া। আমার এই কথা শুনে নিজেদের সত্যিকারের প্রেমিক-প্রেমিকা দাবিকারী জনগণ টেড়া লাঠি হাতে আমার দিকে তেড়ে আসবেননা যেন (আসলে লিখা টিখা ফেলে রেখেই দৌড় দেয়া ছাড়া কোন গত্যন্তর থাকবেনা)। আপনাদের মতো সিরিয়াস যুগল রা আছেন বলেই তো আমরা (আমার মতো রসকষহীন (উদাসী) প্রেমিক(?)) আছি।

ভালোবাসা দিবস এর প্রতি এমনিতেই আমার শ্রদ্ধা বোধ খানিকটা কম। ভলোবাসার জন্য আবার আলাদা দিন কেন? 14 ফেব্রুয়ারী ই কেন, বছরের বাকি মাস গুলোর অন্নান্য দিনে পাশের বাড়ির শিউলি কে যদি একরাশ শিউলি ফুল সহযোগে মনের কথাটি বলেন তবে কি সে শিউড়ে উঠে আপনার চেহারা মোবারকে তার ভলোবাসার উচুঁহিলের স্বাক্ষর রেখে দিবে? স্বাক্ষর যদি সে রাখতেই চায় তবে কি আর 14 ফেব্রুয়ারী আপনাকে রক্ষা করতে পারবে জনাব? আমার মতে জুলেখা, জরিণা কিংবা হালের শিউলি বেগমের হাতে নিজের ছেহারা মোবারকের মানচিত্র বদলে যাবার আগেই গান ধরুন, ''তোমার মায় যদি জানবার পারে, গাজরের হালুয়া বানাইব মোরে.... তবুও তোমায় বাসবো ভালো, যতই তুমি হওনা কালো...'' দেখবেন গানের কি মাহাত্য, 14ই ফেব্রুয়ারী ফেল...

একবার বন্ধুমহলে 14 ই ফেব্রুয়ারী কেন, 14 জুলাই কিংবা 14 নভেম্বর হলে দোষ কোথায়?.... এই কথার অবতারণা করে কতজনের যে রোষাণলে পড়েছি তার ইয়ত্তা নেই। প্রেমের উপরে সেদিন মুখরোচক, পজিটিভ লেকচার দিয়ে নির্ঘাৎ গনপিটুনি থে কে রক্ষা পেয়েছিলাম (আমার বন্ধু গুলা মাইর দেবার সময় এমন ভাবে দেয় যে কোন চানস ই হাতছাড়া করতে চায় না কেউ, আমি ও ছাড়িনা।)

ধুর ছাই, কি লিখছি ! আমি আসলে আমার জীবনে আসতে পারতো, কিন্ত আসলোনা টাইপের ভালোবাসা নিয়ে একটা লিখা লিখতে চেয়েছিলাম, দুয়েক জনের কথা, যারা এখনো আমার অস্তিত্বে বিদ্যমান, যাদের কথা আমার এখনো মনে হয়। মাত্র কয়েক ঘন্টার সেই বিচ্ছিন্ন স্মৃতি গুলো আমাকে এখনো এলোমেলো করে দিয়ে যায়... তাদের কথা বলবো বলেই আজকের এই লিখা, কিন্ত কি সব আবোল তাবোল শুরু করে দিয়েছি।

আসলে কি, আমার খুব খিধে পেয়েছে। তাই লিখায় মন বসছে না। পেটের পূজো টা সেরে নিয়ে লিখাটা শুরু করবো আশা করি... ... ... অবশ্য ততোক্ষন যদি তাদের অনুভুতিটুকু সবার সাথে ভাগ করার মুড টা বেঁচে থাকে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গ্রেট প্রেমানন্দ মহারাজ

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮



'প্রেমানন্দ' একজন ভারতীয় হিন্দু তপস্বী ও গুরু।
১৯৭১ সালে কানপুরের কাছে 'আখরি' গ্রামে তার জন্ম। দরিদ্র পরিবারে জন্ম। ১৩ বছর বয়সে প্রেমানন্দ সন্ন্যাসী হওয়ার জন্য গৃহ ত্যাগ করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুতাপ (ছোট গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

একনাগাড়ে ৪-৫ বছর কাজ করার পর রহিমের মনে হলো, নাহ! এবার আরেকটা চাকরি দেখি। লোকাল একটা কোম্পানিতে কাজ করত সে। কিন্তু কোনকিছু করার জন্য শুধু ভাবনাই যথেষ্ট নয়। সে চাকরির... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আমাদের খারাপ দিনের পর

লিখেছেন সামিয়া, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩


করোনার সময় নানান উত্থান পতন ছিল আমাদের, আব্বা মা ছোটবোন সহ আমি নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় মরে যেতে যেতে বেঁচে গিয়েছিলাম শেষ মুহূর্তে, বেঁচে গিয়েছিল আমাদের ছোট্ট সোনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডোগান- এক রহস্যময় জাতি

লিখেছেন কিরকুট, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১০



আফ্রিকার মালি এর হৃদয়ে, খাড়া পাথুরে পাহাড় আর নির্জন উপত্যকার মাঝে বাস করে এক বিস্ময়কর জনগোষ্ঠী ডোগান। বান্দিয়াগারা এস্কার্পমেন্ট অঞ্চলের গা ঘেঁষে তাদের বসতি । এরা যেন সময় কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৩)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



সূরাঃ ১৩ রাদ, ১১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১। মানুষের জন্য তার সম্মুখে ও পশ্চাতে একের পর এক প্রহরী থাকে। উহারা আল্লাহর আদেশে তার রক্ষণাবেক্ষণ করে। আর আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×