somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এক
গত ০২ ও ০৩ নভেম্বর ২০১২ তারিখে যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’- 'Bangladesh Out of the basket'এবং"The path through the field- Bangladesh has dysfunctional politics and a stunted private sector. Yet it has been surprisingly good at improving the lives of its poor" শিরোনামে দু’টি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করা হয়। বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রয়েছে অকার্যকর রাজনীতি এবং অনিয়ন্ত্রিত বেসরকারি খাত। তা সত্ত্বেও দরিদ্র শ্রেণীর জীবনমান বাড়াতে বিস্ময়করভাবে এগিয়ে চলেছে দেশটি। অথচ সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এক সময় বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলেছিলেন। আশার কথা, হেনরির দেশেরই পত্রিকা বলছে, এখন সেই তলাবিহীন ঝুড়িই ধীরে ধীরে উন্নয়নে ভরে উঠছে।

দুই
প্রিয় দশদিক মিডিয়ার পাঠক বন্ধুরা, এবারের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শুরুতেই দ্য ইকোনমিস্ট’- এর প্রতিবেদনের চুম্বক অংশ তুলে ধরছি।
মানিকগঞ্জের শিবালয় গ্রাম। বছর বিশেক আগেও এখানে ছিল কেবল ফসলের ক্ষেত। সরু রাস্তার যান ছিল শুধুই বাইসাইকেল। এখানে-ওখানে চরে বেড়াতো অল্প কিছু গবাদি পশু। ২০ বছর পর আজ গ্রামটিতে গেলেই চোখে পড়ে বিরাট ইটের ভাটা। রাস্তা দিয়ে একটু পর পর ছুটে চলেছে গাড়ি, মোটরসাইকেল।

গবাদি পশুর পাল চোখে পড়ে একটু পরপর। প্রযুক্তির ছোঁয়া চোখে পড়ে জনজীবনে। সব মিলিয়ে, একটা পরিবর্তনের আভাস যেন স্পষ্ট।

বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ের এদেশে বেশি খনিজ সম্পদ নেই, নেই প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যও। ১৯৪৩ ও ১৯৭৪ সালে দেশটিকে মুখোমুখি হতে হয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের। এরপর ১৯৭৫, ১৯৮২ ও ২০০৭ সালের তিন তিনবার সামরিক অভ্যুত্থান। আর বিরামহীন রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তো আছেই।

কিন্তু এরপরও দেশটির গত ২০ বছরের চিত্র বিশ্লেষণ করলে অন্য কিছু ধরা পড়বে চোখে। ১৯৯০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ১০ বছর বেড়ে ৫৯ বছর থেকে ৬৯ বছর হয়েছে, যা ভারতীয়দের চেয়ে ৪ বছর বেশি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, শুধু ধনীদেরই নয়, গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে হতদরিদ্রদেরও। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের দিকে তাকালেও দেশটির চমকপ্রদ কিছু অর্জন চোখে পড়বে। যেমন- ২০০৫ সালে ৯০ শতাংশের বেশি মেয়ে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য ভর্তি হয়, যা ছেলেদের চেয়েও বেশি।

২০০০ সালে এ সংখ্যা অর্ধেক ছিল। ১৯৯০ সালে শিশু মৃত্যুর হার ছিল প্রতি হাজারে ৯৭ জন, আর ২০১০ সালে এ সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ৩৭ জনে।

একই সময়ে মাতৃত্বকালীন উচ্চ মৃত্যুহার নেমে এসে প্রতি লাখে মাত্র ১৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে। নারীদের গড় আয়ু যেখানে ছিল পুরুষদের চেয়ে এক বছর কম, সেখানে তাদের বর্তমান গড় আয়ু পরুষদের চেয়ে দুই বছর বেশি।


স্বাধীনতার পর প্রথম দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতি মাত্র দুই শতাংশ বৃদ্ধি পায়। কিন্তু নব্বই দশকের পর থেকে এই বৃদ্ধির হার স্থায়ীভাবে ৫ শতাংশের উপর রয়েছে। ফলে যেখানে ২০০০ সালে দারিদ্র্যের হার ছিলো ৪৯ শতাংশ, সেখানে ২০১০ সালে তা মাত্র ৩২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

