somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সালাহ উিদ্দন খান পলাশ
আজ আমার বয়স ২০। আজ যে ছেলেটা জন্মাবে সে ২০ বছর পর এই দেশটাকে যাতে ঠিক মত এগিয়ে নিতে পারে তাই আমরা জীবন দিয়ে গেলাম। স্বাধীনতার জন্য সামান্য একটা জীবন দিয়ে গেলাম - রুমি

ব্যাঙ্গালোর-কাছ-দূরে থেকে দেখা শহর

০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার যৌবনরে রঙ্গণি সময় গুলো অতবিাহতি হয়েছে এই শহরে.. .. .., সুপ্রয়ি ব্লগারগণ আমি আপনাদরে উদ্দ্যেশে আমার অনুভূতি গুলো ভাগ করে নবে এই লেখায় ।
আশাকরি সাথে থাকবনে--------------
যেভাবে শুরূ

উচ্চ মাধ্যমকি পাশ করার পর ভারত সরকাররে বৃত্তি পলোম । পরিবারের সবার উপদেশে নিজ বাসভূম ছেড়ে পরদেশে যাবার সমস্ত আয়োজন করে... ভারমুক্ত হলাম । আমার বাবা/মায়রে ন্বপ্ন ছেলে উচ্চশিক্ষিত হবে, মানুষ হবে ।
যাবার দিন এসে গলে..মা/বাবার দোয়া,সবার উপদশে মালা নিয়ে এয়ারর্পোট এ হাজির হলাম..সাথে মা/বাবা ছলি .যখন বিদায় র্মূহূত এসগেলে মা’র চোখের দিকে তাকাতে পারছিলাম না । তার একমাত্র নাড়ি ছেড়া ধনকে বিদায় দিতে হয়তো তার প্রচুর কষ্ট হচ্ছলি..বাবা সাবলিল ছিলেন..
যতারীতি ইমগ্রিশেন সম্পন্ন করে, বোডিং পাস নিয়ে বিমানে আরোহন করলাম. আমার ফ্লাইট ঢাকা-কোলকাতা, কোলকাতা-ব্যাঙ্গালোর ।
বিমান উড্ডয়ন করার পর..জানালা দিয়ে দেখছিলাম আমার দেশের অপার-রূপ,মন গাইছিলো এমন দশেটি কোথাও খুজে পাবে নাকো তুমি..সত্যিই আমার তাই মনে হয়ছিলো..
৪৫ মি: র্জানি শেষ করে দমদম এয়ার্রপোটে আমার কানকেটিং ফ্লাইটের জন্য অপক্ষো করছিলাম...
ওরা যতই বাংলা বলুক আমার বারবার মনে হচ্ছিল এই মাটি,মানুষ কিছুই আমার না । আমি ছেড়ে এসেছি আমার মা,মাটি,মানুষ কে ।
আমার শিক্ষার তির্থস্খান ব্যাঙ্গালোর পৌছলাম রাত ১১.৩০ মি: । আমার পরিচিত কেউ ছি্ল না । তাই যাবার আগে আমার ইন্সষ্টিটিউট এর কো-অরডিনেটর কে ফোন করে সব ডিটেইলইস বলেছিলাম ।আমি-বিবেকানন্দ ইন্সষ্টিটিউট অব টেকনোলোজি -বিশ্বশ্বরাইয়া টেকনিক্যাল ইঊনিভাসিটি'র , ব্যাচেলর অব ইনজিনিয়ারিং ইন কম্পিউটার সাইন্স এর ছাত্র ছিলাম । উনি আমাকে এয়ারর্পোট এ রিসিভ করে হোটেলে নিয়ে গেলেন । হোটলে অশোকা-ইন । উনি আমাকে সব কিছু ভালভাবে বুঝিয়ে-সকালে ইন্সষ্টিটিউট এ দেখা হবে বলে চলে গেলেন । আর বলে গেলেন কেমন করে আমাকে ইন্সষ্টিটিউট এ যেতে হবে । আজ এতদিন পরেও উনি আমার স্মৃতিতে অম্লান ।

চলবে... ..
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অধঃপতন

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ২:৪৪



কারিনা কায়সার এখন জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছেন। একটা তরুণ মেয়ে। বয়স ত্রিশের আশেপাশে। একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। আরেকটা বড় পরিচয় হলো তিনি বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের কিংবদন্তি খেলোয়াড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

শততম পোস্টে আমিই একমাত্র ব্লগার

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১২ ই মে, ২০২৬ সকাল ৮:৩৫

আমার শততম পোস্টে আজ আমিই একমাত্র ব্লগার। জানালা দিয়ে পশ্চিমের স্বচ্ছ আকাশে শুকতারা দেখছি।
নিউইয়র্ক সময় অনুযায়ী এখানে রাত ১০.৪৬ মিনিট, তারিখ ১১ই মে ২০২৬
তাপমাত্রা +৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস
বাংলাদেশ তারিখ ১২ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৪৬ঃ দ্যা গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং

লিখেছেন কিরকুট, ১২ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:০৬

১৯৪৬ সালের আগস্ট। ব্রিটিশ ভারত তখন স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। কিন্তু স্বাধীনতার স্বপ্নের ভেতরেই জমতে শুরু করেছে বিভাজনের কালো মেঘ। ধর্ম, রাজনীতি ও ক্ষমতার হিসাব এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের দিকে এগোচ্ছিল। সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।

রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।

ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।

ওসবে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া, সতেজ, অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×