somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারিকেল জিঞ্জিরার পথে--1

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৪:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চট্টগ্রামেই থাকি কিন্তু সেন্টমার্টিন কখনো যাওয়া হয়নি তা নিয়ে আফসোস ছিল.কখনো কি স্টেমার্টিন এ যাওয়া হবে না.এর আগের বছর ঈদে(2005) এলাকার পোলাপান রা মিলে ঠিক করল সেন্টমার্টিন যাবে.কিন্তু আমি যাব না.আসলে ভয় পাচ্ছিলাম নাফ নদী পার হতে হবে বলে.

কিন্তুসবাই যখন প্রস্তুত হতে লাগল নিজেকে আর ধরে রাখতে পারি না.মৃতু্য যদি থাকে তাহলে সেন্টমার্টিন গিয়েই মরি.কিন্তু এই জার্নিমিস করা যাবে না.পরে আফসোস থেকে যাবে.

আমরা সেন্টমার্টিন এর দিকে রওনা দিলাম ঈদ এর দুই দিন পর সকাল 8 টার দিকে.টেকনাফ পৌঁছাতে পৌঁছাতে দুপুর হয়ে গেল.খবর নিয়ে জানা গেল 'কেয়ারি সিন্দবাদ'সকাল দশটায় চলে গিয়েছে.আমরা এলাকার পোলাপান ছিলাম 11জন আরো প্রায় 20 জন মিলে একটা ট্রলার ঠিক করলাম.ট্রলারে যেতে হবে তাই নিয়ে ভয় পাচ্ছিলাম.(কত জনের কাছে এই ভয়ংকর ট্রলার জার্নির কথা শুনলাম ).

টেকনাফ থেকে যখনি নাফ নদীতে এসে পড়লাম চোখের সামনে ধরা পড়ল বার্মার বড় বড় পাহাড় গুলো.নাফ নদীর এক পাশ্বর্ে বামর্া আরকে পাশ্বর্ে বাংলাদেশ. এত সুন্দর দৃশ্য মনে হয় চোখ ফিরায় নিলে কিছু মিস হয়ে যাবে.

এক সময় আমরা নদীর এমন যাইগাই এসে পড়লাম যেখান থেকে বাংলাদেশের দিকের ভূমি দেখা যাই না.আবার বার্মার বর্ডার এর দিকেও যাওয়া যাই না.ঢেই গুলো ও আস্তে আস্তে বড় হতে লাগল .সাথে সাথে আমাদের ট্রলারের নাচা নাচি ও বেড়ে গেল.পরবর্তিতে রাতে ঘুমানোর সময় বিছানাই গিয়েও মনে হচ্ছিল ঢেউয়ের তালে তালে দুলছি .আমাদের ট্রলার টা নদীর মাঝখানে মাএ তিনবার বন্ধ হয়ে গেল (আম্মাআআ) .

প্রায় আড়াই কি তিন ঘন্টা লাগল স্টেমার্টিন পৌঁছাতে.ট্রলার থামার জেটি টা নষ্ট থাকার কারণে পানির মধ্যেই নামা লাগল.এই বার রাতে কোথায় থাকব তা ঠিক করার পালা.....
------------------------------------------------------------------------
পরের পর্বে শেষ করব.

সবাই দেশের বাহিরের ভ্রমণের কথা লিখে....কিন্তু আমাদের দেশর সুন্দর যাইগা গুলোর কথা আর লিখা হয় না.

সেন্টমার্টিন যাওয়ার ব্যাপারে কোন তথ্য জানতে চাইলে বলতে পারেন.

অনেক দিন পর পোস্ট করলাম শান্তি লাগছে...অলসতার জন্য কিছু করতে পারি না.

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভূমি-দেবতা

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৩


জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্বে ভাইয়ে ভাইয়ে
মারামারি-কাটাকাটি-খুনোখুনি হয়;
শুধু কি তাই? নিজের বোনকে ঠকিয়ে
পৈতৃক সম্পত্তি নিজ নামে করে লয়।
অন্যদের জমির আইল কেটে নিয়ে
নিজেরটুকু প্রশস্ত সময় সময়;
অন্যদের বাড়ি কব্জা- তাদের হটিয়ে
সেখানে বানায় নিজেদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকে জুলাইযোদ্ধাদের উপর পুলিশের ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।

লিখেছেন তানভির জুমার, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:১৪

জুলাই যারা ঘটিয়েছে, তাদের উপর পুলিশের কী পরিমাণে ক্ষোভ, এটা ইলেকশনে যাস্ট বিএনপি জেতার পরই টের পাবেন।
আমি বলছি না, বিএনপির ক্ষোভ আছে।
বিএনপি দল হিসেবে অকৃতজ্ঞ হতে পারে, কিন্তু জুলাইয়ের উপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুইটি প্রশ্ন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪০

১) জাতিসংঘ কি হাদী হত্যার বিচার এনে দিতে পারবে? ফিলিস্তিনি গণহত্যার বিচার কি জাতিসংঘ করতে পেরেছে?

২) আজকের পুলিশি হামলায় ছাত্র নেতারা ডঃ ইউনুসকে যেভাবে গালি দিচ্ছেন, তাতে কি জাতিসংঘ খুশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাশা : বাংলাদেশের নতুন জাতীয় খেলা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৯


"ও শ্যামরে, তোমার সনে একেলা পাইয়াছি রে শ্যাম, এই নিঠুর বনে। আজ পাশা খেলব রে শ্যাম।" প্রয়াত হুমায়ূন ফরীদির কণ্ঠে ছবিতে যখন এই গান শুনেছিলাম ,তখন কেউ ভাবেনি যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা যেন পারষ্পরিক সম্মান আর ভালোবাসায় বাঁচি....

লিখেছেন জানা, ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪২



প্রিয় ব্লগার,

শুভেচ্ছা। প্রায় বছর দুয়েক হতে চললো, আমি সর্বশেষ আপনাদের সাথে এখানে কথা বলেছি। এর মধ্যে কতবার ভেবেছি, চলমান কঠিন সব চিকিৎসার ফলে একটা আনন্দের খবর পেলে এখানে সবার সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×