স্বপ্নগঙ্গার দীর্ঘশ্বাস
সংশয়ের সংঘাতে দোলাচলে জীবন।
কেমন করে খুঁজবো আমি,
সেই ছিড়ে নেয়া পথ ফিরে দেখা রথে !
আমার ধূসর ধেনু ধামে;
অন্তহীন বয়ে চলা প্রহেলিকা,
আমাকে রুখে দেয়।
স্তব্ধ করে দেয় খরস্রোতা মনকে।
শহরভর্তি কোলাহলে শুনি আমি
শ্মশানের নিরবতা !
প্রশ্নবানে জর্জরিত স্বপ্নগঙ্গা;
খোঁজে মুক্তির নির্বাণ।
বিবশ লাগে আমার বিষণ্ণ ছায়ায়।
হোঁচট খেয়ে পড়া পুণ্যার্থীর মত;
পদদলিত হই সময়ের পিষ্টে।
তবু আমি মরে গিয়েও মরতে পারিনা,
কিছু একটা হাতছানির সারাক্ষণ ইশারায়।
অস্থির সময়ের বাতাবরণ;
আমাকে কোথায় নিয়ে যাবে জানিনা,
ভিতর থেকে শুধু দুমড়ে ওঠে কিছু একটা !
হ্যাঁ, কিছু একটা।
এই কিছু একটার জন্যই;
বেঁচে আছি আজো।
পায়ে পায়ে সময়লতার কাঁটা;
রক্তাক্ত আমার ভেতর বাহির !
শুধু ঐ অপরিসীম শক্তির কিছু একটা
আমাকে চলতে দিচ্ছে তবুও।
বেদনাক্লিষ্ট অবয়ব
দীর্ঘশ্বাসে উপশম পায়।
কবে থেকে শুরু হয়েছিল জানিনা।
কিন্তু বেঁচে থাকার খানিক প্রয়াসে;
সচেতন খেয়ালে জানলাম,
আমার প্রতিটি শ্বাসই এখন
দীর্ঘশ্বাস হয়ে গেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

