প্রচীন যুগ এ অনেক রুপকথার কথা আমি শোনছিলাম যে তখন রাজার কন্যাকে বিয়ে করার জন্য অনেক রকমের প্রতিযোগিতার করতে হতো কিন্তু বর্তমান যুগে যে আমাদের যোগাযোগমন্তী যেভাবে হলেন তাতে রুপকথাকে হারমানায় কারন আমাদের রুপকথার গল্পে অনেক প্রতিয়োগি ছিল কিন্তু আমাদের যোগাযোগমন্তী জিতেছিলেন মাত্র ৩ জন এর সাথে প্রতিযোগিতা করে কি সুন্দর ই না সে সব কাহিনী সাংসদ রনি সে কাহিনী এভাবে বলতে থাকেন,
‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন বিরোধীদলীয় নেত্রী ছিলেন, সম্ভবত ২০০৫, ’০৪, ’০৬ সালে, তখন তিনি একবার চীন ভ্রমণে গেলেন। সেখানে হ্যাংঝো প্রদেশে ওয়েস্ট লেক আছে। আপনারা জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর মধ্যে একটা সরলতা কাজ করে। অনেক সময় তিনি গান শুরু করেন, আলাপ-আলোচনা করেন, একটা পারিবারিক আবহ সৃষ্টি করেন। ওয়েস্ট লেকের ওই পরিবেশে গিয়ে হঠাত্ তার কী যে মনে হলো, তিনি বলেন যে, ‘একটা বাঁশি ম্যানেজ করো তো। যেভাবেই হোক একটা বাঁশি ম্যানেজ করা হলো।’
সাংসদ রনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর (শেখ হাসিনা) সঙ্গে সাবের হোসেন চৌধুরী ছিলেন, ওবায়দুল কাদের ছিলেন এবং সৈয়দ আবুল হোসেন (বর্তমান যোগাযোগমন্ত্রী) ছিলেন।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে রনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘আমি বাঁশিতে একটা ফুঁ দেব। তোমরা তিনজন দৌড় দেবে। দৌড়ে যে ফার্স্ট হবে, তাকে আমি মন্ত্রী বানাব।’"
বর্ণনা করে চলেন রনি, এখন যেহেতু প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তাই ওবায়দুল কাদের, সাবের হোসেন চৌধুরী উনারাও ...দৌড় দিলেন। কিন্তু সৈয়দ আবুল হোসেন টুক ইট ভেরি সিরিয়াসলি। সে জোরে দৌড় দিল, দৌড় দিয়ে সত্যিই সে ফার্স্ট হলো। ফিরে এসে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বলছেন, ‘আপনি আমাকে কমিটমেন্ট করেছেন, আমাকে মন্ত্রী বানাতে হবে এবং যোগাযোগমন্ত্রী।’"
এই হলো তাঁর যোগাযোগমন্ত্রী হওয়ার সত্যিকার ইতিহাস। এর বাইরে যা কিছুই বলেন, ‘ইটস নট দ্য রিয়েলিটি’ (কিছুই সত্য না)। আমরা তো কাছাকাছি থাকি, অনেক জিনিসই জানি।
গনতান্ত্রীক দেশ এ যে দৌড় এ জিতে যোগাযোগমন্তী হওয়া যায় প্রথম শোনলাম সুন্দর গল্পটি। অথচ শেখ হাসিনা বলেছেন - আমরা তাদের মন্ত্রী বানিযেছি যাদের টাকা আাছে টাকার প্রতি কোন লোভ নেহ। আর এহ হল সেহ গল্প। দৌড় খেলায় প্রথম হলে মন্ত্রী করবে এটা কিভাবে ঘোষনা করেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী, তাহলে আমরাও অংশগ্রহন করতে চাই.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


