ঘুম থেকে জেগে উঠা, চোখে-মুখে পানি দিয়ে সুমন হোটেলের সামনে। সিরাজের দোকানে চায়ে চুমুক দিতেই কোথাও কোন স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ বা রাস্তার উপরে তরতাজা প্রাণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার স্থিরচিত্র ধারণ করতে ছুটে চলা। তারপর সংবাদ লিখে আধমরা নের্টের মাধ্যমে পাঠানো। কখনো দেরি হলে অফিসের চোখ রাঙানি তো আছেই। যখন সূর্যখানি পূর্ব থেকে পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়ে, তখন 'দুপুরের খাবার' নামক শব্দ ব্যবহার করে মুখে তুলতে হয় 'ভাত তরকারী'।
সূর্য যখন দিনের আলো নিঃশেষ করে নিজের শরীরের লোম পর্যন্ত দেখতে না দেয়, ঠিক ভখন আবার বের হয়ে সুমনের সামনে। সহকর্মী বা সহমর্মীদের সাথে মা, মাটি, মানুষ নিয়ে আলোচনা, সমালোচনায় এগিয়ে যায় আড্ডা, চলে দিনের শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত। এর ফাকে মুঠোফোনে চলে প্রিয়সীর মতো মানুষদের সাথে আলতো করা বাক্য, বাক্যের মাঝে হাসি-তামশা। এভাবেই চলছে ইদানিংকার দিন যাপন। বড় বেশি গতানুগতিকতা আমাকে পেয়ে বসছে। আগে এক সময়, অন্য রকম অনুভূতিতে চলতো দিনের শুরু থেকে শেষ পযন্ত।
এটাই হয়তো এখনকার স্বাভাবিকতা। এভাবেই হয়ত চলবে আগামীর দিনগুলো। না হয় ভিন্নতা পেয়ে যাবে নতুনত্বের স্বাদ...
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




