অপবাক এর সামপ্রতিক পোস্ট এর ব্যপারে আর না লিখে পারলাম না। আপনি নক্ষত্রের আলোতে পথ চলার কথা বলেছেন। মহাবিশ্বের জন্মের 1200 কোটি বছর পাড় হয়ে গেলেও বহুদুরের তারা গুলোর আলো কেন এসে পৌছাচ্ছেনা আমাদের এই ধরাতে, আর কেনইবা রাতের অন্ধকার কাটছেনা, কেন আমাদের অন্ধের একমাত্র যষ্ঠি চাদের উপর এত ভরসা করতে হয়... আপনার কথাগুলো শুনে আপনার বিচরণের ক্ষেত্র যে বিশাল এতে কোন সন্দেহ নেই আমার। শুধু একটু মিলিয়ে নেয়া আরকি। আমার মুর্খতা ক্ষমা করবেন আশা করি।
পদার্থবিদ্যার (বানানের কারনে দুঃখিত) সুত্র মতে আমরা তখন ই কোন বস্তুকে দেখি যখন তার থেকে আলো আমাদের চোখে এসে পড়ে। এখন কথা হল, সুদূরের নক্ষত্রগুলো থেকে আলো যদি নাই আসে তাহলে আমরা নক্ষত্র গুলোর অবস্থান উপলব্ধি করছি কি করে? মহাবিশ্ব প্রসারণশীল, এটা প্রমানিত কিন্ত এর স্বপক্ষে আপনার যুক্তিটাই গ্রহন করতে পারছিনা, আমাকে মাফ করবেন। আরো একটা কথা আপনাকে বলি, কোন রেফারেন্স দেবার আগে একটু ভালো করে জেনে নিয়ে দিলে ভালো হয়। যেমন, চার্চের কথা বললেন আপনি, এটাতো নিশ্চয় জানেন, চার্চীয় বাইবেল, আসল বাইবেল এর পরিবর্ধিত রুপ। 'চার্চের রাজনীতি' কি করে প্রক্রিত ঘটনা আড়াল করে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখছে, এটাও জানেন আশা করছি। গ্যালেলিও-র কথা তখন অনায়াসে মেনে নিলে তাদের আজকের পরাক্রমশালী সাম্রাজ্জ থাকতোনা, চার্চীয় বেবসা-তে ভাটা পরতো তাদের। তারা ধর্মীয় কোন কারনে যে সেদিন গ্যালেলিও সহ আরো অনেকের যুক্তি মেনে নিতে পারেনি তা খানিকটা হলেও পরিস্কার কি এখন আপনার কাছে?
আরেকটা জিনিষ, আপনি ধর্ম সম্পর্কে কত টুকু জানেন আমি জানি না। তবে, আমি যা বুঝতে পারি তাহল, ধর্ম সম্পর্কে আমাদের 'মিস-ইন্টারপ্রিটেশন'। ঈশ্বর এর একটা আকার দেবার আগে 'ঈশ্বর নিরাকার' -ধর্ম ীয় এই মতবাদের খানিকটা তোয়াককা করে দেখুন না, 'স্ট্রিং থিওরী' অনুযায়ী সবকিছুর মূলে কম্পনরত যে ক্ষুদ্্রাতি ক্ষুদ্্র কণা আছে, তাদের কম্পনের কারন কি নিজেদের স্বতস্ফুর্ততা নাকি প্রাক্রিতিক কোন কারন... আর এই প্রক্রিতি ই কি আকার বিহীন 'ঈশ্বর'?
(আমার এই লিখা কাউকে আঘাত করার লাগি নয়, আশেপাশে কেবল শুনি কতক খালি কলসের ঝনঝনানি। আর বানানের কারনে তো আগেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি...)
ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ১১:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