তিন
এই অভূতপূর্ব উন্নতির জন্য চারটি কারণকে চিহ্নিত করেছে দ্য ইকোনোমিস্ট।

(ক). পরিবার পরিকল্পনা ও নারীর ক্ষমতায়ন। ১৯৭৫ সালে যেখানে নারীর গড় সন্তান ধারণের হার ছিল ৬ দশমিক ৩ জন, সেখানে ১৯৯৩ সালে এসে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৪ জনে। আর বর্তমানে সন্তান ধারণের হার মাত্র ২ দশমিক ৩ জন, যা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য আদর্শ হারের একেবারে কাছাকাছি।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান আলাদা হওয়ার সময় দু’দেশেরই জনসংখ্যা ছিল সাড়ে ৬ কোটির মতো। আজ পাকিস্তানের জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি এবং বাংলাদেশের ১৫ কোটি। এর পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন দারিদ্র দূর করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সরকারের চেষ্টায় নারীশিক্ষার হার বিস্ময়করভাবে উন্নত হয়েছে। একই সাথে গত ২০ বছরে বস্ত্রশিল্পের ব্যাপক উন্নতি ও ক্ষুদ্রঋণের কল্যাণে শতভাগ উপার্জনক্ষম হয়েছেন নারীর।
(খ). অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতো কৃষি শিল্পের ধস নামেনি বাংলাদেশে, যা দেশটিকে চূড়ান্ত দারিদ্র্যের হাত থেকে রক্ষা করেছে। এমনকি চলতি বছর খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে দেশটি। অথচ ২০ বছর আগে এ দেশেরই মোট জনসংখ্যার তিনভাগের অন্তত একভাগ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতো।

২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে দুইবার ঘূর্ণিঝড় বয়ে গেছে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে, তিন দফায় খাদ্যের দাম বেড়েছে বিশ্বব্যাপী। সে সময় অনেকেই ভেবেছিলেন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এবার ধস নামবে। কিন্তু তেমন কিছুই হয়নি।

(গ). বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে সারা বিশ্বে কর্মরত প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশী। ২০১২ সালের জুন মাসে শেষ হওয়া অর্থবছরে তারা প্রায় ১৩০০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স পাঠান দেশে, যা দেশটির মোট আয়ের ১৪ শতাংশ। এসব প্রবাসীর একটি বড় অংশের নিবাস বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে। তারা নিজেদের পাশাপাশি নিজেদের পরিবারকেও স্বাবলম্বী করেছেন, যার ফলে বিদেশ থেকে আসা টাকা জমিয়ে দেশেও কৃষি কিংবা কুটির শিল্প গড়ে তুলছেন অনেকে। সারা বিশ্বে গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মান যেখানে নিম্নমুখী হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশে গ্রামীণ জীবনযাত্রার মান সবসময়ই বৃদ্ধির দিকে।

(ঘ). বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ও ক্ষুদ্রঋণ বরাবরই বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রাখতে ব্যতিক্রমী ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশ থেকেই শুরু হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও ব্র্যাক। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ কোন না কোনভাবে ব্র্যাকের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে। আর তাদের পরিপূরক হিসেবে কাজ করেছে গ্রামীণ ব্যাংক। মানুষকে ক্ষুদ্র সঞ্চয় ও বিনিয়োগে তারা ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করেছে, যার ফলে আজ গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা প্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা সাড়ে ৮ কোটি। ব্যাংকটি এ পর্যন্ত ঋণ দিয়েছে ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি। এই ব্যাংক বাংলাদেশকে এনে দিয়েছে বিশ্বের সর্বোচ্চ সম্মান নোবেল পুরস্কার।

অপরদিকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি থেকে শুরু করে প্রতিটি খাতে অবদান রেখে ব্র্যাক বাংলাদেশের জন্য অনেকটা স্যামসাং গ্রুপের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতেও স্যামসাংয়ের অবদান অনুরূপ। এছাড়াও ছোট-বড় কয়েক হাজার এনজিও অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান যোগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্ত হাতে ধরে রেখেছে।

