somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কক্সবাজার টু টেকনাফ, পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়ক।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ভ্রমণ বাংলাদেশ নামে আমাদের একটা টিম আছে। প্রতি বছর ডিসেম্বরে আমাদের এই সংগঠন টেকনাফ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত তিন দিনে সাগরের পাড় ধরে হাটে। আমিও দুইবার হেটেছি। আমার অনুভুতি ছিল এটা স্বর্গ, আর স্বর্গ সবাই দেখতে পায়না, কারণ হাটতে পারে কয়জন? এবার সেই স্বর্গ দেখার জন্য আর হাটার দরকার নাই। কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে গাড়িতে করেই পুরোটা দেখা যায়।

এটি ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়ক, যা বঙ্গোপসাগর এর পাশ দিয়ে কক্সবাজারের কলাতলী সৈকত থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি বর্তমানে পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়ক। ২০১৭ সালের ৬ মে এটি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
এই সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় ১৯৮৯ সালে। ১৯৯৩ সালে তৎকালীন সরকার ৪৮ কিঃমিঃ দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ প্রকল্প গ্রহণ করেন। তবে ২ কিঃমিঃ সড়ক নির্মানের পর এর কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং সড়কটি সাগরের প্রবল স্রোতে বিলীন হয়ে যায়। পরবর্তিতে ১৯৯৫ সালে এর নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু হয়। তখন এর নির্মান কাজের দায়িত্ব দেয়া হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে। মাঝে কয়েক বছর কাজ বন্ধ থেকে পুনরায় ২০০৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে এটির নির্মাণ কাজ পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এতে মোট খরচ হয় প্রায় ১,০৫০ কোটি টাকা। এর নির্মাণ কাজ ২০১৮ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এক বছর আগেই তা শেষ হয়ে যায়। এটির নির্মান কাজ চলাকালীন ২০১০ সালের ১৪ জুন পাহাড় ধসে নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছয় সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়।


(২) কক্সবাজারের শহরতলী পার হওয়ার পরই রাস্তার দুই পাশে সবুজের বন্যা দেখা যায়।


(৩) আরো কিছুটা পথ পারি দিলে কিছু নারকেল গাছের পরই দিগন্ত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।


(৪) হিমছড়ি পর্যন্ত বাম পাশে পাহাড় থাকায় এমন ছোট আকারের ঝর্ণার দেখা মেলে বেশ কয়েকটা।


(৫) মাঝপথে এমন একটা লোহার ব্রীজও রয়েছে এই পথে।


(৬) ডান পাশে সাগর আর বাম পাশে পড়বে এমন বেশ কয়েকটি ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র।


(৭/৮) সাগর আর আকাশ এক সাথে মিলেমিশে আছে।




(৯) গাড়ি থামিয়ে সাগরে নেমে তুলেছি এই ছবিটা।


(১০) এক সময় মেরিন ড্রাইভের শেষ মাথায় দেখা দেবে টেকনাফের পাহাড়।


(১১/১২) ছবির মতোই সুন্দর ছবি।




(১৩) বালির নিচে জেলেদের কূড়ে।


(১৪/১৫) মাছ ধরার পর, অলস নৌকাগুলো।




(১৬/১৭) টেকনাফের চমৎকার সবুজ পাহাড়গুলো।




(১৮) শুটকি শুকানো হচ্ছে।


(১৯) দূরে গ্রাম, কাছে নৌকা।


(২০) এটা নাফ নদী, ওপাশে মায়ানমার।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫
৪৫টি মন্তব্য ৪৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পেটে লাথি মারলে, স্লোগান তো উঠবেই !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৬


ভয়ের কিছু নেই। এখনো পরিস্থিতি খারাপ হয়নি । তবে সাধু সাবধান। দেশ জুড়ে স্লোগান দেওয়া শুরু হলে সবকিছু ভেঙে পড়তে খুব বেশি সময় লাগবে না।সরকার এখন ঢাকা সহ দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামের জ্ঞানদীপ : যুক্তির আরব্য-ফারসী নবযাত্রা প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য -৩য় পর্ব

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:১৭

জাতীয় জন্মসনদে ভুলের ভূত আর সাভারের জালিয়াতি চক্র: সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কি কোনোদিন থামবে না?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০০



আজ ৬ অক্টোবর, জাতীয় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে—‘নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন’। অথচ বাস্তবতা যেন এই স্লোগানের একদম উল্টো! সরকারি নথিতে যখন সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ, উদ্বাস্তু এবং রোহিঙ্গা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪২



দেশভাগের অনেক পরে আমার জন্ম।
আমি দেশভাগের ইতিহাস জানি। দেশভাগের পরে যা হয়েছে, অতি মন্দ সব ঘটনা ঘটেছে। লাখ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং হাজার হাজার নারী নির্যাতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এদেশে এখন শেখ হাসিনা প্রয়োজন- নাকি আমরা তাঁর সময়ের কিছু বাস্তবতাকে নতুন করে অনুভব করছি?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭


এদেশে এখন শেখ হাসিনা প্রয়োজন- নাকি আমরা তাঁর সময়ের কিছু বাস্তবতাকে নতুন করে অনুভব করছি?

একটা সময় ছিল- শেখ হাসিনার নাম উচ্চারণ করলেই কারও চোখে ক্ষোভ, কারও মনে শ্রদ্ধা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×