
হজ্জ করার চিন্তাটা মাথায় ছিলো বেশ কিছুদিন ধরেই, কিন্তু কি করে যেনো মাথায় এলো ওমরা হজ্জটা করে আল্লাহর ঘরটা আগে ভালোভাবে চিনে নেই। আমি যখন যেখানে যাওয়ার ব্যাপারে চিন্তা করি সেটা কোননা কোনভাবে বাস্তবায়িত হয়েই যায়। ইতিমধ্যে বড় ছেলের এসএসসি শেষ হয়ে গিয়েছে, একটা মওকা পাওয়া গেলো। স্বস্ত্রীক উড়ে গেলাম সোনার মক্কা-মদিনায়। ওমরা হজ্জ করার আগে পরে যথেষ্ট সময়ও পেয়েছিলাম, আর সেই সুযোগে মক্কা মদিনার কিছু ছবিও তুলেছি, সেটা নিয়ঐ আমার আজকের পোষ্ট.....

(২) পবিত্র কাবা ঘর তাওয়াফ করছেন হাজীগণ।

(৩) পবিত্র কাবা ঘর তাওয়াফ করার জন্য অস্থায়ীভাবে বানানো দোতালা ও তৃতীয় তলা পথ।

(৪) মসজিদ আল-হারাম এর ভেতরের ছবি।

(৫) হজ কিংবা ওমরা হজ, যেটাই করা হোকনা কেনো সাফা মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়ানো বাধ্যতামূলক। এখন আর সেই পাহাড় নাই, পাহাড়ের কিছু নিশানা রয়েছে যা বিল্ডিং এর ভেতরে। আর দৌড়ানোর পথটাও এইন এসি লাগানো বিল্ডিং এর ভেতরেই। এটা সাফা পাহাড়ের কিয়দাংশ এবং গ্লাস দ্বারা আবৃত।

(৬) এটা মারওয়া পাহাড়ের কিয়দাংশ, এটাও বিল্ডিং এর ভেতরেই, তবে এর ওপর দাড়িয়ে এবাদত করা যা। কোন এক ধরণের স্বচ্ছ আঠালো প্রলেপ দিয়ে একে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।

(৭) সাফা পাহাড় থেকে মারওয়া পাহাড়ে দৌড়ানোর পথ, এখানে চলতে কোনই কষ্ট এখন আর হয়না, কারণ এসি করা বিল্ডিং হওয়াতে খুব আরামেই এই কাজটা করা যায়। দৌড়ানো বলা হলেও এই পথে মূলত অল্প একটু দৌড়ানো লাগে বাকিটা হেটেই পার হতে হয়।

(৮) মক্কার পথে পথে প্রচুর জালালী কবুতর, যা দেখে পুণ্যার্থীরা মুগ্ধ হয়, আর ওদেরকে খাবার খাওয়ানোটাও সবাই বেশ মজার সাথেই করে।

(৯) যেকানে কবুতর সেখানেই কবুতরের খাদ্য বিক্রেতারাও অবস্থান করে।

(১০) মসজিদে হারামের প্রধান গেইট।

(১১) মসজিদে হারামের পাশেই সুউচ্ছ ১২০ তলা জমজম টাওয়ার।

(১২) এহরামের কাপড় পড়া অবস্থায় আমিও আমার দুই সঙ্গী, আয়েশা মসজিদের সামনে।

(১৩) পবিত্র হাজরে আসওয়াদে চুমু খাওয়ার জন্য হাজিদের অক্লান্ত চেষ্টা।

(১৪) অবসরে বেড়িয়ে ছিলাম মক্কা ঘুরে দেখতে তখন তোলা মক্কার রাজপথের একটা ছবি।

(১৫) ছাওর পর্বত, মক্কা থেকে মদিনা হিজরত করার সময় মাহানবী (সঃ) হযরত আবুবকর (রঃ) কে সাথে নিয়ে এই পাহাড়ের উপরে একটি গুহায় তিন রাত্র লুকিয়ে ছিলেন ইহা পবিত্র কাবা ঘর থেকে চার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এর উচ্চতা ৪৫৮ মিটার।

(১৬) exhibition of the two holy mosques architecture. (দুই পবিত্র মসজিদের স্থাপত্য প্রদর্শনী)..........এটা দেখলে সত্যিই ইসলামের অনেক প্রাচীন ইতিহাস ঐতিহ্য দেখা হয়ে যায়।

(১৭) মহানবী সা: -এর সাথে বিবি খাদিজা’র রা: বিবাহের পর থেকে তিনি কোন কোন সময়ে পরিবারসহ, বেশীরভাগ সময়ে একাকী হেরা পর্বতের গুহায় গিয়ে প্রার্থনা করা এবং ধ্যানমগ্ন হওয়া মহানবী সা: -এর পবিত্র অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। মিনার প্রায় কাছাকাছি এবং কাবা থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হেরাপর্বত (এটি জাবালে নূর বা জ্যোতির পাহাড় নামেও খ্যাত) ।

(১৮) রহমতের পাহাড়। আরাফাত ময়দানের মাঝে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে মুসলমানদের " রহমতের পাহাড়" । বেহেস্ত থেকে বিতারিত হওয়ার পর আদি পিতা হযরত আদম এবং এবং মা হাওয়া'র মিলনস্থলএটা। এই রহমতের পাহাড়ে দাঁড়িয়েই আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বিদায় হজ্জের ভাষণ দিয়েছিলেন ।

(১৯) মিনায় শয়তানের তিনটি প্রতীকি স্তম্ভ হাজিদের এখানে পাথর নিক্ষেপ করতে হয়।

(২০) হাজিদের থাকার জন্য মিনাতে রয়েছে হাজার হাজার তাবু।

(২১) মিনাতে দুইজন সৌদী প্রবাসির সাথে আমি ও আমার এক সঙ্গী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



