
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রামপাল ইস্যু নিয়ে আপনার সাধারন মানুষের মতামত গুরুত্ব না দেওয়া আত্বঘাতী হতে পারে।একটা জরিপ খুব দরকার ছিল, কত শতাংশ জনগন রামপালের বিপক্ষে।এবং আরো প্রচুর পরিমানে আলোচনা।সাধারন জনগনের সাথে দফায় দফায় বৈঠক, এবং আলোচনা পর্যালোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিলে সবার জন্য মঙ্গল হত।
এটা কোন ছোট খাটো প্রযেক্ট নয়,এমন বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করার আগে এমন বিশাল পরিমান আলাপ-আলোচনা চিন্তা-ভাবনার কোন বিকল্প নেই।
আপনি কতটুকু সাধারন মানুষের সংস্পর্শে আছেন আমি জানি না,তবে সাধারন মানুষ ব্যাপারটাকে ভাল ভাবে নিচ্ছে না।শেষ অান্তজাতিক জরিপে দলের চেয়ে আপনার জনসমর্থন (প্রায় ৬২%) যেখানে বেশি ছিল,আমার মনে হয় সামান্য একটি বিদ্যুতকেন্দ্র বিষয়ে সে জনসমর্থন কমানো ঠিক হবে।বিরোধীদলের মানুষ পোড়ানো আন্দোলন এর সময় সাধারন মানুষ আপনাকে যে সাপোর্ট দিয়েছে,জীবনের রিস্ক নিয়ে সাধারন মানুষ দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখেছে তার সামান্য অংশ এখন আপনি ফিরিয়ে দিতে পারেন রামপাল প্রকল্প বন্ধের মাধ্যমে।
হয়ত আমরা ভূল করছি।হয়ত রামপাল প্রকল্প হলে সুন্দরবন তথা দেশের কোন ক্ষতিই হবে না।হয়ত দেশে বিদ্যুৎ সমস্যা চিরতরে মিটে যাবে।তখন হয়ত আপনি গর্ব করে বলতে পারবেন, আমাদের কথা না শুনে আপনি ঠিকই করেছেন।আপনাকে তখন আমরা ঠিকই বাহবা দিব।কিন্তু জাতির পিতার কন্যা হিসেবে সাধারন মানুষ আজ যে দাবি নিয়ে আপনার দরবারে হাজির হয়েছে, সামান্য একটি বিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ করে আপনি যেমন আমাদের সন্মান বাড়াতে পারেন এবং আপনার নিজের সন্মান সহ দলের সাপোর্ট বহুগুন বাড়াতে পারবেন।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে লাখ খানেক মানুষ দিনরাত বসে থেকে যেভাবে রিরোধীদলের সব ইস্যু,আন্দোলন প্রতিহত করেছে তারাও রামপাল নিয়ে আপনার দরবারে হাজির আজ।
বিরোধীদল নিয়ে আপনার চিন্তার কোন কারন নেই,ওটা সাধারন জনগনের ওপড় ছেড়ে দিন।আর সাধারন মানুষ আপনার সঙ্গে বিরোধে যেতে চায় না,আপনি ইচ্ছে করলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবেন,সাধারন মানুষ আপনাকে বাধা দিবে না,মনে মনে দীর্ঘশ্বাস ছাড়বে।হয়ত দু একজায়গায় অবস্হান কর্মসূচি আলোচনা সভা হবে।সাধারন মানুষ আপনার সাথে বিরোধে গেলে বিএনপি জামাতের মানুষ পোড়ানোর আন্দোলন সফল হত।
বাকিটা আপনার বিচার বিবেচনার ওপড় ছেড়ে দিলাম।
ধন্যবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

