
ঈদের সকালে দেখি আকাশের মন খারাপ! হায় হায় এই আনন্দের দিনে তার মন খারাপ কেনো? জিগাসা করতেই শুরু করলো ফেচ ফেচ কান্না! এমন রাগ হলো! কিন্তু ঈদের দিন রাগ করে থাকলে আমার কি চলবে!!! তাই সুফিয়ার বানানো ফুলকো লুচি, মাংসের ঝোল, সেমাই, ফিরনী দিয়ে নাস্তা খেয়েই শুরু হলো আমার সাজুগুজু......
তারপর দুপুরে যে সব গেস্টরা আসবে তাদের জন্য খানাপিনা সাজালাম ..... অবশ্য সুফিয়া কুটনো কোটা, দিলজান মশলা বাটা,মঞ্জুরা বাসন ধোয়া, রাসতুবা মাছ মাংস কাটাকুটি সব করার পরে ফাইনালী মাতবরী নান্না বান্না আমিই করেছিলাম।

এই যে সোনার থালায় সাজিয়ে দিলাম পোলাও কোরমা, রোস্ট ঘোস্ট, রুপচাঁদা, চিংড়ি টিংড়ি সব খাদ্য খানা!!!!!

এটা সর্ষে ভাঁপা চিংড়ি কারী

পোলাও আর রোস্ট


উফ আর লিখতে পারবোনা এত ঝামেলা করে। বাকীগুলো নিজেরাই দেখে নাও!!!!!!













ঈদের পরদিন দুপুরবেলা .....





২০০৮ যে বছর থেকে আমার এই ব্লগে পথ চলা সে বছর থেকেই আমার এই ঈদসংখ্যা চলে আসছে। মানে আমি লিখছি আমার ঈদ আর ঈদের আনন্দ নিয়ে। সে আমলে অনেক অনেক পাঠক ছিলো, দর্শক ছিলো, লেখক-লেখিকা ও সমালোচক, প্রশংসাকারী ও নিন্দুক ছিলো। আমার গুনমুগ্ধ অতি ভালোবাসার আজীবন অদেখা কিন্তু খুব কাছের আপনার চেয়ে আপন কিছু মানুষও ছিলো। আর ক্যাচালবাজ! সে তো সকল যুগে সকল কালের এক বৈশিষ্ঠবাহী সমাজের অঙ্গ! সেই সময়টাতে ক্যাচালবাজ ও ক্যাচালবাজীর সাথে আমার খুব কম পরিচয় ছিলো। তবে কালের পরিক্রমায় আমিও শিখে গেলাম হাউ টু কন্ট্রোল ক্যাচালবাজ উইথ শক্ত হ্যান্ড/ লেগ/ ঝাটা/ লাঠি এবং সবচেয়ে মজার ওয়ে ঠান্ডা মাথায় ডান্ডা মেরে মাথা খাটিয়ে সে সব চুনোপুটিদেরকে ঝেটিয়ে দেবার প্রক্রিয়া!
কিন্তু হায়! সারাজীবন এক রকম যায় না। আজ আর নেই সে জৌলুস। নেই হাজারও চন্দ্র, সূর্য্য, তারকারা এই ব্লগ ভূবনে। নিভু নিভু করেও
যে টিমটিমে বাতিখানা জ্বালিয়ে আমরা ক,জন ধরে রেখেছিলাম এই প্রিয় স্থানটিকে সেটুকুও আজ হারাতে বসেছি। আমি ভিপিএন ছাড়া আর ঢুকতে পারিনা ব্লগে। এই দুঃখে আমার অনলাইন একটিভিটই কমে গেছে। আমার আর ভালোই না কোনোকিছুই অনলাইনে।

আমার বানানো টেরারিয়ামে আমার সাজানো টেবিল...

আমার প্রিয় অপ্সরা নৃত্যপটিয়সী.....
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা.......
পোস্টখানা আমার প্রিয় আর্কিওপটেরিক্স ভাইয়াজান ওরফে আর্কিমিডিস ভাইয়াকে উৎসর্গীত হইলো .......
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



