somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফাও গ্যাজানী ঃ লাস্ট কবে চুল কাটাইছেন? ঃ আসেন ব্লগে হিট বাড়াই!

২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কী আর কমু, জাব্বুইরা ঠান্ডায় কাব্বু হইয়া গেছি এক্কেবারে। জ্যাকেট জোকেটে মাতাল পাওন যায় না, এমুন ঠান্ডা। কািলকা রাইতে গলায় মাফলার প্যাচাইয়া বাইর হইছি ঠিকই মাগার কান আছিলো খোলা, খবর হইছে অইখান থাইক্যাই। হাতে মোজা না পড়ি নাই, মনে হইতাছিলো আঙুলের মাথা ফাইট্টা যাইতাছে। এখন মনে হইতাছে এখন সময় হইছে বস্তার ভিতরে ঢুইক্যা চলাফিরা করার। ব্যাটম্যানের লাহান ইয়া জুব্বা মার্কা কোট পইড়া ঘুরতে হইবো রাস্তা ঘাটে।

বেবাকে দেহি খালি হাত কচলায়। দোকানী হাত কচলায়, ক্রেতা সাধারণ হাত কচলায়, ম্যাকডোনালডস এর কোণায় খাড়াইয়া ইশকুলের বালিকা হাত কচলায়, মাতালেরা হাত কচলায়, এমুন কি কাঁচের জানলার ফাঁক দিয়া দেখলাম ম্যাকুসে কামলা দেওয়া সুন্দরী ললনাডাও তার তুলার লাহান নরোম হাতখানি কচলায়! আসিতেছে ঠান্ডার দিন - এই লগোন হাত কচলাইবার!

মাথার চুল বড় হইতে হইতে ইয়া বড় হইয়া গেছিলো। অনেক দিন ধইরা চিন্তা করতাছি নাপিতের বাড়িত যামু। আইলসামীর লাইগ্যা যাওয়া হয় না। কাইলকা গেলাম পুরান শহরের ডিকে। দরজা ঠেইলা ভিতরে ঢুইক্যা আমি পাংখা। বহুত পুরাণ ইয়ার আমারে দেইখ্যা খাড়ায়া উঠলো। টেরাক ডেরাইভার, রিশকা ডেরাইভার, বাড ডেরাইভারের পরে অখন যোগ হইলো নাপিত ইয়ার। খোশ গপ্পো করতে করতে আমার চুলেরে সাইজ করছে নাইপতা! এক সুন্দরী দেখলাম আবার চা-ও খাইতে দিলো।

হায়রে কালাচাঁন! দেখ নাইপতামী কারে কয়! ছোড বেলায় ঘাড় ইট্টু ঘুরাইলেই দিতো চিরুণী দিয়া বারি, চা দূরের কথা এক গেলাস পানিও খাওয়াইতো না হালায়, এমুন খচ্চর আছিলো। শুক্কুর বারে লাইন ধইরা খাড়ায়া থাকতে হইতো। কাউরে আগে দিছে তো লাগা চিল্লা চিল্লি। আর কালাচাঁনের ভাব? সে তো মহাবীর আলেকজান্ডারের ও আছিলো না!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৪৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গুম আর গুপ্ত

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫


খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তালেবান ঢাকায়, রাষ্ট্র ঘুমায়

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩২

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে অনেক কিছু নতুন হইছে। নতুন সরকার, নতুন মুখ, নতুন বুলি। কিন্তু একটা জিনিস খুব চুপচাপ, খুব সাবধানে নতুন হইতেছে, যেইটা নিয়া কেউ গলা ফাটাইতেছে না। তালেবানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

মুখোশ খুলে গেছে ও আয়না ভাঙ্গা শুরু হয়েছে!

image upload problem

বাংলাদেশে একসময় খুব জনপ্রিয় একটা পরিচয়-“আমি সুশীল”, “আমি নিরপেক্ষ”, “আমি কোনো দলের না”। এই পরিচয় ছিল আরামদায়ক, নিরাপদ, সম্মানজনক। এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের কৃষি আধুনিকায়ন রোডম্যাপ: একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিপত্র রূপরেখা : পর্ব -১ ও ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:১১


প্রস্তাবিত রূপরেখা: কৃষিকে জীবিকানির্ভর খাত থেকে প্রযুক্তিনির্ভর, জলবায়ু-সহনশীল
ও বৈশ্বিক বাজারমুখী বাণিজ্যিক শিল্পে রূপান্তরের জাতীয় কৌশল প্রস্তাবনা ।

বাংলার মাঠে প্রথম আলোয়
যে ছবি আসে ভেসে
কাঁধে লাঙল, ঘামে ভেজা মুখ
কৃষক দাঁড়ায় হেসে।

সবুজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×