ভোর সাড়ে পাঁচটা।
ঘড়িতে অ্যালার্ম বাজছে।খুব বিরক্তির সাথে ঘুম ভাংল।অ্যালার্ম অফ করে আবার ঘুম। কিছুক্ষণ পর হুশ হল ৩১৪ নং কোস্রের এক্সাম আর মাত্র ৩ ঘণ্টা পর। একলফে শোয়া থেকে উঠে পুরো দাড়িয়ে গেলাম। কনরকম এ ব্রাশ শেষে রুম এ আসলাম। কাল রাতে খুব ব্রিসটি হয়েছে। মুলত প্রব্লেমটা ওখানেই। কিছুতেই ঘুম ভাংছিল না। এক্সাম ছিলোুএকাউন্টিং ফর বিজনেস ডিছিসন। ম্যাথ করা শুরু করলাম। কিছুক্ষণ পর চাপল ক্ষুধা। তারাতারি করে নিচে গেলাম। ক্যান্টিন থেকে নাস্তা করলাম খিচুরি। আর মাত্র ১ ঘণ্টা। তারাতারি করে থিওরি পড়া শুরু করলাম। গসল দিলাম। এখন বেশ ভাল বোধ করছি।
এক্সাম দিতে গেলাম উইথআউট প্রিপারেশন এ। এক্সাম যে কেমন হবে তা আগেই বুঝেচিলাম। যাই হোক কোশ্চেন পেপার দেখে মনটা ভাল হয়া গেল। কিন্তু বিপত্তি অন্যখানে।৩ ঘন্টা টানা বসে বসে লেখা লাগবে।
অনেক বরিং সময় পার করে অবশেষে ৩ ঘণ্টা পর বের হলাম হল থেকে। মুখটা ছিল দেখার মত। লিখে শেষ করতে পারিনি আজ ।কিন্তু আজ ই সবচেয়ে বধয় বেশি পাব এবারের এক্সাম গুলর ক্ষেত্রে।
বিকালে মনটা খুব ভালো ছিল। সবাই মীলে আড্ডা দিলাম।
গান হোলো।
সন্ধ্যায় টেবিল টেনিস খেল্লাম।
খূব ক্লানত লাগছে এখন ঘুমানো দরকার। কী করি কী করি?? গান শুনি। না কবিতা.।.।.।.।.।।।
সে ।।
আমাকে সে নিয়েছিলো ডেকে;
বলেছিলো: 'এ নদীর জল
তোমার চোখের মত ম্লান বেতফল:
সব ক্লান্তি রক্তের থেকে
স্নিগ্ধ রাখছে পটভূমি;
এই নদী তুমি।'
'এর নাম ধানসিঁড়ি বুঝি?'
মাছরাঙাদের বললাম;
গভীর মেয়েটি এসে দিয়েছিলো নাম।
আজো আমি মেয়েটিকে খুঁজি;
জলের অপার সিঁড়ি বেয়ে
কোথায় যে চলে গেছে মেয়ে।
সময়ের অবিরল শাদা আর কালো
বনানীর বুক থেকে এসে
মাছ আর মন আর মাছরাঙাদের ভালোবেসে
ঢের আগে নারী এক - তবু চোখ ঝলসানো আলো
ভালোবেসে ষোলো আনা নাগরিক যদি
না হয়ে বরং হতো ধানসিঁড়ি নদী।
(জীবনানন্দ দাশ)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


