somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আর্তনাদ

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১২:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক. সূত্রপাত
বিরান এক প্রান্তরে আমি গুলিবিদ্ধ হই।
ফেলে রেখে যায় ওরা আমাকে।
আমি বুঝতে পারছি না আমি কি মরে গেছি না বেঁচে আছি।
গায়ে চিমটি কাটার চেষ্টা করি। না পারি না।
সমস্ত শরীর যেন পাথর হয়ে আছে।
তবুও পাশ ফেরার চেষ্টা করি। পারি না।
পিঠের নিচে ভেজা আঠালো পদার্থ জব জব করছে।
আমি অনুভব করছি, তীব্রভাবে আমার ভেতর একটা অস্বস্তি চাউরে উঠছে।
তাহলে কি আমি মারা যাই নি?
একজন মৃত মানুষ কি কোন কিছু অনুভব করতে পারে?
মৃত মানুষের কি কোন বোধশক্তি থাকতে পারে?
আমার হাসি পায়। তা আমি কি করে জানবো?
আমি তো আগে কখনো মারা যাই নি!
তাহলে কি মৃতু্যর পর এ রকমই বোধ এসে ভর করে মানুষের ভেতর!
আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে।
কিন্তু কি করে জানবো?

খ. দ্বিধা
আমার সামনে দু'জন ফেরেশতা আসে।
আমার ধারণা ওরা কেরামান কাতেবাইন।
আসলে ওরা যে কেমন আমি বলে বোঝাতে পারছি না।
কোন রকম তুলনা দেয়া চলে না।
তাদের নিজস্ব একটা অবয়ব আছে অবশ্যই, সেটা আমি দেখছিও।
কিন্তু বলে বোঝানোর মতো কোন আকার নেই ওদের।
তবে তাদেরকে একটা শক্তি বলা যায়।
অনেকটা কম্পিউটারের প্রোগ্রামের মতো।
দেখা যায় না, কিন্তু অনুভব করা যায়।
আউটপুট পাওয়া যায়।
আমি ওদেরকে দেখছি।
ওরা আমার কাছে এসে একটু দ্বিধাগ্রস্ত হয়।
হয়তো ওদের ইনফরমেশনে কোন গ্যাপ রয়ে গেছে।
না হলে ওরা দ্বিধাগ্রস্ত হবে কেন?
আমি ভাবছি এই বুঝি আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে।
কিন্তু না, তারা একজন আরেকজনের দিকে তাকায়।
কিছু বোঝার চেষ্টা করছে যেন।
কিন্তু কিছু বুঝে উঠতে না পেরে স্থির হয়ে অপেক্ষা করতে থাকে কোন কিছুর।

গ. মালাকুল মওত
এমন সময় হঠাৎ করে একটা প্রবল গর্জন কিংবা হুংকার কিংবা একটা সর্বনাশা শব্দ ভেসে আসে কোথা থেকে যেন।
মনে হচ্ছে সব কিছু ভেঙ্গেচুরে ছুটে আসছে কিছু একটা।
আমার ভেতর প্রচ ভাবে ভয় এসে ভর করে।
আমি থর থর করে কেঁপে উঠি।
আমার শরীর কি সত্যি সত্যি কেঁপে উঠলো?
আমি চোখ মেলে দেখতে চেষ্টা করি।
কিন্তু পারি না।
কিন্তু খেয়াল হয় আমি সব কিছুই দেখতে পাচ্ছি।
আশ্চর্য! আমি দেখতে পাচ্ছি কি করে?
আমার চোখ তো বন্ধ!
আমি দেখতে পেলাম_ একটা ভয়ানক শক্তি যেন আমার সামনে এসে অপেক্ষা করছে।
কে এই শক্তি?
তাহলে কি মালাকুল মওত!
হবে হয়তো বা।
আমি এতক্ষণে বুঝতে পারছি আমি মৃতু্যর দ্বারপ্রান্ত পেঁৗছে গেছি- মৃতু্যবরণ করি নি।

