ভয়াবহ এবং বাস্তব সমস্যা। Bangladesh
Railway টিকেট কালোবাজারি বন্ধে
২০১৭ সালেও আমাদের কোনো
ব্যবস্থা নেই বা নেয়ার কোনো
চিন্তা ভাবনাও নেই। ট্রেনের জন্য
পাগলপারা মানুষ। কিন্তু নেই সিট,
নেই টিকেট। এত চাহিদা পৃথিবীর
অন্য কোনো দেশে হলে তারা
প্লেনে করে রাতারাতি রেডিমেট
কোচ আর ইঞ্জিন নিয়ে আসত। দুর্ভাগ্য
আমাদের।
একটি প্রজেক্ট নিয়ে শুধু ঢাকা
কমলাপুর, বিমানবন্দর আর চট্টগ্রাম
স্টেশন যদি একেবারে সিল করে
দেয়া যেত, যেন বিনা টিকেটের
কোনো যাত্রী প্রবেশ করতে না
পারে, তাহলে রেলের আয় লাফিয়ে
লাফিয়ে বেড়ে যেত।
লক্ষ লক্ষ হাজার কোটি টাাকার
বাজেট হয়, কাজ হয়, কিন্তু সামান্য এই
কাজ করার মানসিকতা বা
চিন্তাভাবনা কিংবা আগ্রহ
কর্তৃপক্ষের নেই।
স্টেশন উঁচু আর সিল করার প্রজেক্ট
নিয়ে ফাইল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
টেবিলে পাঠিয়ে দেখুন তো, ফেরত
আসে কিনা। নিজেদের কারখানায়
কোচ বানাবার অর্থ চেয়ে ফাইল তাঁর
কাছে পাঠিয়ে দেখুন তো, তা ফেরত
আসে কিনা।
আমরা তো কথায় কথায় সরকার
প্রধানের দোষ ধরি, কটু কথা শুনাতে
বা বলতে কার্পণ্য করি না। কল্যাণের
নথি ফেরত এসেছে, এমন রেকর্ড তো
দেখিনি কখনো।
টিকেট কালোবাজারি বন্ধে পাইলট
প্রকল্প হিসেবে ঢাকা চট্টগ্রামের
অন্তত একটি ট্রেনের টিকেটে
যাত্রীর নাম ও বয়স যোগ করার কথা
আমরা বহুবার বলেছিলাম।
চিন্তাভাবনা করে দেখা হবে বলে
রেল ভবন থেকে বলাও হয়েছিল। সেই
টিকেট হস্তান্তরযোগ্য হবে না।
টিকেটধারী যাত্রীকে যাত্রার সময়
পরিচয় প্রমাণের জন্য যে কোনো
একটি আইডি সাথে রাখতে হবে।
তাহলে আর ব্ল্যাকারের টিকেট
হাতবদল হত না। সে সাথে ইটিকেটের
কোটা বাড়িয়ে ৫০% করে দিলেই হত।
কাউন্টারে ভিড় কমে যেত।
২০১৭ সাল, কিছু তো একটা শুরু করা
দরকার। অন্তত ট্রায়াল এন্ড এরার
বেসিস। ভারতে এইভাবে দিব্যি
চালিয়ে দিচ্ছে তারা। আমরা কেন
পারব না!!!
শুরু তো করুন।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




