
আমাদের বান্দরবানকে বলা হয় ভূস্বর্গ, এর গভীরে হারিয়ে যেতে আমার নেই মানা। সাকা হাফং (বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চুড়া) এর পথে থান দুই পাড়া পার হয়ে আমরা এক সময় চলে আসি রেমাক্রি খালের পাশে। রেমাক্রি খালটা এখানে অনেকটা ইউ টার্ন নিয়ে মাঝখানে একটা দ্বীপ সৃষ্টি করেছে। রেমাক্রির কিছুটা উজানে যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি (সম্ভবত) মুরংদের বসতি, সেটাই নয়াচরণ পাড়া। প্রচন্ড ক্ষরস্রোতা এই রেমাক্রির জলে মুখ ধুয়ে নিলাম, মুহুর্তেই আমাদের তিন দিনের পাহাড় বেয়ে চলার ক্লান্তি ভুলে গেলাম। চারিপাশে শ্রেণীবদ্ধ সবুজ অরণ্য বেষ্টিত পাহাড়গুলো, আশেপাশে ফুটে থাকা নাম না জানা পাহাড়ি ফুল আর পায়ের নিচে পাহাড়ি সুন্দরী রেমাক্রির ক্ষরস্রোতা স্বচ্ছ জলের নৈসর্গ, বাড়ি ফেরার কথা ভুলে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না।
নৈসর্গের মাঝখান দিয়ে আমরা এগিয়ে চললাম নয়াচরণ পাড়ার দিকে.......ক্যামেরার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার কোন ব্যবস্থা না থাকায় খুব হিসেব করে ছবি তুলতে হয়েছে। আসুন দেখি আমার ক্যামেরায় তোলা নয়াচরণ পাড়ার কিছু হিসেবি ছবি।

(২) থান দুই পাড়া থেকে নেমে কিছুটা আসার পরই আমাদের নজরে আসে দৃষ্টি নন্দন রেমাক্রি খাল।

(৩) এমন চমৎকার লোকেশানে একটা গ্রুপ ছবি না তুললে ভ্রমণে একটা অপুর্ণতা থেকেই যাবে।

(৪/৫) রেমাক্রিকে পেছনে ফেলে আমরা ক্রমান্বয়ে উপরে নয়াচরণের দিকে এগিয়ে চললাম।


(৬) এক সময় আমরা পাড়ায় পৌছে গেলাম, আর আমাদেরকে অবাক দৃষ্টিতে দেখছে এক মুরং মহিলা।

(৭/৮) ক্লান্ত সবাই, তাই একটু জিরিয়ে নেওয়া।


(৯/১০) আমাদের দেখে শিশুরা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়।


(১১) কর্ম ব্যাস্ত প্রায় সবাই।

(১২)

(১৩)

(১৪/১৫) কিছু সময় জিরিয়ে আমরা এগিয়ে চললাম আমাদের সামনের গন্তব্যের দিকে ( গন্তব্য সাকা হাফং)।


(১৬) এই পাড়ায় এমন কিছু মহিলা আছে যারা এখনো উপরের অংশ অনাবৃতই রাখে।

(১৭) নয়াচরণ থেকে নেমে আসার সময় দেখা যায় নীয়ে আরো একটা ক্ষুদ্র গ্রাম।
পরিশেষ আমি বলবো এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি...............

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




