ইদুরের উপরে পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে বেশী পরিস্কার পরিবেশে বড় হলে এলার্জি আর রোগবালাই এর সম্ভাবনাটা একটু বেড়ে যায়।
"হাইজিন হাইপোথিসিস" অনুযায়ী ছোটবেলায় নোংরা আর ময়লায় থাকলে ইমিউনিটি তৈরি হয়, ফলে বড়বেলায় রোগশোক একটু কমই হয়।
ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়েল এক্সপেরিমেন্টাল সার্জারীর প্রফেসর উইলিয়াম পার্কার অর্ধশতাধিক ইদুরের উপর পরীক্ষা চালিয়ে এই তত্ত্বই জাহির করতে চাইছেন।
ভদ্রলোক কিছু ইদুরকে রেখেছিলেন অসম্ভব পরিষ্কার পরিবেশে, আর কিছুকে নোংরা পরিবেশে। দেখা গেলা নোংরা ইদুরগুলোর ইমিউন সেল সহজে উত্তেজিত হয় না। কিন্তু ধোপদুরস্ত পরিষ্কার ইদুরগুলোর ইমিউন সেলগুলো পক্ষান্তরে মহা রগচটা, একবার ধুলো-ময়লা আর মাইক্রোবের পাল্লায় পড়ল তো বিগড়ে গেল। যার ফল তাৎক্ষনিক অ্যালার্জিক রি-অ্যাকশান না হয় অ্যাজমার মতো যন্ত্রনা।
গবেষনাষ আরও দেখা গেছে নোংরা ইদুরের দেহে চারগুন বেশী ইমিউনোগ্লোবিউলিন থাকা সত্ত্বেও এরা অসুখে পড়ছে না।
গবেষকরা বলছেন এটা মানুষের ক্ষেত্রেও সত্য হতে পারে।
যদিও গবেষনার পুরোটা ত্রুটিমুক্ত ছিল কিনা তা জানা যায় নি, তবে এটা মানতেই হবে, কথা সত্যি হলে সাবানের খরচ বেশ খানিকটা কমে যাবে।
[ইটালিক](সাধে কি এদেশে না খেয়েপড়েও মানুষগুলো বেঁচে থাকে..)
[/ইটালিক]
[link|http://www.cbc.ca/story/science/national/2006/06/16/rats-hygiene.html|g~j
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ৯:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




