somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাজার দুয়ারের দ্্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মাথায় একটা জিনিষ ঘুরগুর করছে গত দুদিন ধরে। আমার স্মৃতিশক্তি ভালো না- এটা মানি। কিন্ত তাই বলেতো এতো খারাপ না! একটা নাম আমি কিছুতেই বের করতে পারছিনা নিউরণের জঙ্গল থেকে।

পরশুদিন, একটা গুড লুকিং ললনা হঠাৎ অনেকক্ষণ চোরা পর্যবেক্ষণের পর আমাকে এ্যাঞ্জেলার কথা জিজ্ঞেস করতেই আমার এতোক্ষণের হিসাবটা কিঞ্চিৎ মিলে গেলো। আমি তাঁকে চিনি, সত্যিই চিনি। জানুয়ারীর কোন একটা দিন তার সাথে দেখা হয়েছিলো।

ডুসেলডর্ফে একটা কনফারেন্স শেষে ফিরে আসার পথে গাড়ির পেছনের সিটে দু'জন টুকটুক করে গপ্পো করছিলাম। রাশান (পিটার্সবুর্গের) বংশদ্ভুত মেয়েটার স্কুলিঙে হাতেখড়ি হয়েছে কানাডায়। কথাবার্তায় তাই কানাডিয়ান ভড়ং ভড়ং এক্সেন্ট। অনেক কিছু নিয়েই কথা হয়েছিলো, আমার মদনা কিসিমের থিওরী শুনে কতোক্ষণ ঝিম মেরে থেকে বলে, "আই থিংক য়্যু আর রাইট, আই মাস্ট থিংক এগেইন...", আমি পুরা পাংখা!

সেদিন থেকে পরশুদিন - মাঝখানে কেটে গেলো একটা পুরো বছর এবং কতগুলো বিশাল দিন। এই মেয়েটাই যখন পরশুদিন আমাকে কুশল জিজ্ঞেস করলো, নামটা কিছুতেই মনে করতে পারছিলাম না। কেউ পূর্ব পরিচয় ধরে কথা বলতে আসার পর নাম মনে না আসাটা উভয় পক্ষের জন্যই বিব্রতকর। আমার সবকিছুই মনে আছে, এমনকি ম্যাকুসে রয়েলটিএস বার্গার খেয়েছিলাম, সেটাও মনে আছে - শুধু নামটাই মনে নেই! অনেক খাঁটা খাঁটনী করছি, কিছুতেই মনে করতে পারছি না.... এখনো মনে আসছে না।

যাক নাহয় আমার দুঃখের কথা। এবার সবার সাথে একটা জিনিষ শেয়ার করি। মাথায় অনেকদিন থেকেই কিছু জিনিষ আইডিয়া হয়ে ঘুরপাক খাচ্ছিলো। একটা দরজা দিয়ে ঢুকে হাজারটা দরজার সন্ধান বের করা! মাসকাওয়াথ ভাই যেদিন বললেন এরকমই কিছু একটার কথা, ধুম করে রাজী হয়ে গেলাম। অথচ মরার মতো সময়টাও হাতে নেই তখন। তারপরও ঠিক করে ফেললাম, ফেব্রুয়ারীতেই হবে সেই "হাজারদুয়ারীর" উন্মুক্তকরণ।

আমি কখনোই মানুষের কাছ থেকে কাজ আদায় করতে পারি না। মোটিভেট ও করতে পারিনা কাউকে। লাভের লাভ যেটা হয়, অন্যকে মোটিভেট করতে গিয়ে নিজেই মোটিভেটেড হয়ে যাই! অনেকদিন আগে একজনকে একটা কাজ দিয়েছিলাম এক বড়ভাইয়ের জন্য। নাহ্, কাজটা হয়নি। আমার অনুদান ছাড়াই বড় ভাইয়ের থিসিসের কাজটা সমাপ্ত হয়েছে। খুব খারাপ কথা আমার জন্য!

একেবারে শেষ মুহুর্তে এসে যখন দেখলাম ফেব্রুয়ারীতে "হাজারদুয়ারী"-র উন্মুক্ত হওয়াটা হুমকীর সম্মুখীন, তখন বাধ্য হয়েই নামতে হলো মাঠে! তবে আমি জানি না সঞ্জীবদা'র পৃষ্ঠপোষকতা আর মাসকাওয়াথ ভাইয়ের উৎসাহ না পেলে এটা আদৌ শেষ হতো কিনা!

"হাজারদুয়ারী" এখন 'ট্রায়াল এন্ড এরর' পর্যায় অতিক্রম করছে। এর গায়ে হাড়-মাংস জড়ানোর জন্য চাই আপনাদের সবার অবদান, লেখা, চিন্তা-চেতনার আদান-প্রদান।

" হাজারদুয়ারী"- প্রকাশিত হবে আপনাদের ই লেখা নিয়ে, মাসে একবার, মধ্যদিবসে। "হাজারদুয়ারী" সবার লেখাই প্রকাশ করবে, তবে ছোট একটি বিনীত অনুরোধ থাকবে- লেখার বেলায় শুধু খেয়াল করবেন যে লেখাটা 'আপনি' লিখছেন!

লেখাটা তৈরী করে পাঠিয়ে দিন এই ঠিকানায় : [email protected]

হাজারদুয়ারীর প্রচ্ছদ পাতাটা দেখুন GB wVKvbvq

আপনাদের সবার উদ্দীপনা আর স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহনকে পুঁজি করেই এগিয়ে যাবে [গাঢ়]হাজারদুয়ারী[/গাঢ়] আগামীর পথে, ঐতিহ্যকে যুক্ত করার প্রয়াসে....!

ধন্যবাদ সবাইকে
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:১৮
৮৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধের দায় হযরত আলীর (রা.) হলে আমরা হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) কেন দোষ দেব?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৪



সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট),দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমাকে ভালোবাসি I love you

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:০২

তোমাকে ভালোবাসি বাতাসের মতো,
যেমন শিশুর কাছে বালি একটা খেলনা,
অথবা ঝড়ের মতো, যাকে কেউ বোঝে না।

I love you like the wind,
Playing like a child in the sands,
Or a storm that no... ...বাকিটুকু পড়ুন

গর্ব (অণু গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪০

একটা সরকারি প্রাইমারি স্কুল। ক্লাস শুরু হয়েছে বেশ আগে। স্কুলের মাঠে জন মানুষ নেই। কয়েকটা গাছ, দু'একটা পাখি আর চিরসবুজ ঘাস তাদের নিজের মতো আছে। একান্ত চুপচাপ একজন মানুষ শিক্ষক-রুমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায় নেওয়ার কেউ নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫


বাংলাদেশের ব্যাংকিং সংকট নিয়ে যত আলোচনা হচ্ছে, যত টকশো হচ্ছে, যত বিশেষজ্ঞ মতামত দিচ্ছেন, তার কিছুই ব্যাংকের সামনে লাইনে দাঁড়ানো মানুষটার কাজে লাগছে না। তিনি জানতে চান একটাই কথা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্য ধর্মের মানুষদের মাঝেও 'উত্তম মানুষ' আছেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪৭



পবিত্র কোরআনে অসম্ভব সুন্দর একটি আয়াত আছে। মহামহিম খোদাতায়ালা পুরো বিশ্বের মানুষদের দিকে একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে পবিত্র কোরআনে জিজ্ঞাসা করেছেন - "আর ঐ ব্যক্তি থেকে কে বেশি উত্তম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×