বেণীমাধব, বেণীমাধব, তোমার বাড়ি যাবো
বেনীমাধব আমি কিন্তু ফ্রাইড চিকেন খাব।
বেণীমাধব, মোহনবাঁশি তমাল তরুমূলে
বাজিয়েছিলে, তখন তোমার রেডিশ কালার চুলে।
ডেস্কে বসে অঙ্ক করি, ছোট্ট ক্লাসঘর
ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে টিপছিলে চোখ কিছুক্ষণ পর পর
আমি তখন নবম শ্রেণী, আমি তখন শাড়ি
ভাঁজে ভাঁজে শুধুই সেফটিপিন এর বাড়াবাড়ি।
বেণীমাধব, বেণীমাধব, লেখাপড়ায় ভালো
তুমি একটু পাঁশুটে মুখ, আমি ছিলাম কালো
তোমায় দেখে এক দৌড়ে পালিয়ে গেছি ঘরে
কল্পনাতে মুন্নি-শিলা, গা শিড় শিড় করে।
কুঞ্জে অলি গুঞ্জে তবু, ফুটেছে মঞ্জরী
ক্লোজ ডেটিং এর তুলনা ছবি, তোমার পায়ে ধরি
আমি তখন নবম শ্রেণী, আমি তখন ষোল
নির্লজ্জ! বলতে তুমি “একটু ওটা খোল”
বেণীমাধব, বেণীমাধব, এতদিনের পরে
তোমার নৌকা নতুন করে এঁটেছে কারও চরে?
সে সব কথা বলেছো তুমি তোমার প্রেমিকাকে?
কত মুলো ঝুলতো আগে তোমার ছোট্ট নাকে,
দেখেছিলাম আলোর নীচে; অপূর্ব সে আলো!
বুঝেছিলাম চুলো তোমার, বুঝেছিলাম চাল’ও
জুড়িয়ে দিলো চোখ আমার, পুড়িয়ে দিলো চোখ
মনের ভিতর ইশারা এলো, আবারো প্রেম হোক।
রাতে এখন ঘুমাতে যাই একতলার ঘরে
গভীর রাতে ফেসবুক আর হোয়াটস্ অ্যাপ ভর করে
আমার পরে যে বোন ছিলো চোরাপথের বাঁকে
যেতে গিয়েও এসেছে ফিরে, ইস্কাটনে থাকে।
আজ জুটেছে, কাল কী হবে? কালের ঘরে শনি
এখন আমি নর্থ-সাউথ’এ সবার চোখের মনি
তবু আগুন, বেণীমাধব, আগুন জ্বলে কই?
কি যে হবে, ফের যদি কারও সেকেন্ড চয়েজ হই!
____সালমান হায়দার।
[উপরোক্ত অপকর্মটি শ্রদ্ধেয় কবি জয় গোস্বামীর একটি করুন রসসিক্ত কবিতা হতে নিছক হাস্যরস সৃষ্টির প্রায়োনুচিৎ প্রয়াস মাত্র। এজন্য শ্রদ্ধেয় কবির পরিবার ও ভক্ত অনুরাগীদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।]

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