বড় ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদ, আধুনিক শিল্পের প্রসার ছাড়াও যে একটি দেশ স্বাবলম্বী হতে পারে, বাংলাদেশই তার প্রমাণ। দেশটির সবচেয়ে বড় সম্পদ তাদের মানবসম্পদ। সারা বিশ্বে যেখানে গ্রামগুলো অধিক উপার্জনের জন্য ধীরে ধীরে শহরে পরিণত হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ গ্রামকেই বেছে নিয়েছে উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে। এর ফলে সবসময় মজবুত থেকেছে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি।

তবে রাজনীতির কালো হাত বারবার দেশেটির উন্নতিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্নীতির ব্যাপক প্রসারের ফলে প্রতিটি খাতই কুক্ষিগত হয়ে পড়েছে নির্দিষ্ট কিছু শক্তির হাতে। তারপরও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সব উপেক্ষা করে যেভাবে দেশটির উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে, তাতে বলা যায়, রাজনীতি আর দুর্নীতির প্রকোপ থেকে মুক্তি পেলে দেশটি চীন কিংবা ভারতের মতোই দ্রুত স্বাবলম্বী হয়ে এগিয়ে যাবে।

চার
প্রিয় পাঠক, দ্য ইকোনমিস্ট’- - 'The path through the field, প্রতিবেদনের শেষ কথা ছিল Bangladesh is still poor and crowded. With the lowest labour costs in the world (textile workers make about $35 a month) it should be growing faster than China, not more slowly than India. It is badly governed, stifled by red tape and faces severe environmental problems. But in terms of the success of its grass-roots development, it has lessons for the world. সত্যিই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মাথা উচু করে দাঁড়াতে পেরেছে।

পাঁচ
গোলা ভরা ধান, সবুজ ভরা মাঠ, গোয়াল ভরা গরু, পুকুর ভরা মাছ, আকাশ ভরা নীল, শালুক ফোটা দিঘী...এমনটাই ছিল আমাদের সোনার বাংলার অবয়ব। সূর্য উঠত, পাখি গাইত, সূর্য ডুবত, তারায় ভরে যেত রাতের আকাশ, মায়েরা ঘুম পাড়ানি গান গাইতেন ‘আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা....।’ মায়ের বুকে মুখ গুঁজে নিশ্চিন্ত ঘুম দিত সোনামণিরা। আঙ্গিনায় দাদীকে ঘিরে নাতি-নাতনির গল্প শোনার আসর, ভোমরার গুনগুনানি, নদীর বুকে ভাটিয়ালী সুর, কতই না মধুর!

ছয়
হ্যাঁ, প্রিয় পাঠক, আজ এসব অতীত হয়ে যাচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ৬ জুন দি ফাইনান্সিয়াল টাইমস পত্রিকায় প্রখ্যাত সাংবাদিক কেভিন র‌্যাফার্টি এক প্রতিবেদনে লিখেছিলেন, “বাংলাদেশ ইজ দ্য এন্ড অব দ্য গ্রেট ডেভেলপমেন্ট ড্রিম।” অর্থাৎ বাংলাদেশ উন্নয়নের মহান স্বপ্নের সমাপ্তি। অথচ এখন আর সেই দিন নেই। বদলে যাচ্ছে দেশ। স্বাধীনতার ৪২ বছর পেরিয়ে নানা ঘাত-প্রতিঘাত অতিক্রম করে নিরন্তর এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।

শেষ কথা
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে আমরা হানাদার পাকিস্থানী বাহিনীকে রুখে দাঁড়িয়েছিলাম। ২৫ মার্চ কালরাত্রির গণহত্যায় স্বজন হারানোর শোক আর রক্ত ঝেড়ে ফেলে জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা রক্ষায় অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। অসীম সাহসী মুক্তিযোদ্ধারা ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশ। লাখ লাখ মানুষের অপরিসীম ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়েই আজ আমরা এক স্বাধীন দেশের গর্বিত নাগরিক। স্মরণ করি জানা-অজানা শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ঐতিহাসিক অবদান। মুক্তিকামী জনতার আকাক্সক্ষা পূরণে আবারও সমগ্র জাতি নতুন করে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবে এবারের স্বাধীনতা দিবসে। বিজয়ের তেতাল্লিশে দাঁড়িয়ে আমরা এখন। এখন শুধুই স্বপ্ন দেখতে হবে এগিয়ে যাওয়ার।

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×