ঘ. ফ্ল্যাশ ব্যাক
ওরা বেশ কয়েকজন আমাকে ধরে নিয়ে এলো।
তখন কেবল সন্ধ্যা হয়েছে।
আমি বন্ধুর বাসা থেকে একটি ডকুমেন্টরী ছবি দেখে বাসায় ফিরছিলাম।
এজিবি কলোনি থেকে আমার বাসার দূরত্ব মাত্র মাইল দেড়-দুই হবে।
রিকশা খুঁজতে খুঁজতে কমলাপুর রেল স্টেশনের দিকে যাচ্ছিলাম।
মাঝখানে একটু আলো-অাঁধারি মতো একটা জায়গা ক্রস করছি,
এমন সময় আমার ঠিক সামনে এসে একটা সাদা মাইক্রোবাস থামল।
গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে নামলো চারজন।
আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওরা আমাকে টেনে নিয়ে তুললো গাড়িতে।
আমি চিৎকার করার কথাও ভুলে গেলাম ঘটনার আকস্মিতায়।
যখন বুঝতে পারলাম কিডন্যাপ হয়েছি_
তখন ওরা আমাকে নিয়ে চলে এসেছে বহুদূর।
তারপর এই নির্জন প্রান্তরে এসে আমাকে গুলি করে ফেলে চলে যায়।
কিন্তু কেন তারা আমাকে গুলি করল?
আমি কিছুই জানি না।
আমাকে তারা কিছুই বলেনি।
শুধু ধরে নিয়ে এলো আর গুলি করে ফেলে চলে গেলো,
অনেকটা গরু জবাই করার মতো।
যেন এটাই স্বাভাবিক।
একজন মানুষকে অকারণে খুন করে ফেলে রাখাটা যেন কোন ব্যাপারই নয়।

আচ্ছা, আমি কি আমার হত্যাকারীদের মুখোমুখি হতে পারি না!
হ্যা, সম্ভবতঃ পারি!
সম্ভবতঃ আমি এখন সব জায়গায় যেত পারি।
একটু চেষ্টা করে দেখি না কেন!
হয়তোবা পৃথিবীর যে কোন জায়গায় মুহূর্তের মাঝে চলে যাওয়া আমার জন্য কোন বিষয়ই নয় এখন।
আমি আমার দেহ ছেড়ে উঠে দাঁড়ালাম।
আশ্চর্য, কোন রকম কষ্ট হলো না আমার।
তাহলে আমার দেহটা কি শুধুই খোলস?
পরিধেয় বস্ত্রের মতো?
ঠিক তাই হবে।
ঠিক কাপড় পাল্টানোর মতো দেহের খোলস থেকে বেরিয়ে এলাম আমি।
তাকিয়ে দেখলাম আমার দেহটা এখনো নিশ্চল পড়ে আছে_ সেই নির্জন প্রান্তরে।
আচ্ছা, আমার হত্যাকারীদের আমি কি করে চিনবো!
যে চারজন আমাকে টেনে গাড়িতে তুলেছিল- তাদেরকে আমি চিনতে পারবো।
কথাটা ভাবতেই ওদের চেহারা আমার সামনে ভেসে উঠতে শুরু করে জলতরঙ্গের ভেতর থেকে।
মনে হয় যেন অনেক দূর থেকে অস্পষ্ট ছবিগুলো ভাসতে ভাসতে আমার সামনে এসে হাজির হলো।
আমি অবাক হলাম।
না চাইতেই সবকিছু আমার সামনে এসে হাজির হচ্ছে কিভাবে?
তাহলে কি আমি যা দেখতে চাইবো তাই দেখতে পারবো এখন!
ভাবলাম, পরীক্ষা করে দেখি না কেন!
ড্রাইভারের চেহারাটা দেখতে চাইলে কি দেখতে পারবো!
আমি তো তার পিছন দিকটাই দেখেছি শুধু।
ভাবতেই একটা ছবি আমার সামনে আগের মতোই জলতরঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে উঠলো।

