
এইতো সেদিনের ঘটনা।
একজন এমবিএ'র ছাত্রী তার ড্রাফ্ট থিসিসে সুপারভাইজারের কাছ থেকে "মেজর কারেকশান" পেয়েছে। সকাল থেকে কান্নাকাটি করে অস্থির, চোখ-টোখ এক্কেবারে ফুলে-টুলে একাকার। সেদিকে আমি সারাদিনে একবার ফিরেও তাকালাম না, ভ্রূক্ষেপ করা তো দূরের কথা!
বিকেলের দিকে সে আমার কাছে দেখা করতে এল। বেচারী কিছু একটা বলে শুরু করতে চাচ্ছিলো। আমি বললাম― এই দাঁড়াও দাঁড়াও, তুমি কি চোখ বন্ধ করে আছো?
সে ভড়কে গেল। তাকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে আবারও বললাম― ও আচ্ছা, তোমার তো এমনিতেই চায়নিজ চোখ, তারপর আবার ভয়ংকর কান্নাকাটি করায় সেটাও দেখা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে তুমি চোখ বন্ধ করে আছো।
মেয়েটা ফিক করে হেসে দিল। হয়তো মনে মনে ভাবল, এই রকম "ঘাড়-ত্যাড়া" ফাজিলমার্কা সুপারভাইজারের কঠিন হৃদয় অন্তত চোখের পানি দিয়ে গলানো যাবে না।
এরপর ব্যাপারটার যথাযথ প্রতিপাদন করতে তাকে একটা মিনিট দশেকের দাবড়ানি দিলাম, আর তাতেই মনে হয় কাজ হল।
ঘটনার এক মাসও হয় নাই, কিন্তু আজ সে থিসিস জমা দিচ্ছে।
অভিনন্দন তাকে।
❝Properly used, positive reinforcement is extremely powerful.❞
― B. F. Skinner
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




