আজ কাল কিছু ফেসবুক পেইজে প্রবাসীদের স্ত্রীদের পরকীয়াকে এতটাই হাইলাইট করতেছে, মনেহয় দেশে থাকে এমন লোকদের কারো স্ত্রীরা পরকীয়া করেনা। পরোক্ষভাবে উনারা প্রমান করতে চান, পরকীয়া শব্দটির সাথে শুধু প্রবাসীদের স্ত্রীরাই পরিচিত, আর দেশে যারা থাকে তাদের স্ত্রীরা সবাই সীতাকুণ্ড মন্দিরের পূজারী / ঠাকুর! যত্তসব আবালের দল।
পরকীয়া করে যে নারী আরেকজনের হাত ধরে পালায়, লজ্জা কি শুধু একা ঐ নারীর হয়? পরিবার – সমাজ তথা দেশের মানুষের কাছে তার স্বামী/শ্বশুর বাড়ীর লোকজন কি লজ্জিত হয়না? মূল্যবোধের অভাবেই এমনটা হয়, যারা আত্ন মূল্যায়ন করতে পারেনা তারা নিজের ঘরের কথা বাহিরের মানুষকে জানায়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, সন্তানের কথা চিন্তা করে অন্যের সাথে পালিয়ে যাওয়া স্ত্রীকে আবার ঘরে তুলতে হয়। এ বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত, তাই এসব ব্যপারে খুব বেশি বাড়াবাড়ি না করে নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাই উত্তম।
প্রবাসে থাকা লক্ষ-লক্ষ সূর্য সন্তানদের প্রতি যথাযত সম্মান পদর্শন পূর্বক বলতেছি যে, প্রবাসীদের স্ত্রীদের পরকীয়া সংক্রান্ত নানা রকম পোস্ট দিয়ে আপনাদের সাথে সমবেদনা নয় – বরং তামাশা করা হচ্ছে। আমাকে - আপনাকে ছোট করে দেখা হচ্ছে। যুগের আবর্তনে আজ কাল পরকীয়ার পরিমান মাত্রাধিক, তাই বলে শুধু প্রবাসীদের স্ত্রীদের পরকীয়ার ঘটনাই কি আপনারা চোখে দেখেন? দেশে যারা থাকে তাদেরগুলো দেখেন না? প্রবাসীদেরকে সম্মান দিতে চাইলে এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা পর্দার আড়ালেই রাখা উচিত, ফেসবুকে এসব নিয়ে অতিরঞ্জিত না করে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করতে চেষ্টা করুন। আমাদেরকে আরো সচেতন হতে হবে, নিজের ভাল মন্দ নিজেকেই বুঝতে হবে, তাহলেই হয়তো সমাজে পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। আবালদের না বলুন, সচেতন হোন
আমরা সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশী
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



