ছেলেটির নাম আকাশ।
প্রিয় রঙ নীল। নাম আকাশ বলে নীল রঙ নািক প্রিয় রঙ নীল বলে আকাশ তার নাম এ ব্যাপারে তার মাঝে অনেক দ্বিধা আছে।তবে এটুকু বোঝা যাচ্ছে যে তার সাথে নীল বেদনার একটা সম্পর্ক আছে। ছেলেটির জানা নাই শীতের সাথে নীলের অথবা বেদনার কোন সম্পর্ক আছে কিনা!শিতের প্রসঙ্গ কেন আসছে? কারন ছেলেটি জন্ম নিয়েছিল শীতের শেষ দীনটাতে। সেই সেদিন থেকেই তার মাঝে একটা আফসোস কাজ করে, কেন সে ফাগুনের প্রথম প্রহরে জন্ম নিলনা। যাই হোক তার মাঝে একটা আফসোস কাজ করে সব সময় , সব ক্ষেত্রে। যেন পয়সার এপি অপিঠ সম্পর্ক। হেড পরলে কেন টেল নিলাম আর যদি টেল পরে তো কেন হেড নিলাম?
তাই আজ ফাগুনের প্রথম প্রহরে এসে সে তার জীবনের স্মৃতিচারণ করতে বসেছে। বারবার তার মনে পরছে তার জীবনের ব্যারথতার কথা। কিন্তু তার মনে পরছে না তার জীবনের সুখময় দিনগুলোর কথা। এক্ষেত্রে কিন্তু সেই একটাই কারন তা হল আফসোস।
খুব ছোট থাকতে সম্ভবত চার বছর বয়সে বাবার হাত ধরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমন। প্রথম দিনেই ক্লাসের বিছছুবাহিনির ক্রসফায়ারে মাথা ফাটানো এসব কথা আজ তার খুব মনে পরছে। আর মনে পরছে ঠিক একবছর পর প্রথান শিক্ষকের হাত থেকে প্রথম স্থান গ্রহন করার কথাটা। কারন বাবা সেদিন তাকে খুশি হয়ে একটা বাঁশি কিনে দিয়েছিল। সেদিনের সেই সুখের লোভে হয়তবা পরাশুনার প্রতি আগ্রহটা এখনো হারায়নি ছেলেটি।
তার আর ও মনে পরছে খারাপ রেসাল্ট করে ফাইভ পাশ করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হবার কথাটি।মনে পরছে স্কুলজীবনের দুষ্টামির কথাগুলো যেগুলো কখনো ভুলবার নয়। তার আর ও মনে পরছে স্কুল জীবন পার করে গ্রাম থেকে শহূরে জীবনে অভ্যস্ত হবার কথা। এই দিনটার কথা তার বেশি মনে পরছে কারন এইদিন সে আবিস্কার করতে পেরেছিল শুধু মা নয় বাবারা ও সন্তান কে ভালবাসে। তার মনে পরছে ঠিক দুই বছর পর সে বাবাকে একবার কাঁদিয়েছিল সেই কথাটি। কারণটা অবশ্য ছিল বাবার স্বপ্ন পূরন করে এ+ পাওয়ার জন্য।
কিছু কাল পর সে আবার কাঁদিয়েছিল শুধু বাবাকে নয় এবার মাকে ও। এবার অবশ্য কারণটা ছিল কোন এক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যোগ্যতা অর্জনের জন্য।
আজ ছেলেটি সত্যি এই শহরের বুকে শত শত আপরিচিত মানুষের মাঝে তার দুনিয়ার সবচেয়ে প্রিয় দুই মানুষকে খুব মিস করছে। মিস করছে তার গর্ভধারিণী মাকে,মিস করছে তার আদর্শ পিতাকে। প্রকিতি বরই নিষ্ঠুর। কেন অন্তত আজ তার ভাজ্ঞে কি ছিলোনা তার বাবা মাকে এক পলক দেখতে পাবার সুযোগটি?
আফসোস! আফসোস!
সত্যি বাবা মা তমাদের সেই ছেলেটি তোমাদের কে অনেক ভালবাসে। তোমরা ছেলেটার জন্য অনেক অনেক দোয়া কর। আর একটি কথা বুঝে নিয়ো সে তোমাদের আদর্শ থেকে একটুও বিচ্যুত হয় নি।
েছেলিটর আরো কথা সে সবাইকে জানাতে চায়.....।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



