
বাংলাদেশ জন্মের ঠিক সাথে সাথেই একটা বড় অপরাধ করে। তৎকালীন সরকার ৯৪ হাজার পাকিস্তানি সেনা এবং ১৯৪ জন চিহ্নিত গনহত্যাকারীকে ভারতের হাতে তুলে দেয়। এই ৯৪ হাজার সৈন্যকে টোপ করে ভারত পাকিস্তানকে কাস্মীর ইস্যুতে একটা চুক্তি করতে বাধ্য করে যা শিমলা চুক্তি নামে পরিচিত।
এই চুক্তি অনুসারে কাস্মীর ইস্যু ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক ইস্যু হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং কাস্মীর সমস্যা সমাধানে তৃতীয় পক্ষ আসতে পারবে না, সমাধান ভারত-পাকিস্তানের মধ্যেই হতে হবে।
এর আগে পাকিস্তানের আবেদনের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ পাকিস্তান যোগ বা ভারতে যোগ দেওয়া অথবা স্বাধীনতা এই তিনটা অপশন রেখে কাস্মীরে গণভোট করার প্রস্তাব করেছিলো। ভারত এই প্রস্তাব মানেনি। কিন্তু এই চুক্তির পরে পাকিস্তান, ভারত বা অন্য কেউ জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে বলতে পারবে না বা অন্য পরিষদে যেতে পারবে না কাস্মীর ইস্যুতে।
কাস্মীর এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সেনা মোতায়েন করা এলাকা। ভারত ১০ লক্ষ সেনা মোতায়েন করে কাস্মীর দখল করে রেখেছে (প্রতি ৭ কাস্মীরীর জন্য ১ জন সেনা)। কেউ কিছু বলতে পারে না ঐ চুক্তির কারনে।
বাংলাদেশ জন্মলগ্নেই কাস্মীরী জনগনের স্বাধীনতা সংগ্রামকে গলা কেটে হত্যা করার ছুরি ভারতের হাতে তুলে দেয়। ৭১ এ কোন সম্পর্ক না থাকার পরেও হাজার মাইল দূরে থেকে মজলুম কাস্মীরীদের পরাজয় ঘটে।
সেই ঐতিহাসিক অপরাধ করা বাংলাদেশের গণমাধ্যম আর রাজনৈতিক দলগুলো আজ কাস্মীরী মুক্তিযোদ্ধাদের জঙ্গি বলে অভিহিত করছে।
ম্যালকোলাম এক্স বলেছিলো, "Truth is on the side of the oppressed" এমনিতেই সবার কাস্মীরের অত্যাচারিত মানুষের পক্ষে থাকা উচিত। দালাল মিডিয়া আর রাজনৈতিক দলগুলো যাই বলুক, সেই ঐতিহাসিক অপরাধের জন্য বাংলাদেশের মানুষের আরো বেশি বেশি কাস্মীরের জন্য দোয়া করা উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