আমি যুগপৎ আনন্দ এবং রোমাঞ্চে শিহরিত হই।

ঙ. পোস্ট মর্টেম
অনেক মানুষ এসে জড়ো হয়েছে আমার চারপাশে।
এরা কখন এলো?
আমি খেয়ালই করতে পারিনি।
অথচ জনা পঞ্চাশেক লোক ইতিমধ্যেই আমার দেহকে ঘিরে ধরেছে।
তারা ফিসফিস করে কথা বলছে।
কেউ আমার দেহ স্পর্শ করে দেখার চেষ্টা করছে না।
সবার মুখে কেমন একটা আতঙ্ক।
আমার কৌতুহল হলো।
ওরা এত আতঙ্কিত কেন?
আমি ওদের ভিড়ে মিশে গেলাম।
কেউ একজন বলছে,
'মনে হয় লোকটার সাথে ওদের কোন শত্রুতা ছিল।'
অপরজন বলছে, 'না, এ রকম রেষারেষি থাকলে তো চেহারায় একটু হলেও রুক্ষতার কিংবা ভয়ের ছায়া থাকে। অথচ দেখো, লোকটার চেহারা কি নিষ্পাপ!'
পিছন থেকে কে একজন ফিসফিস করে বলে উঠল, 'এসব হচ্ছেটা কি আজকাল। বলা নেই, কওয়া নেই, যেখানে সেখানে লাশ পড়ে থাকবে! দেশটা যাচ্ছে কোন দিকে?'
জবাবে কে একজন ততোধিক ফিস ফিস কণ্ঠে বলে উঠল, 'আসলে স...ব ঐ ডাইনীটার কাজ। ড্রাকুলা পড়েছেন, ড্রাকুলা? সেই ড্রাকুলার প্রেতাত্দা এসে ভর করেছ ঐ ডাইনীটার কাঁধে।'
পাশ থেকে ভয়ে কম্পমান কে একজন বলে উঠল ফিসফিসিয়ে, 'আস্তে বলুন। নিশ্চয়ই এখানেও ডাইনীটার অনুচর রয়ে গেছে।'
আর একজন বলে উঠল, 'থাক না, তাতে কি? যদি ব্যাপারটা সত্যি হয়, তাহলে ডাইনীটাকেই আগে খতম করা হোক।'
তার কথা শেষ হতে না হতেই একটা বলিষ্ঠ তরুণ কণ্ঠ গগনবিদারী শব্দে চেঁচিয়ে উঠলো, 'অপমৃতু্যর বিচার চাই।'
সাথে সাথে অন্যরা সুর মেলালো, 'বিচার বিচার বিচার চাই','অপমৃতু্যর বিচার চাই'।

লোকগুলোর কথার সূত্র ধরে আমি ডাইনীটাকে দেখতে চাইলাম।
ঐ তো সে বসে আছে তার আপন কামরায়।
তার হাতে কিছু কাগজপত্রসমেত একটা ফাইল।
সে ফাইলটা উল্টে-পাল্টে দেখছে আর ক্রুর হাসছে।
হঠাৎ কি ভেবে উঠে দাঁড়ালো সে।
স্বগতোক্তি করলো, 'ওদেরকে অনেকক্ষণ বসিয়ে রেখেছি। যাই, ওদের অপারেশনের খোঁজ-খবর নিয়ে আসি একটু।'
সে উঠে তার স্পেশাল ড্রয়িং রুমে এসে ঢুকলো।

আরে, এ যে দেখছি আমার হত্যাকারীগণ।
তাহলে কি সত্যি সত্যি ডাইনীটার ইশারায় আমাকে হত্যা করা হয়েছে!
আমার হাত নিশপিশ করে উঠলো ওদের দেখে।
কিন্তু আমার তো কোন কিছু করার ক্ষমতা নেই!
আমি শুধু দেখে যেতে পারি!
আমি এক কোণে সরে গেলাম।
সবার দিকে তাকালাম।
হঁ্যা, পুরো গ্রুপটাই আছে এখানে।
ডাইনী এসে নেতা গোছের ছেলেটার পাশে বসল।
চশমা খুলে শাড়ীর খুঁট দিয়ে মুছতে মুছতে বলল, 'বল দেখি তোমাদের আজকের অপারেশনের খবরাখবর।'
নেতা গোছের ছেলেটা গলা সামান্য খাকারি দিয়ে শুরু করল।
আজ আমাদের টার্গেট ছিল চারটা স্পট।
কমলাপুর এরিয়া, সংসদ ভবন এরিয়া, মিরপুর এবং মোহাম্মদপুর।
এর মধ্যে একটা ছাড়া বাকী সব ক'টি ব্যর্থ হয়েছে।
শুধুমাত্র কমলাপুর এরিয়ার কাজটা শেষ হয়েছে।
'কেন? বাকীগুলো হলো না কেন?'
প্রচ রাগের সাথে বললো ডাইনী।
'আমরা চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সুযোগ পাইনি।
নগরীর মানুষজন আজকাল বেশ সচেতন হয়ে গেছে।
রাস্তাঘাটে সাধারণতঃ একাকী কেউ চলে না।'
'তাতে কি হয়েছে? রাস্তার মোড়ে গাড়ি দাঁড় করিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করতে পারলে না?'
'সাহস পাইনি।' ভয়ে ভয়ে বললো গ্রুপ লিডার।
'সাহস পাওনি, নাকি টাকা কম পড়েছে? যাও, আজকে থেকে মাথা প্রতি পাঁচ লাখ টাকা পাবে। তবু আমি রক্ত চাই। লাশ চাই। বুঝেছো। লাশ না হলে আমার মুখে খাবার রোচ না। যাও, আজকের মতো তোমরা চলে যাও। আর মৃণাল, তুমি ওদের বিদায় করে দিয়ে আমার কামরায় চলে এসো, কথা আছে।'
বলে ভিতরে চলে গেলো ডাইনী।
আমি এতক্ষণে জানতে পারলাম ঐ লোকটার নাম মৃণাল।
সবাইকে বিদায় করে মৃণাল এসে ঢুকলো ডাইনীর খাস কামরায়।
দরজাটা ভালো করে লাগিয়ে দিলো সে।
ডাইনী তার অপেক্ষাতেই ছিলো।
ডাইনী বিছানায় শুয়ে পড়ে চশমাটা খাটের প্রান্তে রাখতে রাখতে বললো,
আয় আকাটা আয়, তাজা রক্তের ঘ্রাণ নাকে এলে আমার ক্ষুধাটাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। নে আমার ক্ষুধাটা মেটা আগে, তারপর অন্য কথা।

