আমি অত্যন্ত অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য করছি যে, বর্তমান সরকার স্বাধীনতার পক্ষের হওয়া সত্ত্বেও কেন জামাতকে নিষিদ্ধ করতে এতটা সময় নিচ্ছে। আদালতের রায় অনুযায়ী জামাত একটি প্রাতিষ্ঠানিক যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে গেছে। তাঁর পরেও কোন কারনে এতটা কালক্ষেপণ? বি, এন পি তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করতে পারেনি জামাত সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে। এতা মোটামুটি জাতির কাছে পরিষ্কার যে তারা কোন ঘরানার?
কিন্তু আওয়ামীলীগ এর কেন এতটা শ্লথ গতি? ব্যাপারটা এখনি পরিষ্কার হওয়া দরকার। এই শ্লথ গতির কারনে যদি কাল আরেকটি তরুন তাজা প্রান আমরা হারাই, তবে তাঁর দায় কি সরকার এরাতে পারবে? দিনের পর দিন জামাত যেভাবে পুলিশের উপর, জনগনের জানমালের উপর আঘাত করছে তাতে একটি গনতান্ত্রিক সরকার কিভাবে নিশ্চুপ থাকতে পারে তা আমার কাছে বোধগম্য নয়।
গতকাল শ্রদ্ধেয় মুন্তাসির মামুন সারের সংবাদ সম্মেলন দেখছিলাম। সেখানে তিনি এবং উপস্থিথ সকলেই একটি বিশয় বার বার উত্থাপন করেছেন যে, তাদের পক্ষ থেকে আইন মন্ত্রণালয়কে বিচার প্রক্রিয়ার নানা বিষয়ের অনঙ্গতির ব্যাপারে জানানো হলেও আইন মন্ত্রণালয় তাতে কোন কর্ণপাত করছেন না। ব্যাপারটা আসলেই ভাবনার খোরাক যোগায়। প্রশ্নের উদ্রেক করে সরকারের সত্যিকারের অবস্থানটি আসলে কোথায়।
শুধু রাজীবের বাড়িতে যেয়ে আহা উহু করলেই, কিংবা লাশের কফিনে সুসজ্জিত ফুলের ডালা দিয়ে সরকার এই দায় এড়াতে পারে না। সরকারকে, অনতিবিলম্বে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে এই সকল দেশ দ্রোহীদের বিরুদ্ধে। তবেই এই জাতি ও শহীদ রাজিব এর আত্মা শান্তি পাবে। আর এর বিপরিত হলে, জাতি আজ যেই দ্রহের আগুনে জ্বলছে, তাঁর লেলিহান শিখার তপ্ত স্পর্শ শুধু জামাতকেই ভস্ম করবে না, সেই সাথে তাদের সহযোগীদেরও নিশ্চিহ্ন করে দেবে। আর এটাই যুগে যুগে ইতিহাসের শিক্ষা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




