কী আর কমু, জাব্বুইরা ঠান্ডায় কাব্বু হইয়া গেছি এক্কেবারে। জ্যাকেট জোকেটে মাতাল পাওন যায় না, এমুন ঠান্ডা। কািলকা রাইতে গলায় মাফলার প্যাচাইয়া বাইর হইছি ঠিকই মাগার কান আছিলো খোলা, খবর হইছে অইখান থাইক্যাই। হাতে মোজা না পড়ি নাই, মনে হইতাছিলো আঙুলের মাথা ফাইট্টা যাইতাছে। এখন মনে হইতাছে এখন সময় হইছে বস্তার ভিতরে ঢুইক্যা চলাফিরা করার। ব্যাটম্যানের লাহান ইয়া জুব্বা মার্কা কোট পইড়া ঘুরতে হইবো রাস্তা ঘাটে।
বেবাকে দেহি খালি হাত কচলায়। দোকানী হাত কচলায়, ক্রেতা সাধারণ হাত কচলায়, ম্যাকডোনালডস এর কোণায় খাড়াইয়া ইশকুলের বালিকা হাত কচলায়, মাতালেরা হাত কচলায়, এমুন কি কাঁচের জানলার ফাঁক দিয়া দেখলাম ম্যাকুসে কামলা দেওয়া সুন্দরী ললনাডাও তার তুলার লাহান নরোম হাতখানি কচলায়! আসিতেছে ঠান্ডার দিন - এই লগোন হাত কচলাইবার!
মাথার চুল বড় হইতে হইতে ইয়া বড় হইয়া গেছিলো। অনেক দিন ধইরা চিন্তা করতাছি নাপিতের বাড়িত যামু। আইলসামীর লাইগ্যা যাওয়া হয় না। কাইলকা গেলাম পুরান শহরের ডিকে। দরজা ঠেইলা ভিতরে ঢুইক্যা আমি পাংখা। বহুত পুরাণ ইয়ার আমারে দেইখ্যা খাড়ায়া উঠলো। টেরাক ডেরাইভার, রিশকা ডেরাইভার, বাড ডেরাইভারের পরে অখন যোগ হইলো নাপিত ইয়ার। খোশ গপ্পো করতে করতে আমার চুলেরে সাইজ করছে নাইপতা! এক সুন্দরী দেখলাম আবার চা-ও খাইতে দিলো।
হায়রে কালাচাঁন! দেখ নাইপতামী কারে কয়! ছোড বেলায় ঘাড় ইট্টু ঘুরাইলেই দিতো চিরুণী দিয়া বারি, চা দূরের কথা এক গেলাস পানিও খাওয়াইতো না হালায়, এমুন খচ্চর আছিলো। শুক্কুর বারে লাইন ধইরা খাড়ায়া থাকতে হইতো। কাউরে আগে দিছে তো লাগা চিল্লা চিল্লি। আর কালাচাঁনের ভাব? সে তো মহাবীর আলেকজান্ডারের ও আছিলো না!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