আমি সেখান থেকে চলে এলাম।
এ রকম দৃশ্য দেখতে আমার ইচ্ছে হলো না মোটেও।
কিন্তু এখন আমি কি করি।
সবাইকে তো সতর্ক করা দরকার।
তা না হলে প্রতিদিন আমার মতো নিরপরাধ মানুষের অপমৃতু্যর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।
কি করি আমি, কি করি!
ভাবতে অস্থির লাগছে।
আমার মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেলো।
আমি চলে এলাম বাইতুল মোকাররম মসজিদে।
মসজিদের ছাদে উঠে দু'হাত মুখের সামনে একত্রিত করে সর্বশক্তি দিয়ে চিৎকার করে উঠলাম,
'শোন নগরবাসী।
এক ভয়াবহ ডাইনীর বিষাক্ত ছোবলের শিকার হতে যাচ্ছ তোমরা....। শোন...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একাত্তরের আগের আর পরের জামাত এখনও এক

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ০২ রা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮


গোলাম পরওয়ার বলেছে একাত্তরের জামাত আর বর্তমান জামাত এক নয়। অথচ এক। স্বাধীনতার আগের জামাত আর পরের জামাত একই রকম।
একাত্তরের আগে জামাত পাকিস্তানের গো% চাটতো এখনও তাই চাটে। তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সোনার ধানে নোনা জল

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ১:১২



হঠাৎ একটা তীক্ষ্ণ শব্দে রেদোয়ানের ঘুম ভাঙল। না, কোনো স্বপ্ন নয়; মেঘের ডাক আর টিনের চালে বৃষ্টির উন্মত্ত তান্ডব। বিছানা ছেড়ে দরজায় এসে দাঁড়াতেই এক ঝলক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরহুম ওসমান হাদীর কারণে কবি নজরুলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯


ইনকিলাব মঞ্চের জাবের সাহেব মাইকের সামনে দাড়িয়ে যখন বললেন , শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের উসিলায় নাকি এদেশের মানুষ আজ কবি নজরুলের মাজার চিনতে পারছে, তখন মনে হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের শিক্ষা - ১

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ৯:২৬



সমাজ আমাদের বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা করে। কখনো ধন-সম্পদ দিয়ে, আবার কখনোবা কপর্দকশূন্যতা দিয়েও! সমাজের এই পরীক্ষায় কেউ জিতেন, আবার কেউবা পুরোপুরি পর্যুদস্ত হয়ে বিদায় নেন এই ধরাধাম থেকে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিষন্ন মেঘের ভেলায় ভেসে....

লিখেছেন ইন্দ্রনীলা, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৯



তোমাকে শুধু একটাবার বড় দেখতে ইচ্ছা করে...
এই ইচ্ছায় আমি হয়ে যাই একটা ঘাসফড়িং
কিংবা আসন্ন শীতের লাল ঝরাপাতা,
উড়ে যাই ভেসে যাই দূর থেকে দূরে...
অজানায়...

শরতের কাঁশফুলের পেঁজা তুলো হয়ে
ফুঁড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×