বাংলা একাডেমীর ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যবসা সফল প্রকাশনা হিসেবে ঊহমষরংয-ইবহমধষর উরপঃরড়হধৎু [ইংলিশ][/ইংলিশ]-কে ধরা হয়। একাডেমী কর্তৃপক্ষের দাবি, বইটির আবেদন প্রতিবেশী দেশ ইনডিয়ার পশ্চিম বঙ্গেও রয়েছে। কিন্তু এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নানান ব্যাখ্যাহীন কারণে অভিধানটির একটি নির্ভুল সংস্করণ একাডেমী কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করতে পারেনি।
একাডেমীর নতুন মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ বলেছেন, নতুন দায়িত্ব নিয়েছি, তাই এটা বলতে পারবো না এতোদিন এটার সংস্করণ কেন হয়নি। হয়তো অভিধানটির কাটতি বেশি থাকার কারণে সংস্করণের দিকে আগের কর্তৃপক্ষ তেমন মনোযোগ দিতে পারেননি। আমি জাতিকে একটি নির্ভুল সংস্করণ উপহার দিতে চাই।
জানা গেছে, অভিধানটির সম্পাদক ড. জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীকে বাদ দিয়ে পছন্দের লোক দিয়ে অভিধানটি সংস্করণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং এ কমিটি অভিধানটির ভুলত্রুটির একটি তালিকাও একাডেমী কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে অভিধানটির সম্পাদক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীও অভিধানটির দৃষ্টিকটু ভুলগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে রেখেছেন বলে স্বীকার করেছেন। কিন্তু অভিধানটির সম্পাদককে বাদ দিয়ে এটার সংস্করণ করতে গেলে ইন্টেলেকচুয়াল রাইটস প্রপার্টি আইন নিয়ে ঝামেলা হতে পারে, এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিলেন একজন সাবেক মহাপরিচালক। আর এ টানা হেচড়ার কারণে বেশ কিছু অনাকাক্সিক্ষত ভুল নিয়েই একাডেমী কর্তৃপক্ষ ৩০ বার রিপ্রিন্ট করলেও অভিধানটির শুদ্ধ সংস্করণ জাতিকে উপহার দিতে পারছেন না। প্রফেসর জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী নিজেও স্বীকার করেছেন, অভিধানটির বেশ কিছ ভুল তার চোখে পড়েছে।
পাঠের পর দেখা গেছে, ব্যবসা-সফল এ অভিধানটি জন্ম থেকেই কম বেশি ৩৪ প্রকার ভুল-ব্যামোতে ভুগছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে অভিধানটির কম বেশি ১২ শতাধিক ভুক্তি ও উপভুক্তি পদগত সমস্যায় আক্রান্ত। এসব ভুক্তি-উপভুক্তির পদ-পরিচিতি দেয়া হয়নি। তাই একজন তরুণ শিক্ষার্থী বুঝতেই পারবে না ধৎনড়ৎরপঁষঃঁৎব, নড়ঃযবৎংড়সব, পধষষবৎ, ফবাধষঁধঃরড়হ, বফরঃড়ৎ, ভৎরংশরষু, মষধুরবৎ, যড়পশবু ংঃরপশ, রৎৎরমধঃরড়হ, লধননবৎবৎ, শরফহধঢ়ঢ়বৎ, ষরঃবৎধৎু, সধহরধপ, হবঁঃৎধষরঃু, ড়ভভরপরধষফড়স, ঢ়রমমবৎু, য়ঁধফৎধহমঁষধৎ, ৎধমফধু, ংঢ়ধহশরহম, ঃযধহশষবংং, ঁহধংংঁসরহম, ারধনষব, বিধাবৎ, ুড়ঁহমষরহম, ুরহপড় ইত্যাকার শব্দ বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম নাকি ক্রিয়া-বিশেষণ।
[ইংলিশ][/ইংলিশ]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




