ভালোবাসা দিবস এর প্রতি এমনিতেই আমার শ্রদ্ধা বোধ খানিকটা কম। ভলোবাসার জন্য আবার আলাদা দিন কেন? 14 ফেব্রুয়ারী ই কেন, বছরের বাকি মাস গুলোর অন্নান্য দিনে পাশের বাড়ির শিউলি কে যদি একরাশ শিউলি ফুল সহযোগে মনের কথাটি বলেন তবে কি সে শিউড়ে উঠে আপনার চেহারা মোবারকে তার ভলোবাসার উচুঁহিলের স্বাক্ষর রেখে দিবে? স্বাক্ষর যদি সে রাখতেই চায় তবে কি আর 14 ফেব্রুয়ারী আপনাকে রক্ষা করতে পারবে জনাব? আমার মতে জুলেখা, জরিণা কিংবা হালের শিউলি বেগমের হাতে নিজের ছেহারা মোবারকের মানচিত্র বদলে যাবার আগেই গান ধরুন, ''তোমার মায় যদি জানবার পারে, গাজরের হালুয়া বানাইব মোরে.... তবুও তোমায় বাসবো ভালো, যতই তুমি হওনা কালো...'' দেখবেন গানের কি মাহাত্য, 14ই ফেব্রুয়ারী ফেল...
একবার বন্ধুমহলে 14 ই ফেব্রুয়ারী কেন, 14 জুলাই কিংবা 14 নভেম্বর হলে দোষ কোথায়?.... এই কথার অবতারণা করে কতজনের যে রোষাণলে পড়েছি তার ইয়ত্তা নেই। প্রেমের উপরে সেদিন মুখরোচক, পজিটিভ লেকচার দিয়ে নির্ঘাৎ গনপিটুনি থে কে রক্ষা পেয়েছিলাম (আমার বন্ধু গুলা মাইর দেবার সময় এমন ভাবে দেয় যে কোন চানস ই হাতছাড়া করতে চায় না কেউ, আমি ও ছাড়িনা।)
ধুর ছাই, কি লিখছি ! আমি আসলে আমার জীবনে আসতে পারতো, কিন্ত আসলোনা টাইপের ভালোবাসা নিয়ে একটা লিখা লিখতে চেয়েছিলাম, দুয়েক জনের কথা, যারা এখনো আমার অস্তিত্বে বিদ্যমান, যাদের কথা আমার এখনো মনে হয়। মাত্র কয়েক ঘন্টার সেই বিচ্ছিন্ন স্মৃতি গুলো আমাকে এখনো এলোমেলো করে দিয়ে যায়... তাদের কথা বলবো বলেই আজকের এই লিখা, কিন্ত কি সব আবোল তাবোল শুরু করে দিয়েছি।
আসলে কি, আমার খুব খিধে পেয়েছে। তাই লিখায় মন বসছে না। পেটের পূজো টা সেরে নিয়ে লিখাটা শুরু করবো আশা করি... ... ... অবশ্য ততোক্ষন যদি তাদের অনুভুতিটুকু সবার সাথে ভাগ করার মুড টা বেঁচে থাকে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



