৫৫% কোটা ছাড়াও আরও একটা অলিখিত কোটা আছে তা হলো ছাত্রলীগ কোটা বা বিএনপির সময়ে ছাত্রদল কোটা !! যেটা আরও ১৫ থেকে ২০ % । এছাড়াও ১০% পিছিয়ে পড়া জেলা কোটার বাহিরে অলিখিত গোপালগঞ্জ জেলা কোটা ত আছেই । তাহলে সাধারণ অরাজনৈতিক মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য কত শতাংশ বাকি রইল ?
মুক্তিযোদ্ধারা যে বৈষম্যের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন সেই বৈষম্য ত ভিন্ন নামে আজও রয়ে গেছে । ‘’ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ‘’ শব্দটি আজীবন বিক্রয়ের জন্যই প্রযোজ্য রয়ে গেলো । পুঁজিবাদী সমাজে বৈষম্য সারা বিশ্বেই রয়েছে আন্দোলন বা যুদ্ধের মাধ্যমে তার হাত বদল হয়েছে মাত্র ।
কেউ কেউ অস্বীকার করলেও চরম সত্যি যে বাস্তবে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার নেই । আমরাও এটাকে নিয়তি মেনে নিয়েছি । প্রকৃত পক্ষে ভোটের অধিকার না থাকার জন্যই আমাদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে যেতে হয় । ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসতে জনগনের ভোটের দরকার হয় নি এমনকি সামনেও দরকার হবে না সুতরাং সরকার জনগনের এসব দাবি মেনে নিতে বাধ্য নয় !!! এটাই বাস্তবতা । ক্ষমতা ধরে রাখতে যেহেতু ভোটের হিসেব করতে হয় না , জনগনের দরজায় যেতে হয় না তাহলে কেন সরকার এসব আন্দোলন পাত্তা দিবে । সুতরাং আমাদের সমস্যা টা অন্য জায়গায়, আমরা জনগন অনেক আগেই সরকারের কাছে নিজেদের মূল্য হারিয়েছি । তাই এখন ফল ভোগ করছি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


